18 Jan

বনফুলের ‘একফোঁটা’ গল্প

লিখেছেন:বনফুলের ‘একফোঁটা’ গল্প লিখেছেন - সমীর ঘোষ


 

আজ বিশ্ববাজারে অণুগল্পের ছড়াছড়ি। ‘অণু’ অর্থাৎ ‘ক্ষুদে’ গল্প। মাত্র কিছু শব্দ বা বাক্য খরচ করে একটা নিটোল গল্পকে দাঁড় করিয়ে ফেলা। অতি অল্প সময়ে একটা প্লট তৈরি করে পাঠকের মনকে ছুঁয়ে যাওয়া। গল্প বলার অসাধারণ মুন্সিয়ানায় একটুকরো ফ্রেম তৈরি করে তার মনোজগতে ধাক্কা দেওয়া। জেটগতির যুগে মানুষের হাতে সময় কম। অন্য সবকিছু বিনোদনের ঠেলাঠেলিতে তার হাতে গল্প পড়ার সময় নেই বললেই চলে। তাই চটজলদি পড়ে ফেলা যায় এমন গল্পের চাহিদা তুঙ্গে। বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে এর ব্যতিক্রম নয় বাংলাবাজারও। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া, ব্যক্তিগত লেখালেখি প্রকাশের নানা মাধ্যম আজ ডানপালা মেলায় বাজারে গল্পকারেরও ছড়াছড়ি।

উনিশ শতকে একদিকে বিজ্ঞানের জয়যাত্রা এবং অন্যদিকে শিল্প-বিল্পবের পর জাঁকিয়ে বসা ধনতন্ত্রে অবসরহীন সমাজে ‘ম্যাগাজিন’ সাহিত্যের উদ্ভব হয়। ম্যাগাজিনের প্রয়োজনেই লেখা হতে থাকে ছোট ছোট গল্প। বিশ্বের অন্যান্য ভাষার মত বাংলা সাহিত্যেও আসে ছোট গল্পের জোয়ার। তবে সাহিত্যের ইতিহাসে আজকের অণুগল্প ও অণুগল্পকারদের ঠিকানা কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও বিশ্ব সাহিত্যে বাংলা ছোটগল্প আজ স্ব-মহিমায় প্রতিষ্ঠিত। আর বাংলা সাহিত্যের ছোটগল্পে রবীন্দ্রনাথকেই প্রথম সার্থক রূপকার হিসেবে মানা হয়। রবীন্দ্রনাথের সমসাময়িক অন্যতম নামী গল্পকার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় তাঁর ‘সাহিত্য সাধক চরিতমালা’য় লিখেছেন, “উপন্যাসের মত, ছোটগল্প জিনিসটাকেও আমরা পশ্চিম হইতে বঙ্গ সাহিত্যে আমদানি করিয়াছি। ছোটগল্পের জন্ম সুদূর পশ্চিমে-আমেরিকায়। মার্কিনেরা বড় ব্যস্ত জাতি – তাহাদের নিঃশ্বাস ফেলিবার অবকাশ নাই – তাই বোধ হয় সে দেশে ছোটগল্পের জন্ম হইয়াছিল। আমেরিকা থেকে ইউরোপে এবং তথা হইতে আনীত হইয়া এখন ইহা মহিয়সী বঙ্গবাণীর চরণে নূপূর স্বরূপ বিরাজিত, মৃদু মধু শিঞ্জন-রবে বঙ্গীয় পাঠকের চিত্ত বিনোদন করিতেছে। পূর্বকালে বঙ্গদর্শনে বঙ্কিমবাবু তিনটি ছোট গল্প লিখিয়াছিলেন। সঞ্জীববাবু দুই একটি লিখিয়াছিলেন বলিয়া স্মরণ হইতেছে। কিন্তু সেগুলি  আকারে  ছোটমাত্র, নচেৎ উপন্যাসেরই  লক্ষণাক্রান্ত। বর্তমান সময়ে ছোটগল্পের মধ্যে যে একটা নিজস্ব বিশেষত্ব আছে, তাহা সেগুলিতে ছিল না। ছোটগল্প বলিতে আমরা যাহা বুঝি, শ্রীযুক্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয়ই তাহা বঙ্গ সাহিত্যে প্রথম প্রবর্তন করিয়াছিলেন।”

রবীন্দ্রনাথকে বাংলা ছোটগল্পের সার্থক রূপকার হিসেবে মানার পাশাপাশি, ছোটগল্পকে আরও ছোট বা এক অর্থে পোষ্টকার্ড ফর্ম দেওয়ার জন্য বিশেষ স্থান দেওয়া হয় বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বা বনফুলকে। বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় পেশায় ছিলেন চিকিৎসাজীবী আর নেশায় ছিলেন সাহিত্যিক। বনফুলের জন্ম (১৮৯৯) বিহারে, লেখাপড়া, চিকিত্সা-ব্যাবসাও বিহারে। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রেমেন্দ্র মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসুর মত তিনি কলকাতার লেখক ছিলেন না। ‘কল্লোল’ বা ‘কালি-কলম’ দ্বারাও তিনি প্রভাবিত হন নি। তবুও রবীন্দ্রোত্তর যুগে যাঁদের অবদানে বাংলা সৃজনশীল সাহিত্য সর্বাধিক সমৃদ্ধ হয়েছে তাদের মধ্যে বনফুল অন্যতম। গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা প্রবন্ধ – সাহিত্যের সব বিভাগেই ছিল তাঁর অনায়াস যাতায়াত। তার গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। তবুও বাংলা সাহিত্যে বনফুলের বেশি খ্যাতি তাঁর ছোটগল্পের জন্য। অতি ছোট পরিসরে একটা পূর্ণাঙ্গ গল্পের রূপ দিয়ে পাঠককে চমকে দেন তিনি। তার অধিকাংশ গল্পই এক থেকে দু পাতার। বাংলা ছোটগল্পে বনফুল একটি বিশিষ্ট নাম। বনফুলের শ্রেষ্ঠ গল্পের ভূমিকাতে জগদীশ ভট্টাচার্য লিখেছেন, “গল্প আকারে কত ছোট ও হালকা হয়ে জীবনের কত বৃহৎ ও গভীর সত্যকে প্রকাশ করতে পারে তার বোধকরি শেষ কথা ‘বনফুলে’র কথাশিল্পে রয়েছে। কত কম বলে কত বেশি বলতে পারা যায় – এ পরীক্ষায় ছোটগল্পের ক্ষেত্রে তাঁর জুড়ি নেই।”

‘বনফুলের আরও গল্প’ পড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে লিখেছিলেন, “তোমার এবারকার গল্পগুলো পড়ে কী মনে হল বলি। যেন তুমি উদ্ভিদ বিজ্ঞানী, হাটে যাবার মেঠো রাস্তায় যেতে এদিকে ওদিকে আগাছা এবং ঘেসো গাছ-গাছাড়া যা তোমার চোখে পড়েছে, তোমার নমুনা বইয়ে সেগুলোকে গেঁথে রেখেছ। এগুলো পথিকের চোখ এড়ায় – কেন না, এরা না দেয় পুজোর ফুল, না চড়ে চীনে ফুলদানিতে। এরা আদরণীয় নয়। পর্যবেক্ষণীয়। তুলে ধরে দেখিয়েদিলে মনে হয় কিছু খবর পাওয়া গেল; কিছু কৌতুক লাগে মনে”। সাধারণ পাঠকের মত বনফুলের গল্প পড়ে চমত্কৃত হতেন বাংলা ছোটগল্পের রাজা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও। ‘মানুষের মন’ গল্পটি পড়ে রবীন্দ্রনাথ মুগ্ধ হয়ে লেখককে একটি জোব্বা উপহার দিয়েছিলেন।

ছোটগল্পের সংজ্ঞা সম্পর্কে বনফুলেরও একটা নিজস্ব মত ছিল এবং তা তিনি একটি কবিতার  মধ্যে দিয়ে সুন্দরভাবে ব্যক্ত করছেন।

“নদীর বুকে অলোর ঝলক

গালের উপর চুর্ণ অলক,

মুচকি হাসি, ত্রস্ত পলক,

হলদে পাখীর টিউ।

 

বর্ষা ঘন রাত্রি নিবিড়

দেশ বাগিনীর সুমিষ্ট নীড়,

গঙ্গা ফড়িং, বিহঙ্গ নীড়,

টিকিট কেনার কিউ।

 

জোনাকীদের নেবায় জ্বালায়

রূপসীদের ছলায় কলায়

প্রতিদিনের থামায় চলায়

ছোট গল্প আছে।

 

পাহাড় কভু, কখনও মেঘ,

কখনও থির, কখনও বেগ,

কান্না কভু, কভু আবেগে

বিদ্যুতেরি নাচে।

 

এই আছে, এই নেই,

ধরতে গেলে বদলে যে যায়

একটি মুহূর্তেই।

 

ছোটগল্প বহুরূপী

শিল্পী স্বয়ংবরা,

তাদের কাছেই মাঝে মাঝে

দিয়ে ফেলেন ধরা

 

গৃহস্থ হন বন্য,

আমরা তখন মহানন্দে

করি ধন্য ধন্য।”

 

‘বনফুলের জীবন ও সাহিত্য’ নামক গ্রন্থে ডঃ নীশীথ মুখোপাধ্যায় লিখেছেন, “বনফুল সাহিত্য রসিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন যে গুণটির জন্য, তা হচ্ছে অতি ছোট গল্প লেখার দক্ষতা। তাঁর অনেক গল্প একটি পোষ্ট কার্ডের মধ্যে ধরিয়ে দেওয়া যায়। তাঁর ‘বাড়তি মাসুল’, ‘চোখ গেল’, ‘অমলা’, ‘খেঁদি’, ‘আত্মপর’, ‘একফোঁটা গল্প’, ‘সার্থকথা’, ‘অজান্তে’, ‘সমাধান’ প্রভৃতি গল্পগুলির আয়তন ২০ থেকে ২৫ লাইন। ডঃ সুকুমার সেন বনফুলের ছোট গল্পগুলিকে ইংরাজী সাহিত্যের ‘Five minute short story’– গল্পগুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁর ‘বেচারাম বাবু’, ‘ভৈরবী ও পূরবী’, ‘অদ্বিতীয়া’, ‘অনিবর্চনীয়’, ‘স্থুলের স্মৃতি’, ‘বর্ষাব্যাকুল’, ‘পূজার গল্প’ প্রভৃতি গল্পগুলি পড়তে পাঁচ মিনিটের বেশি সময় লাগে না”।

বনফুলের গল্প প্রসঙ্গে ডঃ সুকুমার সেনের ভাবনার কথা যখন এসেই পড়ল তখন চলুন জেনে নিই এই জনপ্রিয় গল্পকারের লেখনী সম্পর্কে তাঁর অনুভব ও প্রকাশ কেমন ছিল। বনফুলের ‘বহুবর্ণ’ সংকলনটি প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩৮৩ সালে। প্রকাশক ছিল প্রকাশভবন। এই বইয়ে মোট গল্পের সংখ্যা ছিল ষাট। গ্রন্থটি বনফুল পণ্ডিত ডঃ সুকুমার সেন মহাশয়কে উৎসর্গ করেছিলেন।

ডঃ সুকুমার সেন বনফুলের গল্পসংগ্রহের (১৯৬৫ সালে প্রকাশিত) ভূমিকায় বনফুলের গল্প সম্পর্কে লিখেছিলেন, “বাংলা সাহিত্য ছোটগল্পে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। ভালো গল্প লিখেছেন ও লেখেন এমন সাহিত্যিকের খুব অভাব নেই। তাদের অনেকেরই গল্পে নিজস্বতা আছে। তবে সাধারণভাবে বলা যায় যে বাংলা ছোটগল্পে সুস্বাদের ও সুবাসের বৈচিত্র কম। তাঁদের কেউ কেউ জলের মতো ঘুরে ঘুরে অথবা দক্ষিণ হাওয়ার মতো ফিরে ফিরে চমৎকারভাবে একই কথা কন্। সেই এক কথার একতারা দোতারাতেই তাঁদের বিশেষ মহিমা। বনফুলের গল্পে একতারা-দোতারা বাজেনি, বেজেছে বহুস্বর কলকণ্ঠ। ……….

বিশেষ করে বলতে চাই আর একটা কথা। বনফুল তাঁর গল্পে – ছোটগল্পে ও ছোট ছোট গল্পে – বহু এবং বিচিত্র রস সঞ্চারিত করেছেন এবং সেই সঙ্গে মজলিশি গল্পকে আধুনিক সাহিত্যের শ্রেণীতে তুলে দিয়েছেন। একাজ যে আর কোন গল্পলেখক কখনো করেন নি তা নয়। তবে বনফুল এ কাজ করে এসেছেন প্রচুর এবং অনায়াসে।

বনফুলের গল্পের যে বিশিষ্টতাটি বুঝতে দেরি হয় না সে হল গল্পের অনপেক্ষিত আর সুসঙ্গত সমাপন। এই বিষয়ে এবং বহু বিচিত্র চরিত্রের সমাবেশ করণে বনফুলের সঙ্গে ও-হেনরিরই তুলনা মনে আসে। যেমন ‘চুনোপুটি’, ‘ঋণশোধ’, ‘চম্পা মিশির’, যোগেন পণ্ডিত’, ‘যুগলযাত্রী’, ‘টিয়া-চন্দনা’ ইত্যাদি। ও-হেনরির রচনা সবই পড়া না থাকলে আমি কিছুতেই ভাবতে পারতুম না যে বনফুলের ‘শিল্পী’ ও-হেনরির কোন গল্পের ছায়া অবলম্বনে লেখা নয়”।

১৯৭৯ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বনফুল। ৯ ফেব্রুয়ারি অমৃত সাপ্তাহিক পত্রিকা বনফুল সম্পর্কে এক বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে। ওই সংখ্যায় ‘আমার চোখে আমি’ নামে বনফুলের এক স্মৃতিকথা প্রকাশিত হয়। সেখানে সাহিত্যের সত্য প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “মানুষই আমার লেখার বিষয় এবং প্রেরণা, অথচ মানুষকে নিয়ে আমি কোন ফিলজফি বা ফর্মুলা দাঁড় করাই নি। আমার বিশ্বাস সে রকম কিছু করা যায়ও না। আমার লেখায় একটা মেসেজ বা বলবার কথা আছে। সেটা হল মানুষ বহু বিচিত্র। সব মানুষ খায়, সব মানুষ ঘুমোয় – এমন কথা আমি হলফ করে বলতে পারি না”।

‘ছোটগল্পের বিচিত্র কথা’ নামক বইয়ে ডঃ সরোজমোহন মিত্র লিখেছেন, ‘বাংলা সাহিত্যে বনফুলের বেশি খ্যাতি তাঁহার ছোটগল্পের জন্য। শিল্পী যেমন করিয়া দুই একটি রেখার টানে একটি বৃহতের ব্যাঞ্জনা ফুটাইয়া তোলেন বনফুলও তেমনি তাঁহার ছোটগল্পের অতি সংক্ষিপ্ত পরিসরে একটা বড় গল্পের আভাস দিয়া পাঠককে চমকিত করিয়া দেন। বনফুলের অধিকাংশ গল্পই এক বা দুই পাতার গল্প। এখানে গল্পের চিরাচরিত চরিত্রাঙ্কন নাই, ঘটনার সংঘাত নাই, পাতার পর পাতা বর্ণনা নাই। আছে কেবল কয়েকটি আভাস এবং ইঙ্গিত। মনন ও কল্পনার সমাহার।

মোহিতলাল মজুমদার বনফুলের গল্পগুলো সম্পর্কে বনফুলকে এক পত্রে লিখেছিলেন (২৫/১১/৩৮) – “একটি নতুন form আপনি আয়ত্ব করিয়াছেন – রীতিমত গল্পও নয়। নক্সা snapshotও নয় –এ রকম অতি ছোটগল্প। এবং এই সংগ্রহের অধিকাংশই এত সুসস্পূর্ণ  রস-কলেবর পাইয়াছে যে আমার মনে হয় ইহা আপনার একটি খুব নতুন কীর্তি বলিয়াই ঘোষিত হইবে”।

অন্যদিকে ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকার সম্পাদক পরিমল গোস্বামী একবার বনফুলকে একটি চিঠিতে লিখেছিলেন, “তোমার ছোটগল্পের মধ্যে তোমার চরিত্রটিকেই আমি দেখতে পাই। … তুমি যা দেখেছ, যা শুনেছ, তার মধ্যে যেখানেই চিত্রধর্মিতা আছে তাকেই তুমি বেঁধে ফেলেছ গল্পের চেহারায়। এই বেঁধে ফেলার কাজটি তোমার এমন দ্রুত এবং পাকা যে পড়তে বসলে মনে হয় এর জন্য তোমাকে যেন কোনো পরিশ্রমই করতে হয়নি। যেন ফটোগ্রাফের প্লেটের ওপর তড়িৎগতিতে তার ছাপ পড়ে গেছে। বাক্যের বৃথা ব্যয় নেই। সহজ সরল ছবি।”

সবদিক বিবেচনা করলে বনফুলকে  বাংলা ক্ষুদেগল্পের জাদুকরই বলা চলে।তাঁর  ছোটগল্পের প্রথম সংকলন ‘ বনফুলের গল্প’ প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে। এরপর সংকলন গ্রন্থ সহ তাঁর গল্প গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে ৩৪টি। তাঁর মোট গল্পের সংখ্যা ৫২৮। আজ অণু থেকে পরমাণুর পথে যাত্রা শুরু করা গল্প ও তার কাঠামোর কথা ভাবতে গেলে বনফুল’কে স্মরণ করা ছাড়া উপায় কী?

……………

গ্রন্থ সহায়তা

বনফুলঃ সাহিত্য ও জীবন – ড সরোজমোহন মিত্র/গ্রন্থালয়

ছোটগল্পের বিচিত্র কথা- ড সরোজমোহন মিত্র/গ্রন্থালয়

বনফুলের জীবন ও সাহিত্য – ড নিশীথ মুখোপাধ্যায়

বনফুলের সাহিত্যে ভাগলপুর ও পাশ্বর্বতী অঞ্চল – ডা বিজয়লক্ষ্মী সাহা,ইন্ডিয়ান বুক মার্কেট

বনফুল রচনাবলী – বিভিন্ন খণ্ড

 

 

Tags: ,

 

 

 




  • খোঁজ করুন

  • পুরানো সংখ্যা




  • আমাদের ফেসবুক পেজ

  • মতামত

    আপনার মন্তব্য লিখুন

    আপনার ইমেল গোপনীয় থাকবে।




    Notify me when new comments are added.

    যোগাযোগ


    email:galpersamay@gmail.com

    Your message has been sent. Thank you!

    গল্পের সময় পরিবার
    সমীর
    অগ্নীশ্বর
    দেবাশিস
    চিন্ময়
    পার্থ
    মিতালি
    জাগরণ
    দেবব্রত

    © 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ