গল্পের খোঁজে

‘যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই, পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন।’
এহেন অনুভবের সঙ্গে একমত নন এমন গল্পকার সম্ভবত নেই। কাহিনী বা কিস্‌সার খোঁজে কোথায় না কোথায় যেতে হয় গল্পকারকে। দেশভাগ হোক বা মুক্তিযুদ্ধ, দাঙ্গা হোক বা নদী ভাঙন – গল্পের পটভূমি হতে পারে সবই। সময়ের সঙ্গেই গল্প লেখার প্রয়োজনে নিষিদ্ধপল্লী থেকে নির্জন সমুদ্র সৈকত, গ্যাঁটের পয়সা খরচা করে ছোটাছুটি করেছেন এমন গল্পকারের সংখ্যাও কম নয়। জীবনের প্রতিটি দিন, ঘণ্টা, মিনিট, সেকেন্ড রচিত হচ্ছে মানুষের গল্প, কালের কোলে লেপটে থাকছে মানুষের কথা। কোনও একদিন, হয়ত বা শতবর্ষ পরে চিত্রনাট্য রচনা করে কোনও এক চলচ্চিত্রকার ব্যস্ত হবেন সেই জনপদের অখ্যাত বা বিখ্যাত মানুষদের খুজঁতে। হয়ত বা উপন্যাস রচনায় হাত দেবেন কোনও ঔপন্যাসিক। হয়ত বা কিস্‌সা নির্মাণের সেই হুঁকোর জ্বলন্ত আগুনটা একটু উসকে দেবে এই বিভাগের ঘটনাগুলোই।


  • মিষ্টি কুমড়ো ও এক ভালোমানুষের গল্প

    ‘মিষ্টি কুমড়ো যে কোনোদিন কিনে খেতে হবে এ কখনো ভাবিনি বাবু ! ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি এ তো গরুতে খায়” ! কানাইদার কাঁচি আমার মাথার মধ্যে চলতে চলতে থেমে গেলো ! পঞ্চদশবর্ষীয় আমি, খালিগায়ে, ডবল পেজ খবরের কাগজের মধ্যে ফুটো করা মাথা-গলানো মেক-শিফট কাগজ-জামা থেকে ঘাড় তুলে বললাম ” সে কির’ম, কানাইদা ?” কানাইদাকে নিয়ে […]


  • চেনা লেখক অচেনা কাহিনী

    চেনা জানা জগৎটাই আমাদের কাছে ধোঁয়াশা। এই জগতটারই কোন সঠিক চেহারা আমরা বুঝি না যতক্ষণ না অচেনা নানা কাহিনী, চেনার জগতের হাত ধরে আমাদের চেনা মানুষগুলোকে আরও ভালভাবে চিনিয়ে দিয়ে যায়। তাই অচেনা মানুষরা আমাদের পরিচিত জগতের মধ্যে যতটা না প্রভাব ফেলে চেনা লোকের নতুন নতুন না জানা ঘটনা আমাদের বেশি করে ভাবায়। লেখক পাঠকের […]


  • হাঁসুলী বাঁকের কথা

    ২০০০ সালের গোড়ার দিক। আমি তখন দুর্গাপুরে। বাংলা টেলিভিশনের খবরে সবে মাত্র জোয়ার এসেছে। একটু অন্য ধরনের খবরের তখন দারুণ চাহিদা। আমাকে প্রায়শই অন্য ধরনের খবরের খোঁজ দিতেন কাজি খায়রুল আনম সিদ্দিকী। তখন তিনি ভূমি রাজস্ব দফতরে উচ্চ পদে কাজ করতেন। আমার প্রাক্তন সহকর্মী তথা সাংবাদিক কাঞ্চনদার বাবা হলেও, মজার কথা, এমন ধরনের খবর তিনি […]


  • থ্রু – লেন্স

    তখনও ‘উড’-কালচার শুরু হয়নি। মানে হলিউড, বলিউড, টলিউড–এসব আর কি। তখনও সিডি, ডিভিডি, ক্যাসেট জন্ম নেয় নি। মানুষ সিনেমাকে ‘ফিলিম’ বলতেই অভ্যস্ত। অন্তত আমাদের দেশের সাধারণ মানুষেরা তো বটেই। তারা বলত ‘বোম্বের ফিলিম’ আর ‘আংরেজি ফিলিম’। আর বাংলা কিন্তু হলে ‘বাংলা বই’। এইসব সময়ে হল মানে সিনেমা হল – মানে এক রহস্যময় জগৎ। আর পর্দায় […]


  • নিশ্চিন্দপুরের হারিয়ে যাওয়া কাহিনী

    [১৯৯৫ সালে এটি লেখেন লেখক।ওই বছর নিশ্চিন্দপুর গ্রামে সত্যজিৎ রায়ের আবক্ষ মূর্তির উন্মোচন করেন তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের  মাননীয় রাজ্যপাল। উদ্যোক্তা পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও পথের পাঁচালি সংস্থা। ওই অনুষ্ঠানের সংবাদ সংগ্রহের জন্য তৎকালীন একটি বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রের সাংবাদিক হিসাবে নিশ্চিন্দপুর গিয়েছিলেন লেখক। নেহাতই অনুসন্ধিৎসার বশে  সেদিন গ্রামে ঘুরতে ঘুরতে আর এলাকার মানুষগুলোর সঙ্গে কথা  বলতে বলতে খোঁজ […]


যোগাযোগ


email:galpersamay@gmail.com

Your message has been sent. Thank you!

গল্পের সময় পরিবার
সমীর
অগ্নীশ্বর
দেবাশিস
চিন্ময়
পার্থ
মিতালি
জাগরণ
দেবব্রত

© 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ।