গল্পের সময়, এপ্রিল ২০১৮


বাঙালি গল্প শুনতে ভালোবাসে, বাঙালি গল্প শোনাতেও ভালোবাসে। তিন বাঙালি এক জায়গায় হয়েছে আর সব কাজকর্ম শিকেয় তুলে ঘণ্টা খানেক জমিয়ে গল্প-গুজব করে নি এমন ঘটনা একসময় ছিল দুর্লভ ব্যাপার। মজলিসে বসে জামার পকেট বা আস্তিন একটু ঝাড়াঝাড়ি করলে দু-একটি কাহিনী বা কিস্‌সা টুক করে ঝরে পড়তই। আড্ডাবাজ বাঙালির সেই কৌলিন্যে আজ ভাঁটার টান। আন্তর্জাতিক স্পেস অ্যান্ড টাইম মাথায় রেখে ছুটছে সে। শপিং জোন থেকে স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপ সার্ফিং থেকে রুফটপ ওয়াকিং – সবেতেই এখন স্বচ্ছন্দ বাঙালি। শুধু মাঝখান থেকে উধাও আড্ডা। ব্যস্ত বাঙালির এক চিলতে অবসরে উঁকি মেরে আমরা বলতে চাই – তুমিও গল্প বলো। গল্পের সময় হয়ে উঠতে চায় -- গোটা বিশ্বের বাঙালির গল্পের উঠোন।

শময়িতার কাছে সীমায়িত

লিখেছেন:সুদীপ বসু

মেট্রো ধরে রবীন্দ্রসদন যাওয়া আমার সুবিধে হয় আজকাল। দমদম মেট্রো স্টেশনের লাগোয়া সন্দীপের গ্যারাজ। মোটর-বাইক রেখে দিয়ে নিশ্চিন্তে গড়িয়া পেরিয়ে অনেকদূর যাতায়াত করতে পারি।গত সপ্তাহে সন্দীপের কাছে বাইক রেখে, লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটছি রবীন্দ্রসদন। জীবনানন্দ সভাগৃহে “ফটোগ্রাফিচর্চা” সংস্থার একটা এক্‌জিবিশন এবং আলোচনা সভা হচ্ছে। দেরী হয়ে গেছে অফিস থেকে বেরোতে। লাইনটা এগোচ্ছে না কেন দেখার […]

বাকিটা পড়ুন...

বাংলাদেশ

লিখেছেন:মশিউল আলম

আমাদের এই মফস্বল শহর থেকে ভারতের সীমান্ত খুব কাছে। প্রচুর লোকজন প্রতিনিয়ত এপার-ওপার করে। তাদের অধিকাংশই এদেশের। চোরাকারবারি, বৈধ ব্যবসায়ী, চিকিৎসা ও লেখাপড়ার জন্য যায় এমন লোকজন, আর আছে সেইসব মানুষ, যাদের খুব কাছের আত্মীয়স্বজন ওপারে আছে। আমাদের এই শহর ও এর আশপাশের গ্রামগুলোতে এরকম মানুষের সংখ্যা এখনও অনেক। ওপারের লোকেরাও মাঝে মাঝে এপারে আসে। […]

বাকিটা পড়ুন...

এই তো বেশ আছি

লিখেছেন:    অঞ্জন সেনগুপ্ত

দিনে ঘুমোলে রাতে ঘুম আসতে চায় না । এপাশ ওপাশ বড় যন্ত্রনা দায়ক ! আবার সারাটা দুপুর জেগে থাকাটাও প্রাণান্তকর অবস্থা ! রোজকার মতো দুটো কাগজ নিয়ে সমন্বয় আজ বিছনায় না শুয়ে চেয়ারে গিয়ে বসল । মনে মনে ঠিক করেছে যে সে আজ কিছুতেই ঘুমোবে না । দেখি ঘুমটা কোথা দিয়ে আসে । বড় পত্রিকাটা […]

বাকিটা পড়ুন...

স্বর্গসন্ধানী

লিখেছেন:মৃন্ময় চক্রবর্তী

চাঁদিফাটা রোদে ধানের নাড়াগুলো যেন এবার ঝলসে উঠবে– এমন এক প্রখর বেলায় একজন পথিকের ক্লান্ত ঘোড়া মাঠের উপর দিয়ে যেতে যেতে প্রাচীন একটি অশথ গাছের নিচে থামতে বাধ্য হল। সে শুনেছে কুরুক্ষেত্রের কাছাকাছি কোথাও একজন সাধুপুরুষ থাকেন, যিনি সেবাপরায়ণ। সেই ঠিকানা এখন খুব দরকার। ক্ষুধায় তৃষ্ণায় তিনি ও তাঁর বাহন ভয়ানক অবসন্ন। অশথের ডাল ধরে […]

বাকিটা পড়ুন...

কেউ কেউ এভাবেই হারিয়ে যায় নাগরিক কোলাহলে

লিখেছেন:সকাল রয়

সে রাতে পূর্নিমা ছিল না, বাতাসের গান ছিল না। শুধু নিরবতা রাতকে নিয়ে ডুবে ছিল কল্পনার অদৃশ্য সমুদ্রে। সেই অদৃশ্য সমুদ্রের সমস্ত দুঃখ গায়ে মেখে ছাদ থেকে শূন্যে ঝাঁপিয়ে পড়বার আগ-পর্যন্ত রুপু ভাবছিলো, ‘মরে গেলে মানুষের সাথে সম্পর্ক থাকে না তবুও মৃত সম্পকের ইতিহাস কেউ চাইলেও সহজে মুছে ফেলতে পারে না’। যে ভালোবাসার মায়াজাল থেকে […]

বাকিটা পড়ুন...

টাকা কামানোর মেশিন

লিখেছেন:দেবাশিস সাহা

অফিস বেরোনোর ঠিক আগে ওইরকম অশান্তি করা কখনোই পছন্দ করে না আশিস। তাও আবার বাবা-মার সাথে। সারাদিনের মত মেজাজটা খিটখিটে হয়ে যায়। একে কাজের চাপ, তার উপর সংসারের দায়-দায়িত্ব – সব মিলিয়ে নিজের জন্য নিঃশ্বাস ফেলার সময়টুকু যখন পায় না, তখনই এমনটা ঘটিয়ে ফেলে সে। “বাবা পুজো তো চলে এল, ফেরার পথে সরস্বতী ঠাকুর টা […]

বাকিটা পড়ুন...

সব সময় গল্পের সময়

লিখেছেন:গল্পের সময়

বাঙালি গল্প শুনতে ভালোবাসে, বাঙালি গল্প শোনাতেও ভালোবাসে। তিন বাঙালি এক জায়গায় হয়েছে আর সব কাজকর্ম শিকেয় তুলে ঘণ্টা খানেক জমিয়ে গল্প-গুজব করে নি এমন ঘটনা একসময় ছিল দুর্লভ ব্যাপার। মজলিসে বসে জামার পকেট বা আস্তিন একটু ঝাড়াঝাড়ি করলে দু-একটি কাহিনী বা কিস্‌সা টুক করে ঝরে পড়তই। আড্ডাবাজ বাঙালির সেই কৌলিন্যে আজ ভাঁটার টান। আন্তর্জাতিক […]

বাকিটা পড়ুন...

তুমিও গল্প বলো

লিখেছেন:গল্পের সময়

  একটা ভালো গল্পের জন্ম হয় কিন্তু তার মৃত্যু নেই,এমনটাই বিশ্বাস আমাদের। একটা ভালো গল্প একজন পাঠকের বুকের ভেতর বেঁচে থাকে চিরকাল। সেই পাঠকের হাত ধরেই তা পৌঁছে যায় পরবর্তী প্রজন্মের কাছে। এমনভাবেই তো হাজার বছর আগের গল্প আজও শুনে চলেছি আমরা। আমরা চাই একটা ভালো গল্প উন্মুক্ত হোক বহু পাঠকের কাছে। গভীর যত্নে, মমতায় […]

বাকিটা পড়ুন...

বিজ্ঞাপনের জন্য ‘গল্পের সময়’

লিখেছেন:গল্পের সময়

  আপনি কী ব্যবসায়ী ? আপনি কী একজন প্রকাশক? আপনি কী লেখক, কবি বা সম্পাদক।আপনি কী প্রকাশকের দরজায় না ঘুরে বুক ঠুকে সেলফ পাবলিশিং-এ ড্রাইভ মেরেছেন। তাহলে আপনার মূল্যবান কাজ বা পণ্যের বিজ্ঞাপনের জন্য  ভাবুন ‘গল্পের সময়’-এর কথা।অতি কম খরচে আপনার বিজ্ঞাপন হাজার হাজার  নির্দিষ্ট পাঠকের কাছে পৌঁছে দেবে আমাদের এই ই-ম্যাগাজিন।   ‘গল্পের সময়’ […]

বাকিটা পড়ুন...

এই সংখ্যার বিশেষ পাঠ



অতনু ফিরে যাবে

দেখা হবে

শিশিরের জল



গল্পের সময় বিজ্ঞাপন


বাংলার হাজার হাজার পত্র-পত্রিকার মত ‘গল্পের সময়’ও একটি লিট্‌ল ম্যাগাজিন। কাগজ ও কালিতে ছাপার বদলে এর বিচরণ অর্ন্তজালে,পার্থক্যটা এখানেই। অনান্য লিট্‌ল ম্যাগাজিনের মতই বেঁচে থাকতে,পথ চলার রসদ জোগাতে বিজ্ঞাপন গ্রহন করবে গল্পের সময়। তবে সচেতনভাবে লোক ঠকানো কোনও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে না এই পত্রিকার পাতায়।

ভাল গল্পের ডালি নিয়ে অর্ন্তজালে ভেসে ভেসে বহু মানুষের কাছে পৌঁছোতে চায় ‘গল্পের সময়’। আমাদের সঙ্গী হয়ে আপনার প্রতিষ্ঠান, প্রকাশন সংস্থা, ব্যক্তিগত বই বা অন্য কোনও উদ্যোগের বিজ্ঞাপন অনেকের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন আপনি। বাণিজ্যিক প্রকাশন সংস্থার মিনিট সেকেন্ডের টাইমফ্রেম বা স্কোয়ার-সেন্টিমিটারের চোখরাঙানি নেই। গোটা মাস/বছর ধরে ২৪X৭ লাইভ রাখুন আপনার বিজ্ঞাপন।

আকাশছোঁয়া মূল্য নয়, নামমাত্র খরচে বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুযোগ থাকছে গল্পের সময়ে। বিজ্ঞাপন দিন সরাসরি ওয়েব লিঙ্ক অথবা তৈরি পেজ-এর মাধ্যমে। আরও বিস্তারিত জানতে চলে আসুন আমাদের বিজ্ঞাপনের পাতায়। প্রয়োজনে মেইল করুন galpersamay@gmail.com এ।

বিজ্ঞাপন



গল্পের সময়/বিশেষ পাঠ



ম্যাক্সিম গোর্কির মৃত্যু ও কয়েকটি বিতর্কিত প্রসঙ্গ

অন্য ধারার গল্প

অলকানন্দা রায়ের সাক্ষাৎকার

সর্বমোট পোস্ট

পথচলা(দিন)




গল্পের সময়/আরও গল্প



মাছি

ঋকের বড় হওয়া এবং তারপর…

ভোঃ

আমার ছেলে কিচ্ছু খায় না

 

সেফ কাস্টডি

নজরদারি

তৃতীয় নয়ন

নটে গাছ

 

গল্প বলে কানাই সর্দার

কীটনাশক

পার্টি বলেছিল

হোমওয়ার্ক

 

Twitter

Facebook

Google

যোগাযোগ


email:galpersamay@gmail.com

Your message has been sent. Thank you!

গল্পের সময় পরিবার
সমীর
অগ্নীশ্বর
দেবাশিস
চিন্ময়
পার্থ
মিতালি
জাগরণ
দেবব্রত

© 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ