06 Sep

আফসার আমেদ : এক অনন্য কথাকার

লিখেছেন:ইন্দ্রজিৎ খান


[ নিজেকে জাহির করার প্রচারসর্বস্ব এই লেখক দুনিয়ায় আশ্চর্য রকমের ব্যাতিক্রমী ছিলেন তিনি। তাঁর প্রাপ্য মর্যাদার সামান্যতম না পেয়েও কোনও অভিযোগ ছিল না তাঁর। তিনি  আফসার আমেদ। কিছুদিন আগেই কারো কাছে কোনও দাবি-দাওয়া পেশ না করেই তিনি হয়ে গেলেন ‘সেই নিখোঁজ মানুষটা’। মাটির কাছাকাছি থেকে মানুষের কথাকার হয়ে ওঠা আফসার আমেদের লেখালিখি নিয়েই কলম ধরলেন সাহিত্যের নিবিড় পাঠক ও লেখক  ইন্দ্রজিৎ খান। ]

মাত্র ঊনষাট বছর বয়সে মৃত্যু হল আফসার আমেদের। এক অনন্য কথাকার ছিলেন তিনি। লেখার নিজস্ব এক ভাষা ও ভঙ্গি তিনি আয়ত্ত করেছিলেন। একজন লেখককে চেনা যায় তাঁর লেখার বিশেষ এক ধরনের জন্য। এক অন্যরকম গদ্যে তিনি লিখতেন। আফসার আমেদের লেখা পড়লে বোঝা যায় এটা তাঁরই লেখা। তাঁর লেখার ভাষা আর পাঁচজনের মতো নয়, একেবারেই স্বতন্ত্র। এই ভাষা দিয়েই তিনি বুনেছিলেন এক আশ্চর্য গালিচা। আশ্চর্য সেই গালিচায় গল্প, কাহিনী, কিস্‌সা সব কিছুই জড়িয়েমড়িয়ে আছে। সেই গালিচায় আমরা দেখতে পাই দরিদ্র   মুসলিম জনজীবনের ছবি। বাস্তব ও পরাবাস্তবে মেশা সে এক আশ্চর্য জীবনচিত্র। দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত জীবনের গল্প লিখতে লিখতে তিনি চলে যেতেন না-গল্পের দিকে। নিছক কাহিনী বর্ণনা করে যাওয়া তিনি পছন্দ করতেন না। কিছু অনুভূতি, কিছু জীবনচিত্র, কিছু নিসর্গদৃশ্য, কিছু স্বপ্ন এবং জীবনবোধ – ব্যাস এই নিয়েই তিনি লিখে যেতে পারতেন পাতার পর পাতা। তখন সেইসব গল্প বা উপন্যাস নিছক কাহিনীকথন হয়ে উঠত না, তা অন্য এক মাত্রা পেয়ে যেত। বাস্তব থেকে অতি সহজেই পরাবাস্তবে চলে যেতে পারতেন তিনি। যে জীবনের কথা তিনি লিখতেন সেই জীবন খুব কাছ থেকে দেখাই শুধু নয়, সেই জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে তিনি যেন জড়িয়ে রেখেছিলেন নিজেকে। তাই আফসার আমেদের যে কোনো লেখাই আমার খুব জীবন্ত বলে মনে হয়।

 

খুব কম বয়সেই আফসার আমেদ ঠিক করেন তিনি একজন লেখক হবেন। কালি ও কলম নিয়েই কাটিয়ে দেবেন সারাটা জীবন। একটা সময় যদিও তিনি শুধু লেখার আয় দিয়েই সংসার চালিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা বেশি দিন সম্ভব হয়নি। জীবনযাত্রা নির্বাহের জন্য চাকরিও করতে হয়েছিল তাঁকে। যদিও চাকরি করে জীবনে স্বচ্ছলতা আসেনি তাঁর। খুবই দারিদ্রের জীবন কাটাতে হয়েছে তাঁকে। লেখার প্রধান উপকরণ কালি ও কাগজের অভাব ছিল তাঁর। লেখার জন্য অনেকসময় কালির অভাবে মেয়েদের আলতাও ব্যবহার করতে হয়েছিল তাঁকে। এমনকি লেখার কাগজের অভাবে হ্যান্ডবিলের পিছনের  দিকটা ও ক্যালেন্ডারের পিছনের সাদা দিকটা তিনি লেখার কাগজ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এতোটাই অভাব ছিল তাঁর গল্প লেখার শুরুর দিনগুলিতে। কিন্তু কোনো প্রতিকূলতাই তাঁকে সাহিত্য রচনা থেকে ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি। সংসারে পদচারণা করার চিহ্নের টানে তিনি পেতেন সাহিত্য রচনার ইশারা। এক সাক্ষাৎকারে নিজেই বলেছেন তিনি এই কথা। এই ব্যাপারে মালয়ালাম লেখক ভৈকম মুহম্মদ বশীরের সঙ্গে তাঁর তুলনা করা যেতে পারে। বশীরও তাঁর নিজের জীবনের চারপাশ ও নিজের জীবন থেকে উপাদান সংগ্রহ করে গল্প ও উপন্যাস রচনা করতেন। সাহিত্যিক অমলেন্দু চক্রবর্তী প্রতিক্ষণ থেকে প্রকাশিত ‘আফসার আমেদের ছোট গল্প’ বইয়ের একটা চমৎকার ভূমিকা লিখেছিলেন। সেই ভূমিকা থেকে জানতে পারি একবার ১৯৭৭ সাল নাগাদ বাগনান বিডিও অফিসের মাঠে এক সাহিত্য আসরে কয়েকজন স্থানীয় যুবকের সঙ্গে বসেছিলেন তিনি। সেই আসরে তিনি শোনেন আফসার আমেদের গল্পপাঠ। দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠরত সেই কিশোরের গল্পপাঠ শুনে তিনি মোহিত হয়ে যান। সেই কিশোরের সঙ্গে আলাপ সেরে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। কিন্তু দিন সাতেক কাটতে না কাটতেই সেই কিশোর ছেলেটি তাঁর বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়। সঙ্গে তার একটা প্রবন্ধ ও একটা মোটা খাতা। ইতিমধ্যেই সেই বালক ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করে ফেলেছে মুসলমান সমাজে প্রচলিত এবং লুপ্তপ্রায় প্রায় দ্বিশতাধিক বিয়ের গান। অমলেন্দু চক্রবর্তী ‘পরিচয়’ পত্রিকার সম্পাদক দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেন আফসার আমেদের ওই খাতাটি। সে বছর বৈশাখ মাসের ‘পরিচয়’ পত্রিকার ‘বিশেষ সাহিত্য সংখ্যা’র প্রথম প্রবন্ধটি ছিল আফসার আমেদের লেখা ‘মুসলমান অন্দরে বিয়ের গীত’। এই হলেন আফসার আমেদ। পরবর্তী জীবনে যিনি অজস্র ছোটো গল্প ও উপন্যাস লিখে পাঠককে চমকে দেবেন।

 

প্রায় তিনশোর মতো গল্প লিখেছেন আফসার আমেদ। প্রতিটা গল্পই একে অপরের থেকে আলাদা। তাঁর লেখা অজস্র ছোটো গল্পের মধ্যে কয়েকটি হল – ‘পক্ষীরাজের ডানা’, ‘জিন্নত বেগমের বিরহমিলন’, ‘জিন্নত বেগমের দিবসরজনী’, ‘খরা’, ‘গোনাহ্‌’, ‘হাড়’, ‘দ্বৈরথ’, ‘আদিম’, ‘সুখের নির্মাণ’, ‘বাগদান’, ‘বাসর’, ‘মিলন’, ‘বিরহ’, ‘অভিমান’, ‘কান্না’, ‘ভয়’, ‘আর্তি’, ‘প্রবাসের রূপক’, ‘নিঃসঙ্গতার শর, স্বর’, ‘দ্বিতীয় বিবি আসার প্রথম দিন’, ‘মকসুদা কিছু বলবে না’, ‘এই বসবাসে’, ‘এই দাম্পত্যে’। উপন্যাসও তিনি লিখেছেন অনেক। ‘ঘরগেরস্থি’ দিয়ে তাঁর উপন্যাস লেখা শুরু। এরপর তিনি লিখেছেন অজস্র উপন্যাস। ‘সানু আলির নিজের জমি’, ‘স্বপ্নসম্ভাষ’, ‘খণ্ড-বিখণ্ড’, ‘প্রেমে অপ্রেমে একটি বছর’,‘অন্তঃপুর’, ‘আত্মপরিচয়’, ‘দ্বিতীয় বিবি’, ‘বসবাস’, ‘ধানজ্যোৎস্না’, ‘ব্যথা খুঁজে আনা’, ‘একটি মেয়ে’, ‘বিবির মিথ্যা তালাক ও তালাকের বিবি এবং হলুদ পাখির কিস্‌সা’, ‘কালো বোরখার বিবি ও চল্লিশজন লোক এবং কুসুমের গন্ধ’, ‘মেটিয়াবুরুজে কিস্‌সা’, ‘এক ঘোড়সওয়ার কিস্‌সা’, ‘হিরে ভিখারিনি ও সুন্দরী রমণী কিস্‌সা’, ‘হত্যার প্রমোদ জানি’, ‘জীবন জুড়ে প্রহর’, ‘ছায়ারূপ টকিজ’, ‘অশ্রুমঙ্গল’, ‘সেই নিখোঁজ মানুষটা’ ইত্যাদি তাঁর লেখা উপন্যাস। তাঁর কিস্‌সা সিরিজের উপন্যাসগুলিতে আমরা আবিষ্কার করি এক ভিন্ন গদ্যশৈলী। একই রকম ভাষা ও ভঙ্গিমায় উপন্যাস লেখেননি তিনি। লেখায় লেখায় অনবরত পালটেছেন নিজেকে। তাঁর লেখা এক আশ্চর্য উপন্যাস ‘স্বপ্নসম্ভাষ’। এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মুনসুর, সে এক জনমজুর, পরে সে রিকশা চালক হয়ে ওঠে। মুনসুরের স্ত্রী ফিরোজা। কিন্তু স্ত্রী তার অসুস্থ, শরীর তার ভেঙে পড়েছে। মুনসুর একদিন দেখে তারই ঘরের পাশে এক তরতাজা যুবতী খোদেজাকে। সম্পর্কে সে তার প্রতিবেশী সাজেদের শালি। মুনু খোনকারের বিবাহিতা স্ত্রী সে। স্বামীর অতাচারে অতিষ্ঠ হয়ে সে এসেছে তার দিদির বাড়িতে। এখানেই থাকছে সে। মুনসুর মধ্যবয়সী, বড়ো বড়ো ছেলেমেয়ে আছে তার। তবুও সে খোদেজাকে পেতে চায়। সে খোদেজার মধ্যে খুঁজে পায় তার কাঙ্ক্ষিত নারীকে। সে নারী যেহেতু আবার বিবাহিতা তাই তাকে বিয়ে করার জন্য তার চাই ছাড়পত্র। সেই নারীকে নিয়ে চলে মুনসুরের স্বপ্নের বীজ বোনা। কিন্তু সে কি পায় তার সেই নারীকে? একদিন এক আশ্চর্য মেঘ দেখল ফিরোজা। সেই মেঘ বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ল। আর সেই বৃষ্টি বাদলের মধ্যেই ফিরোজার শরীরে নতুন করে যৌবন ফিরে আসতে থাকে। তার শরীর ভরে উঠতে থাকে। সেই যুবতী ফিরোজাকে দেখে মুনসুর প্রলোভিত হয়। শহরের ভাড়া করা বাড়িতে, যেখানে সে খোদেজাকে নিয়ে নতুন করে সংসার পাততে চেয়েছিল, সে ফিরোজাকে নিজের রিকশায় চাপিয়ে নিয়ে চলে। বাস্তবের মাটিতে নতুন এক স্বপ্ন দেখতে চায় যেন সে জীবনকে নিয়ে।

 

আফসার আমেদের এক গল্পের নাম ‘শুধু মাত্র মৃত্যু অপেক্ষায় যাওয়া’। এই গল্পটি বেরিয়েছিল ১৪০০ বঙ্গাব্দের শারদীয় ‘প্রতিদিন’ পত্রিকায়। গল্পটির বিষয়বস্তু খুবই সাধারণ। একজন যুবককে এসএসকেএম হাসপাতালে রাত কাটাতে হবে এমন এক মহিলার জন্য যে তার পরিচিত নয়। যে মহিলাটি অগ্নিদগ্ধ হয়ে ভর্তি হয়েছে ওই হাসপাতালে। আর যে ব্যক্তির সঙ্গে তাকে রাত্রি জাগরণ করতে হবে তাকেও সে চেনেনা। গল্পের ওই যুবকের নাম সুহাস মাইতি। সে কলকাতার মেসে থেকে টিউশনি করে জীবন চালায়। সরকারী চাকরি পাবার বয়স তার পেরিয়ে গেছে। তার বাড়ি নন্দীগ্রামে, যেখানে আছে তার বিধবা মা ও তার বড়দার সংসার। নরেনদা বলে একজন ব্যক্তি যার বাড়িতে সুহাস একবছর টিউশনি করেছে সে-ই তাকে হাসপাতালে রাতে থাকার জন্য বলে। তিনবছর আগে তার বাড়িতে সে টিউশনি করতে যেতো। কোনো এক প্রাইভেট সংস্থায় তার চাকরি করে দিতে পারে নরেনদা, এই আশায় আশায় সে বেশ কয়েকবার তার বাড়িতে গিয়েছিল টিউশনি ছেড়ে দেওয়ার পরেও। আর নরেনদা তার চাকরির জন্য চেষ্টা করতেও পারে এই আশা নিয়েই সুহাস হাসপাতালের অপেক্ষা গৃহে রাত কাটাতে রাজি হয়। নরেনদার এক বন্ধুর স্ত্রী গুরুতরভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ভর্তি হয়েছে হাসপাতালে। সেখানে তাকে আর একজনের সঙ্গে রাতে থাকতে হবে। নরেনদা সুহাসকে সেই লোকটিকে দেখিয়ে দেয়। সুহাস দেখে মাফলার ও গুলি সুতোর চাদর জড়ানো একজনকে। সুহাস তাকে শুধু দেখে রাখে, তার নাম জানতে পারেনা। এরপর নরেনদা স্কুটারে করে তাকে তার বউবাজারের মেসে পৌঁছে দেয়। সে মেস থেকে রাতে বেরিয়ে পড়ে এসএসকেএম হাসপাতালের উদ্দেশে। শীতের রাত্রে টু-বি বাসে করে সে এক অলৌকিক যাত্রা যেন সুহাসের। বাইরে হিমরাত্রি, হু হু করে ঠাণ্ডা হাওয়া বইছে। হাসপাতালে পৌঁছে সে সেই লোকটাকে খুঁজে পায়না। বেশ কিছু পরে একজন এসে তাকে অপেক্ষা গৃহে নিয়ে যায়। কিন্তু পরে সে তার সঙ্গে কথাবার্তা বলে বুঝতে পারে সে ভুল লোকের সঙ্গে রাত জাগছে। সেই লোকটার নাম রোবে হাজরা, সে একজন রিকশা চালক। সেই রোবে হাজরাও রাত জাগতে এসেছে জনৈক ছায়া দাস নামে যে মহিলা অগ্নিদগ্ধ হয়ে ভর্তি হয়েছে তার জন্য। ততক্ষণে সে জেনে ফেলেছে ছায়া দাস সম্পর্কে অনেক কথাই। স্বামীর সঙ্গে জল ব্যবহার নিয়ে ঝগড়া হয় তার। কষ্ট করে বয়ে নিয়ে আসা জল তার স্বামী যথেচ্ছভাবে খরচ করে ফেলে। আর এই তুচ্ছ ঝগড়ার জেরেই নাকি সে আগুনে পুড়িয়ে নিজেকে মারতে চেয়েছে। পদ্মা তীরের মেয়ে সে। শহরের জলাভাব সে বোধহয় মেনে নিতে পারেনি। গুরুতরভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে সে ভর্তি আছে হাসপাতালের এমারজেন্সি ওয়ার্ডে। যে কোনো সময় আসতে পারে তার মৃত্যুর খবর। কী অদ্ভুত এই গল্প। সুহাস এই হাসপাতালে এসেছে যার জন্য বা যার সঙ্গে রাত্রি জাগরণ করতে সে তাদের কাউকেই চেনেনা। তাদের সঙ্গে সম্পর্কহীনতায় থেকেও কোনো এক সম্পর্কে যেন জড়িয়ে পড়ে সে। এই শীতরাত, সম্পর্কহীনতা, জনৈক অগ্নিদগ্ধ মহিলার মৃত্যুর খবর পাওয়ার জন্য অপেক্ষা তাকে কেমন যেন এক আবেশে জড়িয়ে ধরে। এক গল্পহীন গল্পই যেন আফসার আমেদ লিখতে চেয়েছেন। অবশেষে সুহাসকে সেই লোকটি খুঁজে পায় নরেনদা যাকে দেখিয়ে সুহাসকে বলেছিল যে এর সঙ্গে তাকে রাত কাটাতে হবে। সেই লোকটি তার পরিচয় দিয়ে বলে তাদের পরিচিত যে মহিলা অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল সে মারা গেছে। সেই মহিলার নাম মালতী। অবশেষে সে বুঝতে পারে এক সহমর্মিতার বোধের ভেতর সে প্রবেশ করে ফেলেছে। যার হাত থেকে সে নিস্তার চায়ও না। এখানেই গল্পের সমাপ্তি। একে গল্প বলবো না না-গল্প বলবো ঠিক যেন বুঝে উঠতে পারিনা। এই গল্প অন্য ধরনের এক রেশ রেখে যায় আমাদের মনে।

 

বড়ো অকালে চলে গেলেন আফসার আমেদ। একেবারেই নিখোঁজ হয়ে গেলেন মানুষটা। কোনোদিন ফিরবেন না তিনি আর। ঊনষাট আর কী এমন বয়স। গত বছরের শেষে ‘সেই নিখোঁজ মানুষটা’ উপন্যাসের জন্য তিনি সাহিত্য অকাদেমি পুরষ্কার পাচ্ছেন বলে ঘোষণা করা হয়। এই বছরের গোড়ার দিকে তাঁকে সেই পুরষ্কার দিয়ে সম্মান জানানো হয়। এই পুরষ্কার পেয়ে খুবই খুশি হয়েছিলেন তিনি। উৎসাহিত হয়েছিলেন নতুন কথাসাহিত্য রচনার জন্য। কিন্তু সেই সময় আর পেলেন না। তিনি জীবিত থাকলে আরো কত অন্যরকম লেখা আমরা পেতে পারতাম। হয়তো তিনি কিস্‌সা সিরিজের মতো আরো অন্য কোনো ভাষা-ভঙ্গি আবিষ্কার করে লিখতে বসতেন আরো অন্য কোনো কিস্‌সা সিরিজ। সে আর আমাদের পাওয়া হলনা। এই দুঃখ আমাদের রয়ে গেল।

Tags: ,

 

 

 




  • খোঁজ করুন

  • পুরানো সংখ্যা




  • আমাদের ফেসবুক পেজ

  • মতামত

    আপনার মন্তব্য লিখুন

    আপনার ইমেল গোপনীয় থাকবে।




    Notify me when new comments are added.

    যোগাযোগ


    email:galpersamay@gmail.com

    Your message has been sent. Thank you!

    গল্পের সময় পরিবার
    সমীর
    অগ্নীশ্বর
    দেবাশিস
    চিন্ময়
    পার্থ
    মিতালি
    জাগরণ
    দেবব্রত

    © 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ