20 Nov

ফরমায়েসী নাটক লেখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়-বাদল

প্রয়াত নাট্যকারের এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়েছিল অমৃতলোক বাদল সরকার সংখ্যায়। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন  সুজাতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ‘গল্পের সময়’-এর পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি তুলে আনলেন দেবাশিস মজুমদার। নাট্য আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার সময়ই নেওয়া এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হল অপরিবর্তিত রেখেই।     

………………………………

[নাট্যকার এবং অভিনেতা হিসাবেই তাঁর পরিচিতি। পেশায় যে কোন একদিন ছিলেন ইঞ্জিনিয়র সেকথা আজ ভুলে গেছে সবাই। এদেশের পরিপ্রেক্ষিতে, তাঁকে তৃতীয় ধারার নাটকের জনক বললেও অত্যুক্তি হয় না। গ্রামে গঞ্জে, হাটে – মাঠে, সাধারণ মানুষের মধ্যে নাটক করেই জীবনের অনেকগুলো দিন কাটিয়ে দেওয়ার পরও নাটক নিয়ে পরীক্ষা – নিরীক্ষাই তাঁর বেঁচে থাকার আসল প্রেরণা ছিল।

পশ্চিমী সুগন্ধ, প্যান্ট কোর্ট টাই পালিশ করা বুট নেই। খদ্দরের পাঞ্জাবী, পায়ে ধুলোপড়া স্লিপার পরে এক মুখ সোনালী দাড়ি আর এক জোড়া অনুসন্ধিৎসু চোখ নিয়ে সেই দামী ইঞ্জিনিয়র সাহেব ঘুরে বেড়ান শহর থেকে গ্রামে, গ্রাম থেকে নগরে, সঙ্গে থাকে তাঁর সচল নির্মেদ থিয়েটারের দল, যাদের নাট্যরীতি শুধু নাটক নয় এক পরিপূর্ণ জীবন দর্শন। অসাধারণ মানসিক শক্তির উদ্দীপনায় উজ্জীবিত সেই মানুষ পেশায় টাউন প্ল্যানার হয়েও সেই প্রথম যৌবনেই নিবেদিতপ্রাণ নাট্যকর্মী।

বাদল সরকার – নাট্যকার হিসাবেই তার পরিচিতি, যদিও কর্মযজ্ঞ এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে বাদলবাবুর পিতা ছিলেন কলেজের অধ্যাপক, দাদু স্কুল শিক্ষক। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়াশুনা করেছিলেন বাদলবাবু। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের মধ্যে নেমে এসেছেন। দীর্ঘ কুড়ি বছর ধরে তাঁর দল মঞ্চের বাইরে খোলা আকাশের নিচে কার্জন পার্কে, শ্রদ্ধানন্দ পার্কে, একাদেমির সামনে, সারা ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামের খোলা মাঠ থেকে নগর উপনগরীর ধুলো ধুসরিত পথে পথে কখনো জনসাধারণের তাড়া খেয়ে, কখনো উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে উপচানো ভিড়ের মধ্যে করে চলেছেন তাঁদের নাটক।]

আপনি তো ইঞ্জিনিয়র, আবার টাউন প্ল্যানার তবুও নাটককে জীবনের সর্বস্ব ভাবলেন কেন ?

হঠাৎ করে সর্বস্ব ভাবিনি। আমি স্কুল জীবন থেকেই নাটক পড়তাম, দেখতাম। ছাত্র জীবনে অনেক ভাললাগার মধ্যে নাটক ছিল একটা। ইঞ্জিনিয়ারিংটা বাবার ইচ্ছায় পড়া। টাউন প্ল্যানিং অবশ্য নিজের ইচ্ছায় নিজের চাকরির পয়সায় পড়েছি। টাউন প্ল্যানিং পড়ার সময়ই থিয়েটারে অল্প অল্প করে ঢুকতে থাকি। তারপর আস্তে আস্তে থিয়েটার, না মঞ্চের থিয়েটার নয় তৃতীয় ধারার নাটক কীভাবে আমার জীবনের সর্বস্ব হলো সেটা দীর্ঘ কুড়ি বছরের ইতিহাস।

তৃতীয় থিয়েটার ব্যাপারটা কী ? এই থিয়েটার করার উদ্দেশ্যই বা কী ?

দীর্ঘদিন ধরে থিয়েটারের মূল বিষয় ছিল গল্প আর চরিত্র। কিন্তু আমি সেই ধারাকে ভেঙে দিয়ে থিয়েটারে কল্পনাপ্রসূত গল্পের জায়গায় দৈনন্দিন জীবনের ঘটনা এবং চরিত্র সর্বস্বতার জায়গায় থিয়েটারের দলকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করছি। ডায়লগের জায়গায় থিয়েটারের নিজস্ব ভাষাকে পৌছে দিতে চেয়েছি দর্শকের কাছে। কঠিন কথার কচকচানিকে বাদ দিয়ে সহজ কথায় শারীরিক ভাষার মাধ্যমে জনগণের একদম কাছে চলে যেতে চাই। তাই খোলা আকাশের নিচে সব শ্রেনীর মানুষের জন্য নমনীয়-বহনীয় আমাদের তৃতীয় থিয়েটার। গ্রাম ও শহরের সংস্কৃতির মধ্যে মিলন ঘটিয়ে ট্রাডিশনাল ফোক থিয়েটারকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই। আমাদের নাটকে টিকিট লাগে না, অনুষ্ঠানের শেষে আমরা ঝোলা পাতি। যে যা সাধ্যমত দেন তাই পুঁজি করে এগিয়ে চলে তৃতীয় থিয়েটার।

এভাবে নাটক করে জনসাধারণের মনে কোন চেতনা জাগাতে পেরেছেন কি ?

গ্রাম থেকে শহর থেকে নগরে নিম্নশ্রেনীর মানুষ থেকে অভিজাত, বুদ্ধিজীবী সবাই আমাদের নাটক দেখেন। জানি না, জনসাধারণের মধ্যে চেতনা জেগেছে কিনা, সে কথা আপনারাই বলবেন। তবে কুড়ি বছর ধরে আমরা তৃতীয় থিয়েটার করছি একদিনের জন্যও মনে হয়নি ভুল করছি। আমরা নিজেরা ভীষণ পরিতৃপ্ত।

আপনার তৃতীয় থিয়েটারে প্রভাব কিসের বা কার ?

১৯৫৭ সালে তৈরি Joar Little Wood – প্রোডাকশন, মস্কোর Taganka থিয়েটার, Klub থিয়েটার, পোলান্ডের Wro Claw –য়ে Grotowski –য়ের থিয়েটার ল্যাবটরিতে তৈরি নাটক ‘Apocalypsis cum Figuris’ – এগুলিই আমাকে তৃতীয় থিয়েটার নির্মাণে প্রেরণা দিয়েছিল। বিভিন্ন নাট্য ব্যক্তিত্ব Jerzy Grotowski, Julian Beck, Juditi Malina rich , Schechner এবং ইউরোপ ও আমেরিকার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার (Experimental Theatre) আমাকে প্রভাবিত করেছে। আমি সেই ধারা ভারতে আনার চেষ্টা করছি। উনবিংশ শতাব্দীর ভিক্টোরিয়ান থিয়েটারের ফলশ্রুতি হিসাবে এখন স্টেজে যেসব নাটক অভিনীত হয়ে চলেছে সেখানে ভারতীয় নাট্যরীতির কোন ঐতিহ্য নেই অথচ বিদেশে ভারতীয়দের  লোকনাট্য, নাচ, গান অনুকরণ করা হয়েছে। আমাদের দেশের যাত্রা, তামাশা, ভাওয়াই, নৌটাঙ্কি, ছৌনাচ, মণিপুরী নাচ আমার থার্ড থিয়েটারকে প্রভাবিত করেছে। থার্ড থিয়েটার শুরু করার মুখে আমরা আমেরিকান এক্সপেরিমেন্টাল লামামা থিয়েটার পরিচালক অ্যান্থান সেরাচির সাহায্য নিয়েছিলাম।

আপনি কি প্রথম থেকেই থার্ড থিয়েটার করছেন ? শতাব্দী কীভাবে প্রতিষ্ঠা হয় ?

না, প্রথমে আমার দল শতাব্দী প্রসেনিয়াম থিয়েটারই করত। জওহরলাল মেমোরিয়াল ফেলোশিপের জন্য আমার প্রজেক্টটা ছিল Workshop for a theatre of Synthesis as a rural – Urban Link এই প্রজেক্ট চলাকালীনই আমি থার্ড থিয়েটারের মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের সংস্কৃতির যোগসূত্র স্থাপনের কথা ভাবতে থাকি। আমি যখন কর্মসূত্রে মাইথনে থাকতাম সেই সময় থেকেই প্র্যাকটিস শুরু। পাঁচের দশকে কলকাতায় ফিরে এসে নাটক করি। তখন ঝোঁক ছিল কমেডির উপর। ১৯৫৬ সালে বিদেশি ছবির সূত্র ধরে আমার লেখা প্রথম নাটক ‘সলিউশন এক্স’।

এরপর লান্ডন যাত্রা। সেখানে আমার প্রথমে মৌলিক নাটক ‘বড় পিসিমা’ লিখলাম। ১৯৫৯ – ৬০ সালে কলকাতায় ফিরে এসে আমাদের আসর ‘চক্র’ প্রতিষ্ঠিত হলো, অভিনীত হল সলিউশন এক্স, বড় পিসিমা। তারপর আমার নাইজিরিয়া যাত্রা, সেখানেই শতাব্দীর পরিকল্পনা। ১৯৬৭ সালে দেশে ফিরে শতাব্দী প্রতিষ্ঠা।

তারপর শতাব্দী কীভাবে আজকের অবস্থায় এল ?

১৯৬৯ সালে প্রথম প্রোডাকশন প্রলাপ, তারপর সারা রাত্তির, শেষ নেই, বল্লভপুরের রূপকথা সবই ছিল Poor theatre –এর ধারণা নিয়ে তৈরি। তবে সেগুলি প্রসেনিয়াম হিসাবেই অভিনীত হয়েছিল। যখন আমি ‘সাগিনা মাহাতো’ লিখলাম তখনই উপলব্ধি করলাম আমার প্রসেনিয়াম থিয়েটার ছাড়ার সময় উপস্থিত। ২৪শে অক্টোবর সাগিনা মাহাতো প্রথম মঞ্চের বাইরে অল বেঙ্গল টিচারর্স অ্যাসোসিয়েশন হলে দেখানো হল। নাটক চলাকালীন হঠাৎ আলো নিভে যায়। অন্ধকারের মধ্যেই চলল নাটক। পরে আলো ঠিক করা গেলেও নাটক মঞ্চসজ্জায় লাইট ব্যবহার করা যায়নি। এই অবস্থায় অগণিত দর্শক উপভোগ করলেন নাটক। নব জাগরণের একটা ঢেউ উঠল, বুঝলাম মঞ্চসজ্জা ছাড়া নাটক চলতে পারে। এরপর আবু হোসেন পরিপূর্ণ সাফল্যের সঙ্গে অভিনীত হওয়ার অর্থনৈতিক সমস্যাটা প্রকট হয়ে উঠল। তখন মঞ্চ থিয়েটারের রীতি ভেঙে আমরা থার্ড থিয়েটারের পথে এগোই। ১৯৭২ সাল থেকে একাদেমি অফ ফাইন আর্টসের ঘরে অঙ্গন মঞ্চে আমাদের নাটক চলতে থাকে। ১৯৭৩ সালে প্রথম স্পার্টাকুস অঙ্গন মঞ্চে অভিনীত হয়। তারপর অঙ্গনমঞ্চ থেকে আমরা নেমে আসি খোলা আকাশের নিচে। শ্রদ্ধানন্দ পার্ক, কার্জন পার্ক, একাদেমির সামনে চলতে থাকে নাটক, পাঁপড়ি মেলতে থাকে তৃতীয় থিয়েটার, শৈশব থেকে যৌবনে উত্তীর্ণ হয়ে আজ তার বয়স কুড়ি বছর। প্রথমে শতাব্দীই ছিল আমার গ্রুপ, পরে আরো তিনটি দল পথসেনা, আয়না, শতক আমার পদ্ধতি পরিকল্পনায়, আমার নাটক নিয়ে আমাদের সঙ্গেই কাজ করছে।

আপনার নাটক শ্লোগানধর্মী হয়ে নাটকের প্রাথমিক র্ত ভাঙছে বলে অনেকে মনে করেন ? এ বিষয়ে আপনার অভিমত ?

যাঁরা আমার নাটকের সঙ্গে বেশি পরিচিত নন তাঁরাই একথা বলেছেন।

থার্ড থিয়েটার ব্যাপারটা আমাদের দেশে কতটা গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে আপনার মনে হয় ?

কতটা গ্রহণযোগ্য হয়েছে জানি না, তবে ছড়াচ্ছে এটা ঠিক।

আমাদের দেশে থার্ড থিয়েটার করায় কী ধরনের অসুবিধা হয় ?

এই থিয়েটার নামাতে আর্থিক অসুবিধা নেই। কিন্তু সময়ের উপর ভীষণ চাপ পড়ে। যেহেতু আমাদের নাটক পয়সা দেয় না তাই চাকরি করা বা রোজগেরে মানুষদেরই পেশা বাঁচিয়ে এখানে আসতে হয়। তাই সময়টা তাঁরা কম পান। আমাদের লোক খুব কম, প্রোডাকশন নামাতে অসুবিধা হয়। আজকাল লোকে শুধু মুনাফার কথা ভাবে, আদর্শের কথা শুনলে হেসে উড়িয়ে দেয়। আমাদের নাটকে ব্যবহারিক স্বার্থ সিদ্ধি নিয়ে অনেক আসেন। বিফল মনোরথ হয়ে যখন ফিরে যান তখন নাটকের ক্ষতি হয়। তাছাড়া জায়গার অভাব। রিহার্সাল দেওয়ার জায়গা নেই, ওয়ার্কশপ প্র্যাকটিসের জায়গা নেই। জায়গা পেলাম না বলেই তো এবারের নাট্যোৎসব অঙ্গনমঞ্চে না করে একাদেমির সামনে করতে বাধ্য হলাম।

আপনি কোন ধরনের নাটক লিখতে পছন্দ করেন ?

প্রযোজনার যোগ্য নাটক লিখি। হাসির মাধ্যমে সিরিয়াস কথা বলতে ভালোবাসি।

আপনার এবং ইন্দ্রজিত নাটকটি লেখার প্রেরণা কী ?

ওসব প্রেরণা-টেরনা নেই। হাসির নাটক লিখতে গিয়ে নিজের কথা বেরিয়েছে।

আপনার সব থেকে হাসির নাটক কোনটি ?

খাট মাট ক্রিং

কোনটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বাচিক ভাষা না শরীরের ভাষা ?

দু’টিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার নাটকে প্রেমকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন না কেন ? প্রেমও তো বাস্তব জীবনের অংশ।

প্রেমের নাটক লিখিনি। তবে নারী পুরুষের সম্পর্কজনিত ব্যাপার আমার অনেক রয়েছে। বিশেষ করে ‘সারারাত্তির’ – এ।

যেকোন ধরনের নাটককেই কি আপনি থার্ড থিয়েটার রূপ দিতে পারেন ?

হ্যাঁ, যেকোন নাটককেই আমার হাতে তৃতীয় থিয়েটার হতে পারে।

রবীন্দ্রনাটক সম্পর্কে কি ধারণা ? রবীন্দ্রনাটক করার চেষ্টা করেন না কেন ?

রবীন্দ্রনাটক করার মত সাহস হয়নি। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ করলে আমাদের ফর্মে করা যায় বলে আমি বিশ্বাস করি। আসলে রবীন্দ্রনাথের নাটক পড়তে যত ভাল লাগে অভিনয় করলে তেমন হবে আমার মনে হয় না। রক্তকরবী, মুক্তধারা খানিকটা আলাদা।

কোনও উপন্যাস বা গল্প শতাব্দী প্রযোজনা করেছে কি ?

হ্যাঁ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ আর তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নাগিনী কন্যার’ কাহিনী করেছি।

মৌলিক নাটকের এই অভাবের পূরণ করে দিতে আপনি নিয়মিত নাটক লেখেন না কেন ?

আমি নিয়মিত নাটক লিখতে পারি না, লেখার চেয়ে নাট্যকর্মকে প্রাধান্য দিতে চাই। তাছাড়া ফরমায়েসী নাটক লেখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

ব্রেখটের কাছে থিয়েটার ছিল সংগ্রামী মানুষের বলিষ্ঠ চিন্তাধারা, জগৎকে পাল্টানোর শক্তিশালী গণমাধ্যম ব্রেখটের চিন্তাধারা বিষয়ে আপনার কি মনে হয় ?

আমি ব্রেখটের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত।

আপনারা গ্রামে যান কেন ? সেখানে কি ধরনের নাটক করেন ?

গ্রামে না গেলে ভারতবর্ষকে জানা হবে না। আমরা গ্রামে যাই নিজেদের স্বার্থে। গ্রামে গিয়ে আমরা অনেক শিখেছি। সব নাটক আমরা গ্রামে নিয়ে যাই না। আমাদের স্পার্টাকুস গ্রামে দারুন চলেছিল। দাস, দাসের কষ্ট, দাসের বিদ্রোহ সেটাই তো আসল স্পার্টাকুস। যখন বিদ্রোহ ফেটে বেরোয় তখন গ্রামে প্রচন্ড হাততালি পড়ে, কারণ তাদের অন্তরের ভেতরটা বিদ্রোহ চায়, ঐ হাততালি কিন্তু কার্জন পার্কে পড়েনি।

আপনার নাট্যকর্ম তো আপনাকে পয়সা দেয় না, আপনার চলে কীভাবে ?

বুড়ো বয়সে সবার যেমন করে চলে, রিটায়ারমেন্টের পয়সা, বই বিক্রির রয়্যালটি। কোন প্রতিষ্ঠান যদি ওয়ার্কশপ করার জন্য টাকা দেন, এইসব মিলিয়ে মিশিয়ে আমার একার জীবন কোনরকম চলে যায়।

 

কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অমৃতলোক পত্রিকা

Tags:

 

 

 




  • খোঁজ করুন

  • পুরানো সংখ্যা




  • আমাদের ফেসবুক পেজ

  • মতামত

    আপনার মন্তব্য লিখুন

    আপনার ইমেল গোপনীয় থাকবে।




    Notify me when new comments are added.

    যোগাযোগ


    email:galpersamay@gmail.com

    Your message has been sent. Thank you!

    গল্পের সময় পরিবার
    সমীর
    অগ্নীশ্বর
    দেবাশিস
    চিন্ময়
    পার্থ
    মিতালি
    জাগরণ
    দেবব্রত

    © 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ