গল্পের সময়, উৎসব সংখ্যা ২০১৭


বাঙালি গল্প শুনতে ভালোবাসে, বাঙালি গল্প শোনাতেও ভালোবাসে। তিন বাঙালি এক জায়গায় হয়েছে আর সব কাজকর্ম শিকেয় তুলে ঘণ্টা খানেক জমিয়ে গল্প-গুজব করে নি এমন ঘটনা একসময় ছিল দুর্লভ ব্যাপার। মজলিসে বসে জামার পকেট বা আস্তিন একটু ঝাড়াঝাড়ি করলে দু-একটি কাহিনী বা কিস্‌সা টুক করে ঝরে পড়তই। আড্ডাবাজ বাঙালির সেই কৌলিন্যে আজ ভাঁটার টান। আন্তর্জাতিক স্পেস অ্যান্ড টাইম মাথায় রেখে ছুটছে সে। শপিং জোন থেকে স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপ সার্ফিং থেকে রুফটপ ওয়াকিং – সবেতেই এখন স্বচ্ছন্দ বাঙালি। শুধু মাঝখান থেকে উধাও আড্ডা। ব্যস্ত বাঙালির এক চিলতে অবসরে উঁকি মেরে আমরা বলতে চাই – তুমিও গল্প বলো। গল্পের সময় হয়ে উঠতে চায় -- গোটা বিশ্বের বাঙালির গল্পের উঠোন।

স্থিরবিন্দু

লিখেছেন:পঙ্কজ চক্রবর্তী

চন্দনা বলেছিল এই শরীর নিয়ে বেরুবে? ‘না বেরিয়ে উপায় কি? আমাকে নিয়ে এই কটা দিন তুমি কতো কষ্ট করে সংসার চালিয়েছো।এভাবে ঘরে থাকাটা আরো যন্ত্রণার। হরিপদর গায়ে হাত রেখে চন্দনা বলে জ্বরটা এখনো আছে। এই শরীর নিয়ে বেরুলে আমি খুব দুশ্চিন্তায় থাকবো। হেসে উঠেছিল হরিপদ। আমাদের আবার দুশ্চিন্তা? চিন্তা করলে তার কিছু না কিছু একটা […]

বাকিটা পড়ুন...

ক্যাক্‌টাস

লিখেছেন:অনিলেশ গোস্বামী

  রমনীমোহনের প্রাসাদোপম বাড়ির কারুকার্য করা বিশাল লোহার গেট, সেটা খোলা। তারপরে আবার একটা কোলাপসিব্‌ল গেট। তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে চাঁদু, অর্থাৎ চন্দ্রনাথ। অবশ্য সেটা এখন আর বোধহয় কেউ মনে রাখেনি। সবাই বলে চাঁদু। চাঁদু নিজেও জানে তাকে ঐ নামে সম্বোধনের সময় সবাই একটা তাচ্ছিল্যের ইঙ্গিত ছুড়ে দেয়। এটাও জানে পাড়ায় যে কোনো বাড়িতে সে […]

বাকিটা পড়ুন...

ঋকের বড় হওয়া এবং তারপর…

লিখেছেন:তপন মোদক

(১) সিঞ্চিনি বাথরুম থেকে বেরিয়ে দেখল ব্রেসিয়ারটা নেই। সিঞ্চিনি বরাবরই বাথরুমে স্নান করতে ঢোকার আগে খাটের ওপর ম্যাক্সি, পেটিকোট, প্যান্টি আর ব্রেসিয়ারটা রাখে। প্রথমে পেটিকোট। তারপর ব্রেসিয়ার আর প্যান্টি। ব্রেসিয়ার-প্যান্টির ওপর ম্যাক্সিটা চাপা দিয়ে রাখে। অনেক দিনের অভ্যাস। গা মুছে গামছাটা পেঁচিয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে ঘরে এসে ওগুলো পরে নেয়। আজ বাড়িতে কেউ নেই। বিতানের […]

বাকিটা পড়ুন...

ভোঃ

লিখেছেন:তন্বী মুখোপাধ্যায়

‘ক’ আর ? আর কি নেব বল্ ? ফোনের  এপারে মেয়ের মানে আমার গলা- একটা  স্বপ্ন, দু’চারটে ভাল চিন্তা, দু’চারটে দুশ্চিন্তা,আর ভরসা। যা নিয়ে  সকালে উঠবি। হ্যাঁ তা নিভ্ভরসা হ’য়ে যাওয়া নয় বলেই তোরা তিন তিনটে ভরসা বলিস্ ,আস্থা বলিস , না তো বোন্ বোনধ্ , হ্যাঁ তা বোনন- ধ-উ – ইচ্ছে করে তোত্লাচ্ছিস কেন? […]

বাকিটা পড়ুন...

মেঘ বালিকা

লিখেছেন:প্রদীপ কুমার দাস

ঠিক পাঁচটায় টয়েটো গাড়িটা এসে দাঁড়ালো এয়ারপোর্টের গেটের সামনে। নেমে পড়লাম তিন বন্ধু। গাড়ি থেকে লাগেজ নামিয়ে  ট্রলি-গাড়িতে চাপিয়ে আস্তে আস্তে এগোতে থাকলাম। ‘সেলাম সাব’ , ড্রাইভারের গলা শুনে হঠাৎই খেয়াল হল তাকে  কিছু বকশিশ দেওয়া হয়নি। সঙ্গে সঙ্গে বললাম, ‘দেবাশিস ,আমরা ট্রলিটা দেখছি। তুই ড্রাইভার দাদাকে কিছু টাকা দিয়ে আয়’। আমার কথা শুনে দেবাশিস […]

বাকিটা পড়ুন...

আমার ছেলে কিচ্ছু খায় না

লিখেছেন:সিদ্ধার্থ সিংহ

ডাক্তারের উল্টো দিকের চেয়ারে বসে মুখ কাঁচুমাচু করে কাজরী বললেন, ডাক্তারবাবু, আমার ছেলে কিচ্ছু খায় না। এর আগেও দু’জন চাইল্ড স্পেশালিস্টকে দেখিয়েছিলাম। এই যে তাঁদের প্রেসক্রিপশন… বলেই, আগে থেকে বের করে রাখা তিন-চারটে কাগজ উনি এগিয়ে দিলেন ডাক্তারবাবুর দিকে। ডাক্তারবাবু সেগুলিতে চোখ বোলাতে লাগলেন। কাজরী আবার বললেন, ও কিচ্ছু খাচ্ছে না, কী করা যায় বলুন […]

বাকিটা পড়ুন...

একজন সামান্থার গল্প

লিখেছেন:আইভি রহমান

বহু রাত পর আজ সামান্থা  ঘু্মোতে পেরেছে। বহুদিন পর আজ সে সকালের  স্নিগ্ধ নিষ্পাপ আলোর বিচ্ছুরণ দেখেছে অন্য রকম এক ভাল লাগায় নিজেকে ঢেলে দিয়ে। আজ সকালের কফি তাকে মিষ্টি করে শুভাশিস জানিয়েছে। সরে গেছে তার জীবন থেকে কালো রাহুর গ্রাস। কাল রাতে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে ফ্রেডিকে। অনেকগুলো দিন সহ্য করেছে সে দাঁতে দাঁত […]

বাকিটা পড়ুন...

মিষ্টি কুমড়ো ও এক ভালোমানুষের গল্প

লিখেছেন:সিদ্ধার্থ সান্যাল

‘মিষ্টি কুমড়ো যে কোনোদিন কিনে খেতে হবে এ কখনো ভাবিনি বাবু ! ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি এ তো গরুতে খায়” ! কানাইদার কাঁচি আমার মাথার মধ্যে চলতে চলতে থেমে গেলো ! পঞ্চদশবর্ষীয় আমি, খালিগায়ে, ডবল পেজ খবরের কাগজের মধ্যে ফুটো করা মাথা-গলানো মেক-শিফট কাগজ-জামা থেকে ঘাড় তুলে বললাম ” সে কির’ম, কানাইদা ?” কানাইদাকে নিয়ে […]

বাকিটা পড়ুন...

সেফ কাস্টডি

লিখেছেন:সমীর ঘোষ

আজকেই শেষ হয়ে যেত তরকা। শেষ মানে একেবারে খতম। এ তল্লাটে আর চুরবুড়ি মারাতে হত না। দাগী স্বপনের ভাই কেলেজনা গতরাতে খতম হয়ে যাওয়ার খরবটা শোনার পর থেকেই ব্যাপারটা একটু একটু করে অনুভব করতে পারছিল তরকা। চারপাশেই স্বপনের দলের ছেলেগুলো ওকে নজরে রাখছিল। অর্থাৎ সুযোগ খুঁজছিল। তরকাও এখান থেকে পালাবার তাক করছিল। কিন্তু পালানো ব্যাপারটা […]

বাকিটা পড়ুন...

প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন:হামিরউদ্দিন মিদ্যা

ঝাঁ-চকচকে পিচরাস্তাটা ধরে যেতে যেতে কুড়ানী ভাবল,সত্যিই দেশটার কি উন্নয়ন! আর মানুষ গুলোর কোনো ভাবনা নেই।বর্ষাতে আর ছ্যাপ-ছ্যাপে কাদা মাড়িয়ে,লুঙি-কাপড় গুটিয়ে খালি পায়ে হাঁটতে হবে না কাউকে।গ্রামের ছেলে-মেয়ে গুলোকে আর ঠেলে-ঠেলে সাইকেল পার করে স্কুলে যেতে হবে না—এখন পাকা রাস্তা!লোকের কথা চিন্তা করলে কি হবে,কুড়ানী নিজে কখনও জুতো পরে না।জুতো থাকবে কি করে ওর পায়ে?খালি […]

বাকিটা পড়ুন...

কবিরাজ

লিখেছেন:দীপন জুবায়ের

সকাল থেকে ঝিরঝির বৃষ্টি হচ্ছে । কয়েকদিনের গুমোট গরমের মধ্যে এই বৃষ্টিটুকু যেন খোদার আশির্বাদ । সারাদিন ঘরের মধ্যে বসে থেকে হামজা মোল্লার মন উসখুস শুরু হয়েছে । হামজা মোল্লা গ্রামের একমাত্র নামকরা কবিরাজ । সংসার খুবই ছোট । কিন্তু মনে সুখ নেই , সংসারে নেই শান্তি । হামজা সহজে হাল ছাড়ার লোক না । […]

বাকিটা পড়ুন...

হ্যালুসিনেশন

লিখেছেন:অরিন্দম

আবার সেই ছাতিম ফুলের সুঘ্রান। এই গন্ধটা নাকে এলেই আমি আর নিজেকে নিজের ভেতর পুরে রাখতে পারিনা। আমার ভাবনাগুলোতে কেমন জট পাকিয়ে যায় সুগন্ধী বাতাসে। বাস্তব জগত থেকে কেমন একটা স্বপ্নিল কল্প রাজ্যে ঢুকে পড়ি আচমকা।আমার অবস্থানটাই বদলে যায় দ্রুত। তখন নিজের পরিচয় সম্পূর্ণ ভুলে যাই আমি। কোথায় আছি, কোথায় যেতে চাই কিছুই বুঝতে পারিনা। […]

বাকিটা পড়ুন...

নজরদারি

লিখেছেন:মৃন্ময় সেনগুপ্ত

হুমদোমুখো লোকগুলো জেরা করেই চলেছে। কঠিন সব প্রশ্নের জালে ক্রমশ পেরে ফেলছে স্বপ্ননীলকে। স্বপ্ননীল ভাবছে, তাহলে গোপনীয় বলে কিছুই নেই। সে কবে ওলা বা উবরে কোথায় গিয়েছিল, ওহো! ক্যালকাটায় কবে কার সঙ্গে গিলে কত টাকা ডিজিটালে পেমেন্ট করেছে, সবই ওদের জানা। এমনকি পাতি হলুদ ট্যাক্সিতে হাওড়া স্টেশনে গিয়ে বেঙ্গালুরু থেকে আসা কয়েকজনের সঙ্গে সে যে […]

বাকিটা পড়ুন...

চলচ্চিত্র

লিখেছেন:সৌমাল্য গরাই

ছবি অনেকটাই প্রতীকী। এক একজনের ছবি এক এক রকমের। প্রতিটি ছবির মধ্যে একটা সময় ঢুকে থাকে নিজের মত করে। তবে ছবিও যে হেঁটে যায় তার ছবি না দেখলে বিশ্বাস করা শক্ত। পাশের গ্রামের ছবি পিসি। হ্যাঁ ওই নামে বেশী চিনি। টাইটেল টা বলা শক্ত, আসলে পাগলদের টাইটেল কোনোকালেই ছিল না। অবশ্য ঠিক কি কারণে পাগল […]

বাকিটা পড়ুন...

তৃতীয় নয়ন

লিখেছেন:স্নেহাশিস

                                                                                                    ১  তীব্র শীতের মতো এক দেশ। খাঁ খাঁ প্রান্তর, কুয়াশা মোড়া, নিঃস্তব্ধ, কোলাহলহীন। সে কি আগে এসেছে এখানে ? কখনো ? কই চিনতে পারছে না তো কাউকে। কেমন সব অলীক মুখ চোখের মানুষজন, অচেনা অঙ্গভঙ্গি, অদেখা  পরিবেশ! অনুভূতিহীন চোখ মেলে সে তার চারপাশ দেখে নেয়। না তার ভয় করছে না। […]

বাকিটা পড়ুন...

চেনা-চেনা লাগে

লিখেছেন:পূষন

[১] কালিদাস মাধ্যমিক (উচ্চমাধ্যমিক) বিদ্যালয়ে শুভম যেদিন অঙ্কের পার্টটাইম শিক্ষক হিসেবে জয়েন করল সেদিন সকাল থেকেই প্রবল বৃষ্টির দাপট ছিল মনে রাখার মতন। সারা আকাশ কালো হয়ে রয়েছে, সঙ্গে অবিশ্রান্ত বৃষ্টিপাত আর উথাল-পাথাল ঝোড়ো হাওয়ার তাণ্ডব। এত খারাপ আবহাওয়া বছরের এই সময়টা সচরাচর হয় না। কিন্তু হয়েই যখন গেছে তখন কি আর করা! প্রথম দিন, […]

বাকিটা পড়ুন...

কীট

লিখেছেন:শুভম ব্যানার্জি

১ সারাদিন অখণ্ড অবসর। জীবন বড়ো নিস্তরঙ্গ। কাছেই কোথাও কোকিল ডাকছে। আর তার সাথে আসছে ছাতারে পাখিদের হিসেব না মেলা ঝগড়া। বড় খেয়ালী এ সকাল। আর খুব আলতো। মুঠো করে না ধরলে যেন ঝরে যাবে। শব্দ বলতে একটা হচ্ছে বটে। গুনগুন,গুঞ্জন। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলেন দীপান্তবাবু। ফেলে রাখা.. পড়ে থাকা তানপুরা থেকে একটা ভ্রমর বেরিয়ে আসছে। […]

বাকিটা পড়ুন...

সুক্ষ্ম শরীরে

লিখেছেন:সুমন সেন

ত্রিলোকনাথ গোস্বামী প্রতিদিনের মতই নিজের সাধনায় বসেছে।      দুধওয়ালা শুভ, প্রতিদিনের মত দুধের প্যাকেটটা নিয়ে আসল – ত্রিলোকনাথের ঘরের সামনে। দুটো টোকা মারল দরজার উপর। ভালো করে ত্রিলোকনাথের দিকে তাকিয়ে দেখল, সে পদ্মাসনে বসে রয়েছে। ত্রিলোকনাথ কোনো সারা না দেওয়াতে – শুভ নিজেই ঘরে ঢুকে, টেবিলের উপর রাখা পাত্রে – দুধের প্যাকেটটা রেখে দিল। শুভ-র বয়স […]

বাকিটা পড়ুন...

গল্পের সময় বিজ্ঞাপন


বাংলার হাজার হাজার পত্র-পত্রিকার মত ‘গল্পের সময়’ও একটি লিট্‌ল ম্যাগাজিন। কাগজ ও কালিতে ছাপার বদলে এর বিচরণ অর্ন্তজালে,পার্থক্যটা এখানেই। অনান্য লিট্‌ল ম্যাগাজিনের মতই বেঁচে থাকতে,পথ চলার রসদ জোগাতে বিজ্ঞাপন গ্রহন করবে গল্পের সময়। তবে সচেতনভাবে জ্যোতিষ, তন্ত্রমন্ত্র, লোক ঠকানো বা ধাপ্পাবাজির কোনও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে না এই পত্রিকার পাতায়।

ভাল গল্পের ডালি নিয়ে অর্ন্তজালে ভেসে ভেসে বহু মানুষের কাছে পৌঁছোতে চায় ‘গল্পের সময়’। আমাদের সঙ্গী হয়ে আপনার প্রতিষ্ঠান, প্রকাশন সংস্থা, ব্যক্তিগত বই বা অন্য কোনও উদ্যোগের বিজ্ঞাপন অনেকের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন আপনি। বাণিজ্যিক প্রকাশন সংস্থার মিনিট সেকেন্ডের টাইমফ্রেম বা স্কোয়ার-সেন্টিমিটারের চোখরাঙানি নেই। গোটা মাস/বছর ধরে ২৪X৭ লাইভ রাখুন আপনার বিজ্ঞাপন।

আকাশছোঁয়া মূল্য নয়, নামমাত্র খরচে বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুযোগ থাকছে গল্পের সময়ে। বিজ্ঞাপন দিন সরাসরি ওয়েব লিঙ্ক অথবা তৈরি পেজ-এর মাধ্যমে। আরও বিস্তারিত জানতে চলে আসুন আমাদের বিজ্ঞাপনের পাতায়। প্রয়োজনে মেইল করুন galpersamay@gmail.com এ।

বিজ্ঞাপন



আলাপন/ বিশেষ



ভগীরথ মিশ্র’র লেখালিখি

চেনা লেখক অচেনা কাহিনী

উদয়ের কথা

ওয়েবসাইট দেখেছেন

সর্বমোট পোস্ট

পথচলা(দিন)

আরও পড়ুন/পুরোনো পাঠ


Twitter

Facebook

Google

যোগাযোগ


email:galpersamay@gmail.com

Your message has been sent. Thank you!

গল্পের সময় পরিবার
সমীর
অগ্নীশ্বর
দেবাশিস
চিন্ময়
পার্থ
মিতালি
জাগরণ
দেবব্রত

© 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ।