গল্পের সময়,অগস্ট-সেপ্টেম্বর ২০১৮


বাঙালি গল্প শুনতে ভালোবাসে, বাঙালি গল্প শোনাতেও ভালোবাসে। তিন বাঙালি এক জায়গায় হয়েছে আর সব কাজকর্ম শিকেয় তুলে ঘণ্টা খানেক জমিয়ে গল্প-গুজব করে নি এমন ঘটনা একসময় ছিল দুর্লভ ব্যাপার। মজলিসে বসে জামার পকেট বা আস্তিন একটু ঝাড়াঝাড়ি করলে দু-একটি কাহিনী বা কিস্‌সা টুক করে ঝরে পড়তই। আড্ডাবাজ বাঙালির সেই কৌলিন্যে আজ ভাঁটার টান। আন্তর্জাতিক স্পেস অ্যান্ড টাইম মাথায় রেখে ছুটছে সে। শপিং জোন থেকে স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপ সার্ফিং থেকে রুফটপ ওয়াকিং – সবেতেই এখন স্বচ্ছন্দ বাঙালি। শুধু মাঝখান থেকে উধাও আড্ডা। ব্যস্ত বাঙালির এক চিলতে অবসরে উঁকি মেরে আমরা বলতে চাই – তুমিও গল্প বলো। গল্পের সময় হয়ে উঠতে চায় -- গোটা বিশ্বের বাঙালির গল্পের উঠোন।

বুনোহাঁস

লিখেছেন:ভগীরথ মিশ্র

ঠা-ঠা দুপুরে আমরা ধরেছি রানীহাঁস দিঘির পথ। আমি আর কল্পনাথ। কল্পনাথ আমার দূর সম্পর্কের জেঠতুতো ভাই। ওই বয়েসে, যারপরনাই বাউন্ডুলে। সব অর্থেই ভবঘুরে। চতুর্দিকে চষে বেড়ানোর যেসব গল্প শোনায়, কেমন জানি মনে হয়, এই ছোট্ট বয়েসেই না-হোক আধখানা দুনিয়া চক্কর মেরে ফেলেছে। জেঠারা থাকে গ্রামের অন্য প্রান্তে। কল্পনাথের সঙ্গে তাই রোজ দুবেলা দেখা হওয়ার উপায় […]

বাকিটা পড়ুন...

মানসের বোন

লিখেছেন:মৃদুল দাশগুপ্ত

হাঁটছিলাম। খান্না থেকে শ্যামবাজদার পাঁচমাথা কতোটুকুই আর পথ, সেখান থেকে বাসে উঠবো। পাঁচ মাথার মোড়ে গিয়ে রাস্তা পার হয়ে ওপারে বাস ধরবো, সিগন্যাল লাল হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছি, দেখি স্টার্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটা ট্যাক্সির দরজা খুলে একটা ছেলে উঠতে উঠতে ব্যস্তসমস্ত হয়ে চারদিকে তাকাচ্ছে সিগন্যাল খোলা পেয়ে যেতে না পেরে পিছনের গাড়িগুলো হর্ন দিচ্ছে […]

বাকিটা পড়ুন...

হার্মাদ ও চাঁদ

লিখেছেন:কিন্নর রায়

মহানন্দার বুকে চাঁদ ডুবকি লাগালে চন্দ্র দেবের চেহারাও কেমন একটু যেন বদলে যেতে থাকে। জিনস প্যান্ট, জিনস জ্যাকেটের অবশ্য এত কিছু দেখার সময় নেই। কাঁধে টাঙানো কাঁধঝোলা এই শীতের বাতাসে কেমন যেন একটু ঠকঠকিয়ে উঠতে আকাশে ঝোলা রোহিণীপতির মনে হলো, আরে বাপ রে বাপ, শীতের মহানন্দায় একটা রাতে যে সরাসর ডুব দিলাম, তাতে তো এতটুকুও […]

বাকিটা পড়ুন...

সাইবার ফাউন্ডেশন

লিখেছেন:বিশ্বজিৎ সাহা

একটা থ্রি-কোয়ার্টার ফেডেড জিন্স আর স্লিভলেস টিশার্ট পরে সিটি সেন্টারের সামনের রাস্তাটা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে বর্ষা। আজ বেশ গরম পড়েছে। দুপুরের পর তাই কলেজ কেটে কয়েকজন বন্ধুর সাথে সিটি সেন্টারে এসেছিলো সে। একটা এয়ার কন্ডিশনড রেস্তেরাঁতে বসে অনেকটা সময় কাটানোর পর এখন একা একা বাড়ি ফিরছে বর্ষা। এবছরই আঠারোয় পা দিয়েছে মিস্টার এন্ড মিসেস চ্যাটার্জির […]

বাকিটা পড়ুন...

আসছে উৎসব সংখ্যা

লিখেছেন:সংকলিত

[প্রতিটি মানুষই কিছু বলতে চান। পৃথিবীর আবহমান হাসি–কান্না, দুঃখ–কষ্ট, আনন্দ উল্লাসে দোদুল্যমান প্রতিটি মানুষের বুকের ভেতর জমাট হয়ে বসে থাকে না বলা হাজারো   কাহিনী বা কিস্‌সা। কেউ কেউ শুধু নিজেরই নয়, অন্যের জীবনের নানা ঘটনার উপাদান সংগ্রহ করেও করেন কাহিনীর নির্মান। গল্পেরা তাদের ডাকে, তাদের সঙ্গে ঘর করে। বিকেল বেলায় বেড়াতে  গেলে পিছনে ছায়ার মত লেপটে   থাকে।  তিনি তখন গল্প তাড়িত? তিনি বুকের মধ্যে প্রতিনিয়ত বয়ে নিয়ে চলেছেন এক বা একাধিক কাহিনী। অক্ষরমালায়  সাজিয়ে তোলা সেইসব  গল্প নিয়েই সেজে উঠছে আমাদের উৎসব সংখ্যা। ]  আসছে ‘গল্পের সময়’ উৎসব সংখ্যা   

বাকিটা পড়ুন...

পরিকাহিনি

লিখেছেন:অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী

১ পায়ে ধরে মাগি কইন্যা তোমার যৈবন।                                                   — ময়মনসিংহ গীতিকা। নেপেন বলল, সেই ফতিমা এখন জামালের সঙ্গে থাকছে। গণির কাছ এখবর চমকানোর মতই। ফতিমা যখন মল্লিকপাড়াতেই এক দূর সম্পর্কের এক নানীর বাড়ি ছিল, তখন অনেকেই ওকে বিয়ে করতে চায়। শেষে জামালকে নিকে করল ঐ আগুনে সুন্দরি। টাক মাথা জামাল সেখ। বাড়ির সামনে এক জামগাছের […]

বাকিটা পড়ুন...

সব সময় গল্পের সময়

লিখেছেন:গল্পের সময়

বাঙালি গল্প শুনতে ভালোবাসে, বাঙালি গল্প শোনাতেও ভালোবাসে। তিন বাঙালি এক জায়গায় হয়েছে আর সব কাজকর্ম শিকেয় তুলে ঘণ্টা খানেক জমিয়ে গল্প-গুজব করে নি এমন ঘটনা একসময় ছিল দুর্লভ ব্যাপার। মজলিসে বসে জামার পকেট বা আস্তিন একটু ঝাড়াঝাড়ি করলে দু-একটি কাহিনী বা কিস্‌সা টুক করে ঝরে পড়তই। আড্ডাবাজ বাঙালির সেই কৌলিন্যে আজ ভাঁটার টান। আন্তর্জাতিক […]

বাকিটা পড়ুন...

তুমিও গল্প বলো

লিখেছেন:গল্পের সময়

  একটা ভালো গল্পের জন্ম হয় কিন্তু তার মৃত্যু নেই,এমনটাই বিশ্বাস আমাদের। একটা ভালো গল্প একজন পাঠকের বুকের ভেতর বেঁচে থাকে চিরকাল। সেই পাঠকের হাত ধরেই তা পৌঁছে যায় পরবর্তী প্রজন্মের কাছে। এমনভাবেই তো হাজার বছর আগের গল্প আজও শুনে চলেছি আমরা। আমরা চাই একটা ভালো গল্প উন্মুক্ত হোক বহু পাঠকের কাছে। গভীর যত্নে, মমতায় […]

বাকিটা পড়ুন...

বিজ্ঞাপনের জন্য ‘গল্পের সময়’

লিখেছেন:গল্পের সময়

  আপনি কী ব্যবসায়ী ? আপনি কী একজন প্রকাশক? আপনি কী লেখক, কবি বা সম্পাদক।আপনি কী প্রকাশকের দরজায় না ঘুরে বুক ঠুকে সেলফ পাবলিশিং-এ ড্রাইভ মেরেছেন। তাহলে আপনার মূল্যবান কাজ বা পণ্যের বিজ্ঞাপনের জন্য  ভাবুন ‘গল্পের সময়’-এর কথা।অতি কম খরচে আপনার বিজ্ঞাপন হাজার হাজার  নির্দিষ্ট পাঠকের কাছে পৌঁছে দেবে আমাদের এই ই-ম্যাগাজিন।   ‘গল্পের সময়’ […]

বাকিটা পড়ুন...

গল্পের সময়



রমাপদ চৌধুরীকে আমি যেমন দেখেছি

আফসার আমেদ : এক অনন্য কথাকার

দোস্তি

বিভূতি স্যারের নোটস

অভিমানী বিদ্যাসাগর

আশ্রম ছিল রবীন্দ্র আলোয় আলোকময় – মঞ্জুলা দত্ত



গল্পের সময় বিজ্ঞাপন


বাংলার হাজার হাজার পত্র-পত্রিকার মত ‘গল্পের সময়’ও একটি লিট্‌ল ম্যাগাজিন। কাগজ ও কালিতে ছাপার বদলে এর বিচরণ অর্ন্তজালে,পার্থক্যটা এখানেই। অনান্য লিট্‌ল ম্যাগাজিনের মতই বেঁচে থাকতে,পথ চলার রসদ জোগাতে বিজ্ঞাপন গ্রহন করবে গল্পের সময়। তবে সচেতনভাবে লোক ঠকানো কোনও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে না এই পত্রিকার পাতায়।

ভাল গল্পের ডালি নিয়ে অর্ন্তজালে ভেসে ভেসে বহু মানুষের কাছে পৌঁছোতে চায় ‘গল্পের সময়’। আমাদের সঙ্গী হয়ে আপনার প্রতিষ্ঠান, প্রকাশন সংস্থা, ব্যক্তিগত বই বা অন্য কোনও উদ্যোগের বিজ্ঞাপন অনেকের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন আপনি। বাণিজ্যিক প্রকাশন সংস্থার মিনিট সেকেন্ডের টাইমফ্রেম বা স্কোয়ার-সেন্টিমিটারের চোখরাঙানি নেই। গোটা মাস/বছর ধরে ২৪X৭ লাইভ রাখুন আপনার বিজ্ঞাপন।

আকাশছোঁয়া মূল্য নয়, নামমাত্র খরচে বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুযোগ থাকছে গল্পের সময়ে। বিজ্ঞাপন দিন সরাসরি ওয়েব লিঙ্ক অথবা তৈরি পেজ-এর মাধ্যমে। আরও বিস্তারিত জানতে চলে আসুন আমাদের বিজ্ঞাপনের পাতায়। প্রয়োজনে মেইল করুন galpersamay@gmail.com এ।

বিজ্ঞাপন



গল্পের সময়/বিশেষ পাঠ



সাহিত্যে ঐতিহাসিকতা

জমিদার রবীন্দ্রনাথ

সাহিত্যবিচার

সর্বমোট পোস্ট

পথচলা(দিন)




গল্পের সময়/আরও গল্প



নদী

উপহার

কয়েকটি গল্প

বিকেলছোঁয়া বিজ্ঞাপন

 

একজন সামান্থার গল্প

প্রত্যাবর্তন

কবিরাজ

চেনা-চেনা লাগে

 

আকাশ অন্ধকার

একটু শীতের জন্য

এই প্রজন্ম

হরিদাস পাল

 

Twitter

Facebook

Google

যোগাযোগ


email:galpersamay@gmail.com

Your message has been sent. Thank you!

গল্পের সময় পরিবার
সমীর
অগ্নীশ্বর
দেবাশিস
চিন্ময়
পার্থ
মিতালি
জাগরণ
দেবব্রত

© 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ