23 Apr

দয়াময়ীর কথা

লিখেছেন:প্রশান্ত মাজী


হঠাৎ একদিন সন্ধ্যার পর উনি বাড়ি ফিরে আমাকে ডেকে বললেন – তোমাকে একটা কথা বলছি, দেখো, আমি সিনিক মেয়েদের ভালোবাসতে পারি না। … তবে আমি বিবাহ করেছি, তোমাকে আমি টাকা দেব  তুমি বাপের বাড়িতে থেকো। – আমিও চলে যাব।

সাতপাকে বাঁধা পড়ার সাতদিনের মাথায়একজন সম্ভ্রান্ত পরিবারের স্বামী, রূপসী ও বিদুষী সহধর্মিনীকে দুমদাম অবলীলাক্রমে কথাগুলি বলে দিলেন। সদ্য পরের বাড়িতে আসা স্ত্রী অধোবদনে স্তম্ভিত তখন। এ-আবার হয় নাকি? বিশ্বাস হচ্ছিল না, কিন্তু কথাগুলো তো তাঁর নিজের কানে শোনা। অতঃপর? মন খারাপ হ’ল। আবার সব ঠিকও হয়ে গেল। চলতে থাকলো জায়াও পতির দুঃখ-সুখের থাকা। এক টানা বত্রিশ বছর, নিঃসন্তান হয়ে। বড় যৌথ পরিবারের আশ্রয় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন সংসার পেতে।

পতি আর কেউ নন। কমলকুমার মজুমদার, বাংলা সাহিত্যের অন্য ধারার সড়কে হাঁটা পথিকৃত পথচারী। তাহলে জায়াটি অবশ্যই দয়াময়ী মজুমদার। জাপানিরা কলকাতার বুকে যখন বোমা ফেলছিলেন, তাঁর বাবা-মা এক নিরাপদ আশ্রয়ে মেয়েকে রেখে আসেন দেওঘরের কাছে রিখিয়ায়। মজুমদার পরিাবারের সবাই তখন সেখানেই। আসা-যাওয়া থেকে আলাপ  পরস্পরের। বিবাহের প্রস্তাব আসতেই, দয়াময়ীর বাবা নাকি কমলকুমারের কাজকর্ম সম্পর্কে খোঁজ নেন। কমলকুমার উত্তর দিয়েছিলেন – আমার কাজের যোগ্যতা মাসে পঞ্চাশ টাকার বেশী নয়। শেষ পর্যন্ত দয়াময়ীর ঐ বিবাহই সম্পন্ন হল – ১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে। ফ্রান্সের ম্যাপ মাথার বালিশের নিচে রেখে ঘুমোনো কমলকুমাররে সঙ্গে। বিবাহের প্রস্তাবটি দেন কমলকুমাররে হয়ে তাঁরই শিল্পী ভ্রাতা নীরদ মজুমদার।

১৯৪৭ থেকে ১৯৭৯ তাঁদের দু’জনের বিবাহিত জীবন। দয়াময়ী চল‍ে গেলেন সম্প্রতি। অর্থাৎ প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর একা কাটিয়ে গেলেন দয়াময়ী ৫০ ডি হাজরা রোডের এক ফালি ফ্ল্যাটে। অত্যন্ত নিরাভরণ কিন্তু ছিমছাম ফ্ল্যাটটি তাঁরা একদা পেয়েছিলেন এ-শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে অন্তত সতেরোটি বাড়ি বদলিয়ে। ঠাঁই নাড়া পরিবারটি অবশেষে ওখানেই থিতু হয়েছিল।

অশীতিপর বৃদ্ধা দয়াময়ী যে একা একা কাটিয়ে গেলেন এতগুলি বছর, তার রহস্যটা কী?

– একা, একা কোথায়? কে বলে আমি একা থাকি! পাশের ঘরেই তো রয়েছেন সদাজাগ্রত সারাক্ষণের সঙ্গী মাধব। যাদবায় মাধবায় কেশবায় নমঃ। তার সঙ্গেই তো সর্বক্ষণ আমার কথা। অভয় পদে প্রাণ সঁপেছি। ভয় কীসের?

মাধবের প্রবেশ ওঁদের ঘরে কিউরিও রূপে। বিক্রিবাটার জন্য। দয়াময়ী-র অনুরোধ‍ে কমলকুমার অন্যসব কিউরিও বিক্রীর জন্য দিলেও মাধব থাকলেন দয়াময়ীর কাছে। শোনা যায় দু’জনে ক্কচিৎ সিনেমা-থিয়েটার দেখতে গেলেও সঙ্গে থাকতেন মাধব। দয়াময়ী চলে যাওয়ার সময়ও তাঁর ঠাঁই হয়েছিল তাঁরই ইচ্ছায় এক বৃদ্ধাবাসে স্বল্পকালের জন্য। মাধব ছিলেন ওখানেও। মাধবকে দেখতে বৃদ্ধাবাসের আবাসিকদের সে কী কৌতুহল!

একদা দামাল, চূড়ান্ত সৃষ্টিশীল, একগুঁয়ে, আত্মমর্যাদার প্রতিভূ বোহেমিয়ান স্বামীর প্রসঙ্গ উঠলে দয়াময়ী হয়ে যেতেন আবেগতাড়িত, কখনওবা অন্যমনস্ক, কিন্তু গর্বিত। বিষন্নতার ভারে আচ্ছন্ন থাকতেন স্বামীর রেখে যাওয়া কালজয়ী ধ্রুপদী সৃষ্টি সম্ভারের দিকে তাকিয়ে। আর পাঁচটা গড়পড়তা সুখী পরিবারের গৃহকোণ থেকে পৃথক হয়ে দয়াময়ী কৃচ্ছ সাধন করেছেন অনেক। সবই কিন্তু লেখক-শিল্পী স্বামীটির সাহিত্য সাধনায় প্রবৃত্ত করারই অভিপ্রায় নিয়ে।

– ‘কথাবার্তার মাঝখানে একসময় কমলদা বলতেন, বড়বৌ, এদের চা-টা দাও। তখন পর্দার আড়াল থেকে একটি ফর্সা হাত ওমলেট ও চায়ের কাপ বাড়িয়ে দিত’।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখায় প্রথম দয়াময়ীকে পাওয়া যায় এটুকুই। ক্রিয়েটিভ স্বামীর অন্তরালবর্তিনী সহধর্মিনীকে সুনীল স্থান দিয়েছিলেন অনেকটাই উপরে। বলেছেন আর একবার –

‘আমাদের মতো ছোটদের কাছে কমলদা তাঁর স্ত্রীকে কেন লুকিয়ে রাখতেন, তা কোনদিনই জানতে পারিনি। বহুকাল পরে বৌদি দয়াময়ী মজুমদারকে সামনাসামনি দেখি, তিনি অত্যন্ত রূপসীতো বটেই। বুদ্ধিমতী, বিদুষী। শেষ জীবনে লিখতেও শুরু করেন …’

– কেন লেখেননি কমলকুমাররে জীবদ্দশায়। লেখার কথা ভাবতেন?

– উনি চাইতেন না। তাই। আমাকে বলতেন, তুমি লিখলে লোকে ভাববে, ব্যাটা নিজে ট্যুইস্ট ক’রে লেখে আর স্ত্রীর নামে সোজাসাপ্টা লেখে। দুবরাজপুর থেকে দু’জনে বেড়িয়ে এসে একটিভ্রমণকাহিনী লেখার কথা ভেবেও লিখিনি তাই। কখনও।

বাড়ির পর্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে তিনি আলোকপৃথিবীতে প্রথম প্রকাশ্যে এলেন কমলকুমার চলে যাওয়ার পর। কমলকুমারেরই সৃষ্টিসম্ভার নিয়ে। ড্রয়িং, উডকাট, কিউরিও-র সংগ্রহ আর দয়াময়ীর নিজের সূচিশিল্প – এই যুগলবন্দী প্রদর্শনীর আয়োজন তাঁরই, প্রিয় ছাত্র, সহকর্মীদের সাহায্য নিয়ে। সেই প্রদর্শনীতে সারাক্ষণ উপস্থিতি থাকতেন দয়াময়ী। প্রদর্শনী-কক্ষের এক কোণে মাথায় আর্ধেক ঘোমটা দিয়ে শান্ত সমহিত তিনি তখনই বুঝে গেছেন স্বামীর কৃত ড্রয়িং ও অন্যান্য মহিমা।

– প্রায়ই ওঁকে বলতুম, এত ছবি আঁক তা কোথাও প্রদর্শনী কর না কেন?

চলে যাওয়ার আগে, মাত্র একবারই এর উত্তরে তিনি বলেছিলেন তাঁর ভাই-এর কাছে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। কোনদিনই ছবির প্রদর্শনী করবেন না। তিনি কথা রেখেছিলেন। আর লেখার শুরু? তাও কমলকুমারের চলে যাওয়ার পর। ‘কৃত্তিবাস’ পত্রিকায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুরোধে দয়াময়ী লেখেন তাঁদের দু’জনের কথা – ‘আমাদের কথা’। সে লেখা প্রকাশের পর থেকে আরও আরও ছোট-বড় পত্রিকার অনুরোধে তিনি লেখেন সহজ সরল স্বীকারোক্তিগুলি। সে সব লেখায়তাই ধরা পড়তো তাঁদের বিবাহিত, গার্হস্থ জীবনের খুঁটিনাটি। পাওয়া যেত কমলকুমারের পূর্ণ অবয়ব। ঐ স্মৃতিলেখাগুলি-কে ভর ক’রে প্রকাশিত হল – ‘আমার স্বামী কমলকুমার’, তাঁদের পারিবারিক অ্যালবামের প্রথম আলোকচিত্র।

– আপনাদের পরিবারতো ছিল শ্রীরামকৃষ্ণের ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ। কখন থেকে?

– সেরকম কিছু নয়। আমার নিজের শিক্ষা দীক্ষা ছিল শ্রীশ্রী সারদেশ্বরী আশ্রমকে ঘিরে। উনিও একসময় বললেন, যদি আধুনিক হ’তে চাও শ্রীরামকৃষ্ণ পড়। অনুধ্যান করো।

তাই শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবধারায় দয়াময়ীর ছেদ পড়েনি কখনও। তা সশ্রদ্ধভাবে লালন করে নিজের লেখাগুলি লিখতে শুরু করলেন ঠাকুরের জীবন ও বাণীকে ভর কেন্দ্রে রেখে। বৃথা সময় অপব্যয় করেননি, হৈ হুল্লোড়ে় মেতে থেকে কখনও। গভীর মনন সহযোগে নিষ্ঠা আর অধ্যবসায়কে সম্বল করে সহজ সরল ভাষায় লিখেছেন অনুধ্যান-কথা। পরমা প্রকৃতি মা সারদার জীবন ও বাণী। দৈনন্দিন জীবনে গীতার দিব্য বার্তা। শ্রীরামকৃষ্ণের অমৃত সমান কথা সজ্জিত করলেন কমলকুমারের সাদা-কালোর ড্রয়িং দিয়ে। সাযুজ্য রেখে। পাশাপাশি। ‘মহাজীবন কথ’য় এলো শ্রীরামকৃষ্ণ ও শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর বাণীগুলিকে পিঠোপিঠি রেখে।

নিজের লেখার পাশাপাশি সমান্তরালভাবে নিরন্তর প্রকাশের ব্যবস্থা করেছেন কমলকুমারের অপ্রকাশিত, অগ্রন্থিত রচনা। পাশাপাশি পুরাতন লেখাগুলির পনর্মুদ্রন। তাই কমলকুমারের রচনার একটা বড় অংশ প্রকাশিত হয়েছে‍ দয়াময়ীর প্রচেষ্টায়, তত্ত্বাবধানে, আগ্রহে, সক্রিয় সাহায্যে। যেন মনে হত তিনি সর্বদাই সচেষ্ট কমলকুমারের সৃষ্টির প্রদীপে নিয়মিত  তেল যুগিয়ে যাওয়ার কাজে।

– কখনও তাঁকে  জিজ্ঞেস করেছেন তাঁর ভাষার এত কাঠিন্য ছিল কেন?

– করিনি আবার! শুরুর দিকে প্রায়ই বলতাম – তোমার লেখা পাঠক বুঝবে কী ক’রে? এত ঘটমট ভাষা কেন?

উত্তর দিতে গিয়ে দয়াময়ীর হাতে কমলকুমার ধরিয়ে দিয়েছিলেন একটি বই। যা দেখে তিনি অবাক হয়ে যান। এতো সেই গদ্যভাষা, যে ভাষায় তাঁর স্বামী লেখেন।  যে ভাষা আমরা ভুলে গেছি। যে ভাষা গরিমার ভাষা।

– প্রতিটি লেখার শুরুতে কেন এত শ্রীরামকৃষ্ণ স্মরণ?

– উনি বলতেন, ব্যাটারা ঠাকুর মানে না। অন্তত আমার লেখা পড়ার সময় একটু করুক।

প্রসঙ্গত, দয়াময়ী তাঁর স্বামীর ঐ ভাষা ব্যবহারের চর্চা করতে গিয়ে এতই দক্ষতা অর্জন করেছিলেন যে তিনি কমলকুমারের অসমাপ্ত একটি গল্প শেষ করেছিলেন নিজের কলমে। বলা বাহুল্য, সেই ছোঁয়ার পর বোঝাই গেল না কোন অংশ দয়াময়ীর লেখা। বাক্যের গঠন, মেজাজ ও সিনট্যাক্স ব্যবহারে এতই তিনি কমলকুমার-জারিত যে বোঝাই যায় তিনি এক যোগ্যতম স্ত্রী, যোগ্য স্বামীর।

– তখনতো বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা তো সবাই আপনার স্বামীর অনুরাগী ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে দেখা হত আপনার?

– উনি বাড়িতে কাউকে আসতে বলতেন না। প্রথমদিকে বাড়ির ঠিকানা কাউকে দিতেন না। তবে একবার সত্যজিৎ রায়, চঞ্চল কুমার চট্টোপাধ্যায় আমাদের হ্যারিসন রোডের বাড়িতে হঠাৎ আসেন। দেখা হত কবি বিষ্ণু দে-র সঙ্গে। ইন্দ্রনাথ মজুমদার-এর ‘সুবর্ণরেখা’য় নিয়মিত যেতেন উনি, মনে পড়ে।

– ‘দ্যা রিভার’ ছবির শ্যুটিং-এ কলকাতায় এসে রেঁনোয়া তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন? জানেন?

– হ্যাঁ রেঁনোয়া সাহেব ওনার সঙ্গে সাউথ পয়েন্ট স্কুলে গিয়ে দেখা করেন। তারপর উনি যান হোটেলে দেখা করতে।

এইভাবে ছোট ছোট ঘটনা, কথাবার্তা আর স্মৃতি-বিস্মৃতির ছবি উবুর করে দিয়ে দয়াময়ী আমাদের কাছে নানাভাবে উপস্থাপন করেছেন এক কাল্টফিগার-এর বিচিত্র জীবনকথা আর তাঁর অসমাপ্ত রচনাবলী। বৃহত্তর অংশের পাঠকের কাছে পৌঁছেছে তা লেখা ও রেখায়। কৌম জীবনের নিখুঁত কারিগরের জীবনবৃত্তান্ত বুঝতে পাঠকের সুবিধা হয়েছে  দয়াময়ীর গুণপনায়। চলচ্চিত্রে, রচনাবলী উদ্ধারকার্যে তিনি যোগ্য সম্পাদকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। লেখনে মননে যাপনে দয়াময়ী-র ধ্যান ও জ্ঞান ছিল কমলকুমার-প্রকাশ। দূরে সরিয়ে রেখেছেন ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের সুখানুভূতিগুলি। প্রতিটি মুহূর্ত ব্যয় করেছেন স্বামীর অসমাপ্ত কাজগুলি সম্পাদন করে।

– ওঁর নেশাগ্রস্ত হয়ে রাতে বাড়ি ফেরাকে কীভাবে দেখেছেন?

– প্রথমদিকে জানতে পারিনি। পরে বারণ করেছি। লাভ হয়নি। তাই মানিয়ে নিয়েছি। শেষের দিকেতো বাড়িতেই খেতেন। অসুস্থও হয়ে পড়লেন। ঠাকুরের কথা মানি – সহ্য করো, সহ্য করো।

শেষের দিকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ দয়াময়ী হয়ে পড়লেন বিকারগ্রস্ত। মাঝে মাঝেই কাছের মানুষদের রাত-বিরেতে ফোন করতেন। বলতেন:

– পাশের বাড়ির কাজের মেয়েটিকে সবাই মারছে। বা দূরের ছাদ-এ ধোঁয়া আর আগুন দেখতে পাচ্ছি। দমকলে খবর দিতে হবে। এখুনি।

পরে সবাই খবর নিয়ে জানতেন, কোথাও কিছু হয়নি। অসুস্থ হয়ে প্রথম হাসপাতাল এবং সেখান থেকে ফিরে স্বইচ্ছায় তিনি যান বৃদ্ধাবাসে। নির্বান্ধব শুষ্ক ঘরে কয়েকদিন মাত্র কাটিয়ে দয়াময়ী যখন ঐ বৃদ্ধাবাসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করছেন, তালাবন্ধ ৫০ডি হাজরা রোড-এর এক চিলতে ফ্ল্যাটে ‘রোজ উড্‌’ এর দুটি সেলফ ধরে রাখল উনিশ শতকের শেষ নিশানা। আর দেওয়ালে ঝুলছিল কমলকুমারের আঁকা ‘এসো মা আনন্দময়ী’ জলরং-এর ড্রয়িং। তখন তা বাঙ্ময়। নিরন্তর হেসে হয়তো দয়াময়ীর কানে কানে বলেছে – শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃতগুলি:

যশ চাই না। আমার মন তোমার পাদপদ্মে বাস করুক।

Tags: ,

 

 

 




  • খোঁজ করুন

  • পুরানো সংখ্যা




  • আমাদের ফেসবুক পেজ

  • মতামত

    আপনার মন্তব্য লিখুন

    আপনার ইমেল গোপনীয় থাকবে।




    Notify me when new comments are added.

    যোগাযোগ


    email:galpersamay@gmail.com

    Your message has been sent. Thank you!

    গল্পের সময় পরিবার
    সমীর
    অগ্নীশ্বর
    দেবাশিস
    চিন্ময়
    পার্থ
    মিতালি
    জাগরণ
    দেবব্রত

    © 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ