14 Oct

গোঁফেশ্বরের জাদু

লিখেছেন:প্রণব কুমার চক্রবর্তী


গলায় গামছা লাগিয়ে একটা লোককে টেনে আনছে-গরু টানার মত। তার আসার মোটেই ইচ্ছে নেই। রীতিমত ছ্যাঁচড়াচ্ছে। কিন্তু, পেছনে ভেঙে পড়েছে হাটুরে সমস্ত লোক।

হৈ হৈ শব্দ। যেন একটা বিজয় মিছিল!

সকাল দশটা। থানার পাশেই বাজার। এমনিতেই এই সময় বাজারে যথেষ্ট লোকজনের সমাগম হয়। তার উপরে আজ হাটবার। সকাল থেকেই দূর দূরান্ত থেকে মানুষ সব এসে হাজির হয়েছে-বেচাকেনা করতে।

ভদ্রকালী থানার এই হাট – বাজারটাই এলাকার লোকজনের কাছে যেমন সাপ্তাহিক কেনাবেচা এবং দ্যাখা-স্বাক্ষাতের একটা সুযোগ, তেমনি থানার পুলিশ অফিসারদের কাছে একটা মাথাব্যাথার কারন। অতীতে বেশকিছু খুন, বাহাজানি, এমনকি পাঁচশ মিটার দূরে বাঙ্কেও ডাকাতির ঘটনা এই হাটবারেই ঘটেছে শুধুমাত্র সেই কারনেই থানার সব অফিসার এবং ফোর্স সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত,- যতক্ষন না হাটের কেনাবেচা, মানুষের ভীড় শেষ হচ্ছে, – হাটের দিন সব পালা করে ডিউটি করে। কখনো হাটের ভেতরে। কখনো নদীর পাড়ে, মদের ভাঁটিখানার পাশে। আবার কখনো রাস্তা ঘাটে, বাঙ্ক-পোস্টঅফিসের কাছে সতর্ক দৃষ্টি নিয়ে ঘোরাফেরা করে।

শেখর মিত্র মাত্র কিছুদিন হল এই থানায় এসেছে। মেজবাবু। সবটা এখনো ওর নখ-দর্পণে হয়ে ওঠেনি। সেদিন ছিল হাটবার। বড়বাবু রুদ্রমানব মুখার্জী সকালেই জেলা সদরে বেরিয়ে গেছেন। বড়সাহেবের মাসিক ক্রাইম কনফারেন্স যোগ দেবার জন্য। ওকে চার্জ দিয়ে বলে গেছেন ঠিকমতো সামাল দেওয়ার যাবতীয় নির্দেশাবলী। মিত্রবাবু সেইমতো থানার অফিসার এবং ফোর্সদের গোটা তিনেক ছোট দল করে ডিউটি বেঁটে দিলেন। বিশেষ করে –  ভাঁটিখানার চারপাশে, নদীর ঘাটে এবং হাটের বড় বড় দোকান, ব্যাঙ্ক ও পোস্ট অফিসের উপরে নজর রাখতে। সন্দেহজনক মনে হলেই থানায় এনে ডিটেন্ড করবে। পরে খোঁজ খবর নিয়ে দ্যাখা যাবে।

শেখর মিত্র নিজে হাটের ভেতরটা একটা রাউন্ড লাগিয়ে এসে সবে মন্টুর দোকানে বসেছে, চা খাবে আর খবরের কাগজটাতে এক ঝলক চোখ বুলিয়ে নেবে।

মন্টুর দোকানটা থানার একদম উল্টো দিকে রাস্তার পাশেই। সেখান থেকেই হাটের অনেকটা অংশের উপর নজর রাখা যায়। মদের দোকান, তাড়ির ভাঁটি, নদীর পাড় ইত্যাদি।

হৈ হৈ শব্দ শুনে শেখর মিত্র চোখ তুলে তাকায়। দ্যাখে, একটা লোককে গলায় গামছা লাগিয়ে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে আসছে জনা কয়েক লোক। ওদের পেছনেও অন্তত জনা চল্লিশ-পঁঞ্চাশেক হাটের লোকজন। এগোচ্ছে আর মহা আনন্দে চিৎকার করছে।

সর্বনাশ! নির্ঘাত লোকটা কোনোকিছু চুরি করতে গিয়ে হাতে-নাতে ধরা পড়েছে।

শেখর মিত্রের বুকের ভেতরটা কেঁপে ওঠে। এ তো গণধোলাই। যা হাটুরে মার শুরু হয়েছে, যেকোনো সময় একটা বিশ্রী কাণ্ড ঘটে যাবে। এভাবেই নাকি মাস পাঁচেক আগে পাবলিক দুটো চোরকে সামান্য কুমড়ো চুরির অপরাধে পিটিয়ে মেরে ফেলেছিল। মাসখানেক তার রেশ ছিল। চিলেতলা, চন্ডিপুর ইত্যাদির লোকজন কাপাসডাঙা পেরিয়ে হাটে-বাজারেই আসতে সাহস পেতনা। আসলে দোকানদারের বাড়ি ছিল চিলেতলা-চন্ডিপুরে। আর চোর দুজনের বাড়ি কাপাসডাঙায়। শেষপর্যন্ত নাকি মহকুমা শাসককে এসে দু তরফের সাথে বসে ব্যাপারটার মিটমাট করেছিলেন।

এখনই ব্যাপারটা দ্যাখা দরকার।

শেখর মিত্র কয়েক কদম এগোতেই যারা বীরদর্পে লোকটাকে টেনে আনছে তারা মূলত থানারই জমাদারবাবু-পুণ্ডরীকাক্ষ সেন, আর হমগার্ড হরিপদ এবং মন্টুবাবু। একদম পেছনে হাটের উৎসুখ আগুয়ান লোকজনের পেছনে প্রধান গোঁফেশ্বর দারোগা।

জমাদার বাবুকে দেখে চেনার জো নেই। লুঙ্গি, গেঞ্জি, মাথায় একটা গামছার ফোট্টি। পায়ে হাওয়াই চপ্পল। এক্কেবারে ছদ্মবেশে। ঠিক যেন সেই গল্পে পড়া আগেকারদিনের গোয়েন্দাদের মতো।

শেখর মিত্র রীতিমতো বিস্মিত। যে জমাদারবাবু পারতপক্ষে থানা থেকে মন্টুর চায়ের দোকানের বাইরে যায়না, ইনকোয়ারি গুলো বঙ্কিম হোমগার্ডকে দিয়ে দশ-বিশটা টাকা বাড়িয়ে দিয়ে করিয়ে আনে, সে কিনা ছদ্মবেশে বেরিয়েছে আসামী ধরতে! তার সাথে সঙ্গত করতে থানার টেবিল ডিউটি ছেড়ে গিয়েছেন শ্রীমান গোঁফেশ্বর রায়। নির্ঘাত কোনো বড় দাগী কিংবা লাল-কালির ওয়ারেন্টের আসামী। ঠিক ঘেঁটেঘুঁটে, কিংবা সোর্স লাগিয়ে খবর সংগ্রহ করে ধরে ফেলেছেন। অথচ, বড়বাবু গত পরশুদিন ওঁকে ওয়ারেন্ট নন-একজিকিউশন এর জন্য কি গালাগালই না করেছেন। – ‘…বুড়ো হলে কি হবে, দেখিয়ে তো দিলো!’…

কেসটা একটু জানা দরকার।

আগ্রহভরে দোকান থেকে বেরুতেই শুনতে পেল, লোকটা কাতর কণ্ঠে বলে চলেছে- ‘…ছ্যাড়!… ভাল হইয়ে গ্যাছি বলো।… মদ খাইনা,.. জুয়া খেলিনা,… বৌরে পেটাইনা। বিশ্বাস করুন ছ্যাড়, আমি এখন বলো … কারও পাতা কেটে খাইনা। আজ হঠাৎ অই রহিমটার পাল্লায় পড়ে একডুস মদ খেয়েছি।’…

পুণ্ডরীকাক্ষ বাবু ওসব শুনতে রাজি নন। গরু টানার মতো হিড়হিড় করে টানছেন আর সমানে বলে চলেছেন- ‘এই ব্যাটা? চোপ! না দেখে তোকে ধরা হয়েছে? এক্কেবারে পয়েন্টে পয়েন্টে মিলছে বলেই তোকে ধরা হয়েছে। …বেশি চিল্লালে প্যাঁদানির চোটে তোর নাড়িভুঁড়ি বের করে দেবো।’…

হাটের ভেতর থেকে এভাবে রীতিমতো গোয়েন্দা কায়দায় আসামী ধরা, ভদ্রকালী থানার ইতিহাসে এই প্রথম ঘটনা। স্বভাবতই সবাই মজা দেখছে। উদগ্রীব হয়ে আছে ব্যাপারটা জানার জন্য। কেউ কেউ বলেই বসল- ‘এতদিন সেন বাবু এখানে আছেন, এইভাবে ফিল্ডে নেমে পড়ে আসামী ধরতে দেখিনি। …তারিফ করতেই হবে।’…

কেউ আবার গোঁফেশ্বর দারোগার গুণকীর্তন করে বলে- ‘দারোগা হো তো এ্যাইসাই।’ ভদ্রলোক থানার টেবিল ডিউটি করতে করতেই খবর পেয়ে সেনবাবুর সঙ্গে আসামী ধরার সাহায্য করার জন্য বেরিয়ে পড়েছেন।

সামনা সামনি হতেই গর্বভরে তাকিয়ে জমাদারবাবু মুচকি হেঁসে বললেন- ‘বুঝলেন মেজবাবু, শালোকে পেয়ে গ্যাছি। …বাপরে! ধরে যেন প্রাণ ফিরে পেলাম। …অর্ডার-শীটে হাকিমসাহেব একদম জর্জরিত করে তুলেছেন। এইবারে।’…

শেখর মিত্রের ইচ্ছে হচ্ছিল জিজ্ঞেস করবে – কি কেসের আসামী? কিন্তু , সেই ফুরসৎ আর পায়নি। তার আগেই সেনবাবু ওকে নিয়ে ব্যারাকে গিয়ে ঠেলে উঠলেন।

থানায় না গিয়ে জমাদারবাবু ওকে নিয়ে কেন ব্যারাকে গেলেন?

শেখর মিত্রের কেমন যেন একটা সন্দেহ হল। তাহলে কি ওর কাছ থেকে আরও কোনও গোপন খবর সংগ্রহ করবেন? গ্যাং-মেম্বারের নাম? আগ্নেয়-অস্ত্রের খোঁজ? ব্যাপারটা দ্যাখা দরকার।

মন্টু চায়ের দোকানদার হলে কি হয়ে , থানার মোটামুটি সব খবরই সে রাখে। শেখর মিত্রের হাতে চায়ের গেলাসটা তুলে দিয়ে বলে- ‘জমাদার বাবু কিন্তু স্যার, পাক্কা খবর পেয়েছিলেন। …বলেন স্যার ? নাহলে হাটের এত লোকের ভেতর থেকে রাইট আসামীকে ধরা কিন্তু চারটিখানি কথা নয়।’

-‘তা ঠিক।’ চায়ের গেলাসে চুমুক মেরে শেখর মিত্র বলে- ‘বুঝলে মন্টু, সবটাই বড়বাবু রুদ্র মানব মুখার্জীর গুঁতোয়। চাকরিটা অত সোজা নয়!’…

-‘তাই হবে স্যার।’ মন্টু পুনরায় খদ্দেরদের জন্যে চা তৈরি করতে করতে বলে- ‘দুদিন ধরে তাই ওকে দেখছি কেমন উদ্ভ্রান্তের মতো চলাফেরা করছেন। যে লোকটা দিনে আট-দশ ঘণ্টা আমার দোকানে এসে বসে থাকতেন, চা খেতেন, খবরের কাগজ পড়তেন, আড্ডা মারতেন, – সব বন্ধ করে ওই বিরাট গোঁফ ওয়ালা দারগাটাকে সঙ্গে নিয়ে শুধু বাজারে, ঘাটের পাড়ে এবং দেশি মদের দোকানের চারপাশে ঘরাফেরা করছেন। …যাক বাবা। শেষ পর্যন্ত পেয়েছেন, বলেন স্যার?’…

-‘ঠিক।’ শেখর মিত্রের মন তখন থানার ব্যারাকে। পুণ্ডরীকাক্ষ বাবু সেখানে আসামীটাকে নিয়ে কি করছেন তা জানার জন্য। একটা অব্যাক্ত উন্মাদনায় এগিয়ে যায় থানার ব্যারাকের দিকে।

-‘তোকে যা বলছি, তাই কর।’ সেনবাবুর বাজখাঁই গলার আওয়াজ সেই সঙ্গে লোহার খাটের উপরে সজরে লাঠির আঘাত করার শব্দ ছিটকে বেরিয়ে আসছে ব্যারাকের ভিতর থেকে।

শেখর মিত্র দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়ে দ্যাখে, লোকটা হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে ঠকঠক করে কাঁপছে। সেনবাবুর হুঙ্কার আর হরিপদ হোমগার্ডের লোকটার মুখের সামনে লাঠি নাড়ানোর ভয়ে, – পেচ্ছাপ করার উপক্রম। কিন্তু, একদম স্পিকটি নট।

-‘কি হল?’ গোঁফেশ্বর দারোগা ওর হাতের লাঠিটা দিয়ে লোকটার পেটে একটা গুঁতো দিয়ে বলেন- ‘বলছি না লুঙ্গিটা খুলতে। খো-ও-ও-ল। না হলে কিন্তু, আমি আর মোটেই দেরি করবনা। জোর করে টেনে খুলে দেব।’…

সেকি!… এসব কি বলছে?

লুঙ্গি টেনে খুলে দেবার কথা শুনে শেখর মিত্র চমকে ওঠে। লোকটাকে উলঙ্গ হতে বলছে। এ কোন ধরনের ইন্টেরোগেশন? বর্তমান যুগের পুলিশ-এর এই ধরনের আচরণ।

খুব খারাপ লাগে ওর। গম্ভীর ভাবে বলে- ‘এ কি করছেন আপনারা? লোকটাকে উলঙ্গ হতে বলছেন ! জানেন না, এটা অমানবিক। বেআইনি                                                                                                                         বড়বাবু এসে যদি ব্যাপারটা শোনেন’……

-‘রাখেন তো স্যার।’ পুণ্ডরীকাক্ষ বাবু একরকম বিরক্তির স্বরে বলে ওঠেন- ‘আমি মরছি আমার জ্বালায়, আর আপনি এসেছেন মানবিকতা ফলাতে। অনেক কসরতে খুঁজে পেয়েছি এই কালো-লাল আর সবুজ চেকের লুঙ্গিটা। বিশ-বাইশ বছর আগেকার মামলার সীজ করা আলামত। মালখানায় রাখা ছিল, পাচ্ছিনা।… মরার পুটলি-কাপড়-চোপড় বাঁধার গাছটাতেও খুঁজেছি, পাইনি। হাকিম তলব করছেন বারবার। কিন্তু , পাঠাতে পারছিনা। একদম চাকরি যাওয়ার কল।… এই বয়সে উইদাউট অন্যায় যদি চাকরিটা চলে যায়, তখন আপনি আমার বৌ-বাচ্চাদের’……

বৃদ্ধ জমাদারবাবু কথা শেষ করতে পারলেন না। হাঁউ-মাউ করে কেঁদে উঠলেন।

শেখর মিত্র রীতিমতো অপ্রস্তুত। কোনও কথা না বলে লোকটার দিকে তাকিয়ে দেখল- সত্যিই লোকটা একটা কালো-লাল-সবুজ রঙের চেক লুঙ্গি পরে রয়েছে। কিন্তু, বুঝতে পারছেনা-কেন তাকে গরু টানার মতো টানতে টানতে ধরে আনা হয়েছে?

-‘এই মিত্তিরদা?’ শ্রীমান গোঁকেস্বর দারোগা ব্যাপারটা অনুধাবন করে তার রানা প্রতাপ মার্কা কালো মোটা গোঁফটার প্রান্তদেশ দুটোয় মোচড় দিতে দিতে বলেন- ‘মোদ্দা কথা জমাদারবাবুর প্রয়োজন ওই চেক লুঙ্গিটা, লোকটা নয়।… দেখছেন না ওই লুঙ্গিটার কথা ভেবেই বেচারার চোখে-মুখে কি ভয়ঙ্কর আনন্দধারা বয়ে চলেছে।’…

অদ্ভুত ব্যাপার!

সেনবাবুর কাণ্ড দেখে শেখর মিত্রের হাসি পাচ্ছিল। সেই সঙ্গে খারাপ ও লাগছিল লোকটার করুন অসহায় চোখের দিকে তাকিয়ে। মুহূর্তে গম্ভীর হয়ে বলে- ‘আপনার লুঙ্গি দরকার তাই বলে ওকে উলঙ্গ করে?, এটা কেমন ব্যাপার? … দেখতেই তো পাচ্ছেন লোকটাকে। ওর পরনের লুঙ্গিটা যদি আপনি কেড়ে নিয়ে নেন, তাহলে ওকে হয়ত বাকি দিনগুলো উলঙ্গ হয়ে , কিংবা আন্ডারওয়্যার পরেই কাটাতে হবে। নতুন লুঙ্গি কেনার ক্ষমতাই ওর নেই। … লোকে শুনলে তো’…

‘কি যে বলেন স্যার। আমি কি এতই বোকা যে ওকে উলঙ্গ করে লুঙ্গিটা কেড়ে নিয়ে ছেড়ে দেব? কাগজওয়ালা আর টিভিওয়ালাদের সুযোগ দেব এগেইনস্টে লেখার?’ বলেই প্যাকেট থেকে একটা নতুন লুঙ্গি বের করে ফেললেন।

শেখর মিত্র একেবারে চুপ।

সেনবাবু ওর পান খাওয়া কালো দাঁতের ফাঁকে হাসি তুলে লোকটার দিকে তাকিয়ে বলেন- ‘কিরে ব্যাটা? এই লুঙ্গিটা পেলে তোরটা দিবি তো?… দ্যাখ, আর বেশি ব্যাগড়বাই না করে চট করে দিয়ে দে। … আমার আরও কাজ আছে।’

লোকটা আর কোনও কথা না বলে জমাদার বাবুর মুখের দিকে থাকে। তারপর, পরনের লুঙ্গিটা খুলে নতুনটা পরে , একটা নমস্কার করে ব্যারাক থেকে বেরিয়ে যায়। জমাদার বাবু লুঙ্গিটাকে একটা কঞ্চির আগায় লাগিয়ে থানার টেবিলে রেখে নাচতে নাচতে গিয়ে নিজের চেয়ারে বসেন। তবলা বাজানোর ভঙ্গিতে টেবিলে টোকা মারতে মারতে হেঁসে বলেন- ‘এ্যই হরিপদ? এদিকে আয়।… ভোঁদলা কসাইয়ের কাছে এই লুঙ্গিটা নিয়ে গিয়ে এটাকে একটু রক্ত মাখিয়ে নিয়ে আয়।… শালার ইঁদুর!… ভেবেছিল জোগাড় করতে পারবেনা।… থানার বাবুরা যে জাদুকর, এটা অনেকেই জানেনা।’…

-এই বুদ্ধিটা আপনাকে কে দিয়েছে?

মেজবাবুর প্রশ্নের উত্তরে জমাদারবাবু গোঁফেশ্বর দারোগাকে দেখিয়ে বলেন – উনি। এটা ওরই জাদু।

 

Tags: , ,

 

 

 




  • খোঁজ করুন

  • পুরানো সংখ্যা




  • আমাদের ফেসবুক পেজ

  • মতামত

    আপনার মন্তব্য লিখুন

    আপনার ইমেল গোপনীয় থাকবে।




    Notify me when new comments are added.

    যোগাযোগ


    email:galpersamay@gmail.com

    Your message has been sent. Thank you!

    গল্পের সময় পরিবার
    সমীর
    অগ্নীশ্বর
    দেবাশিস
    চিন্ময়
    পার্থ
    মিতালি
    জাগরণ
    দেবব্রত

    © 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ