14 Apr

পহেলা বৈশাখ: মাটির শিকড় থেকে শহরের উৎসব

লিখেছেন:নাহার তৃণা


NAHAR TRINA GALPER SAMAY CARD

বাংলা নববর্ষের ইতিহাস কমবেশি সবার জানা। শুরুটা হয়েছিল মুঘল আমলে। এর শিকড় অনেকটাই গভীরে—কৃষির ভেতর। শুরুতে নববর্ষ ছিল মূলত ঋতুর পালাবদলের চক্রে জড়ানো হিসেব-নিকেশ শুরুর মাস। তখনও পহেলা বৈশাখ পোশাকী উৎসব আমেজের ঘেরাটোপে জড়ায়নি। বরং বৈশাখের প্রথম দিনটি অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক রীতি হিসেবে পালিত হতো। তখন ফসল তোলা, দেনা-পাওনা মেটানো, নতুন খাতা খোলার সময়। কৃষিকাজ যেহেতু সূর্যের গতিপথ মেনে চলতো, তাই চাঁদের হিসাবভিত্তিক হিজরি সন দিয়ে খাজনা আদায় করা ছিল ঝামেলার। এই সমস্যাটি মুঘল সম্রাট আকবরকে নতুন এক সন তৈরির দিকে ঠেলে দেয়। তাঁর নির্দেশে জ্যোতির্বিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজী সৌরবর্ষ আর হিজরি চন্দ্রবর্ষ মিলিয়ে যে পঞ্জিকা তৈরি করেন, সেটি পরে বাংলা সন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

আকবরের রাজত্বের ২৯তম বছরে(১৫৮৪ সালে), ইলাহি সন নামে যে অব্দ চালু হয়, তার গণনা শুরু হয় আরও আগের সময় থেকে, ১৫৫৬ সালে। সেই বছরে আকবর সিংহাসনে বসেছিলেন। যদিও ইলাহি সন দিল্লি-আগ্রায় খুব চর্চিত ছিল না, বাংলায় স্থানীয় পঞ্জিকাকারেরা এটিকে নিজেদের মতো রূপ দিয়ে ফসলি সন তৈরি করেন। যেখানে বছরের শুরু বৈশাখে, এবং যার সঙ্গে কৃষকের জীবনযাত্রা সরাসরি সংযোগ।

বাংলা মাসের নামগুলো এসেছে প্রাচীন নক্ষত্রপুঞ্জের নাম থেকে—বিশাখা থেকে বৈশাখ, জ্যেষ্ঠা থেকে জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়া থেকে আষাঢ়; এভাবে। বৈদিক জ্যোতিষে বিশাখা নক্ষত্রের অধিষ্ঠাত্রী দেবতা ইন্দ্র ও অগ্নির যৌথ রূপ ‘ইন্দ্রাগ্নি’। বৈশাখ মাসের নাম যেহেতু বিশাখা নক্ষত্র থেকে এসেছে, তাই এই মাস ও নক্ষত্র উভয়েই ইন্দ্র-অগ্নির মিলিত শক্তিকে স্মরণ করায়। শীতের শেষে ফসল ঘরে ওঠার পর জমিদাররা প্রজাদের নিয়ে যে রীতি পালন করতেন, সেখান থেকেই ‘হালখাতা’র জন্ম। আর এই কৃষিভিত্তিক সময়চক্রই আজকের পহেলা বৈশাখ উদযাপনের আদি ভিত্তি।

একথা সপাটেই বলা যায়, বাংলা নববর্ষ স্রেফ কোনো রাজদরবারের ক্যালেন্ডার নয়। এটা কৃষকের ঘাম, ফসলের গন্ধ, আর ঋতুর পালাবদলে জন্ম নেওয়া এক জীবন্ত সময়বোধ। কালক্রমে ঋতুচক্রের এই পর্বটি গ্রামীণ জীবনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের শহুরে চৌহদ্দিতে পা রাখে। এরপর স্বমহিমায় আমাদের বারো মাসের তেরো পার্বণের একটি বিশেষ উৎসব হিসেবে জায়গা করে নেয়।

NAHAR TRINA GALPER SAMAY TEXT CARD (2)

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নববর্ষের গ্রামীণ চেহারাটি শহুরে রূপ নিতে শুরু করে। ব্রিটিশ আমলে ব্যবসায়ীদের বছরের শুরুতে নতুন হিসাবের হালখাতা খোলার রীতি শহুরে জীবনে নববর্ষের একটি আলাদা মাত্রা যোগ করে। তবে আধুনিক অর্থে বর্ষবরণ উৎসবের রূপটি গড়ে ওঠে আরও পরে—পাকিস্তানি শাসনামলের সাংস্কৃতিক দমনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসেবে। ১৯৬৭ সালে(১৩৭৪ বঙ্গাব্দ) ছায়ানট রমনার বটমূলে “এসো হে বৈশাখ” দিয়ে যে বর্ষবরণ শুরু করেছিল, একটা সময় পর সেটাই শহুরে নববর্ষ উদযাপনের প্রথম সাংস্কৃতিক ভিত্তি হয়ে ওঠে। স্বাধীনতার পর এই আয়োজন শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং বাঙালি পরিচয়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। এবং ধীরে ধীরে একটি ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব হিসাবে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে।

১৯৮৬ সালের দিকে চারুপীঠ নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো যশোরে নববর্ষ উপলক্ষ্যে আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করে। সেই শোভাযাত্রায় ছিল- পাপেট, বাঘের প্রতিকৃতি, পুরানো বাদ্যযন্ত্রসহ অন্যান্য শিল্পকর্ম। সেই শোভাযাত্রা জনমনে ভালোই আলোড়ন তৈরি করে। যার রেশ ধরে এবং যশোরের শোভাযাত্রার আদলে ১৯৮৯ সালে ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে শুরু হয় বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা।

চারুকলা ইনস্টিটিউটের বর্ষবরণ শোভাযাত্রা বৈশাখকে নতুন এক দৃশ্যমান, শিল্পসমৃদ্ধ রূপ দেয়। সেটি ছিল অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর, বিভেদের বিরুদ্ধে মানবতার, ভয় আর সহিংসতার বিরুদ্ধে শিল্পের প্রতীকী যাত্রা। সেই যাত্রার ভেতরেই প্রোথিত ছিল আমাদের সময়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল অসাম্প্রদায়িক চেতনা। যে চেতনা মুখোশ, বিভিন্ন বর্ণিল প্রতীকী কাঠামো, রঙিন শোভাযাত্রার মোড়কে হয়ে ওঠে সহজিয়া বাংলাদে

শের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বৈশাখের এই শোভাযাত্রার উৎসব ২০০৩ সালে চিরন্তন বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতিও আদায় করে নেয়। এভাবেই কৃষিভিত্তিক সময়চক্র থেকে জন্ম নেওয়া নববর্ষ ধীরে ধীরে শহুরে সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠে, এবং আজকের পহেলা বৈশাখ—রং, সঙ্গীত, শিল্প আর মানুষের মিলনমেলার এক বৃহৎ উৎসবে পরিণত হয়। যা শুধুমাত্র ঢাকা শহর কেন্দ্রিক না থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি শহরাঞ্চলের উৎসবে রূপ নেয়।

ঢাকা শহরে জন্ম এবং বেড়ে ওঠার সুবাদে বাড়িতে পহেলা বৈশাখ ঘিরে উৎসব-আমেজের কমতি দেখিনি। পারিবারিক উৎসব হিসেবে প্রতিবছর আমরা পহেলা বৈশাখ পালন করেছি। বিশেষ এই দিনটিতে বাড়িতে নতুন কাপড় পরবার চল ছিল। আমার দাদি বলতেন, ‘এই দিনে নতুন কাপড় পরলে সারা বছর আনন্দে কাটে’। শিশুর মতো সরলমনা দাদিকে খুশি করার ঐকান্তিক চেষ্টায় আমরা চাচাতো-ফুপাতো ভাই বোনেরা সবাই আনন্দ নিয়েই নতুন কাপড় পরতাম। একসময় সেটিই পারিবারিক চল হয়ে ওঠে। পরে যখন ভাই-বোনেরা প্রতিষ্ঠিত হয়ে চাকুরিতে ঢোকে, নিয়ম করে তারা মায়ের জন্য আনতো নতুন শাড়ি, বাবার পাঞ্জাবি। আমাদের জন্য বরাদ্দ ছিল বাক্স ভরতি মিষ্টি, পিঠাঘরের পাটিপাসটা আর নকশি পিঠা। দাদি ততদিনে আকাশের তারা হয়ে গেছেন। জীবিত থাকলে মিষ্টি মুখে পুরতে পুরতে বিলক্ষণ মুখ টিপে হাসতেন। অতি খুশিতে তিনি যে ওভাবেই হাসতেন!

যেহেতু বাঙালির বিশেষ দিন মানেই নানা পদের রান্নার ছুতো খুঁজে পাওয়া। আমাদের বাড়িতেও তার ব্যত্যয় ঘটতে দেখিনি। তবে পান্তা-ইলিশ, ভর্তা-ভাজি খাওয়ার রেওয়াজ ছিল না মোটেও। তার পরিবর্তে বরং হতো পোলাও কোরমার বাহারি আয়োজন। পাশাপাশি চাচা-ফুপুদের বাড়ি, সেখানেও একই রকম সুখাদ্যের ঘটা থাকতো। সুখাদ্যের ভাগ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীদের বাড়ি পাঠানো হতো। চাচা-ফুপুর বাড়ি থেকে ট্রে ভরতি খাবার এসে উপস্থিত হতো– ফিরতে ট্রেতে ওঁদের জন্যও যেত আমাদের রান্নার স্বাদ। বর্ষবরণ অনুষ্ঠান দেখে আমরা বাড়ি ফিরতাম একপেট খিদে নিয়ে। খাওয়া শেষে কাজিন ভাই-বোনেরা রীতিমত হুল্লোড় করে রেটিং দিতে বসতাম সেসব রান্নার। বিকেলে ফুপুর বাড়ির খোলা ছাদে বসতো পারিবারিক গান-গল্পের আড্ডা।

NAHAR TRINA GALPER SAMAY TEXT CARD (1)

পহেলা বৈশাখ মানেই রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ণাঢ্য আয়োজন। সেদিন খুব ভোরবেলা ভাই-বোনেদের মধ্যে যারা সরাসরি অনুষ্ঠানে অংশ নেবে, তারা আগেভাগে সেখানে চলে যেত। বাকিরা সকাল পেকে ওঠার আগে যে যার মতো সেজেগুজে রওনা হতাম; গন্তব্য—রমনার বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। সেদিন সাজ পোশাকের ঘটাও কম হতো না। আমাদের অনেকেরই শাড়ি পরার হাতেখড়ি হয়েছিল কোনো এক পহেলা বৈশাখের দিনে। চওড়া লাল-মেরুন পাড়ের সাদা কিংবা অফহোয়াইট শাড়ি, কপালে টিপ, হাত ভরতি চুড়ি আর খোঁপায় গোঁজা হতো ফুলের মালা বা গাজরা। পাঞ্জাবিতে প্রচণ্ড অনীহা থাকা ভাইটিও সেদিন দিব্যি পাঞ্জাবি গায়ে চড়িয়ে আমাদের সঙ্গী হতো।

রমনার বটমূলে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ততক্ষণে হয়তো ছায়ানটের বেশ কতগুলো পরিবেশনা হয়ে গেছে। বন্ধুদের অনেকেই আগেভাগে পৌঁছে জায়গা দখল করে আমাদের অপেক্ষায় বসে থাকতো। আমাদের মধ্যে যারা কেবলি ছায়ানটের গান শুনতে চাইতো তারা ভিড় ঠেলে দখলকৃত জায়গায় আয়েশ করে বসে পড়তো। বাকিরা পেছনের অংশে দাঁড়িয়ে কিংবা বসে খান দুয়েক গান শোনার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইতো না। ছায়ানটের বর্ষবরণের সম্মেলক-একক সঙ্গীত কিংবা পাঠের পরিবেশনা এতটাই মনোহর, যে কেউ মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাতে বুঁদ হতে বাধ্য। ভাই-বোন আর বন্ধুদের যে দলটি পেছনের দিকে থাকতো, তাদের আসল লক্ষ্য ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রার পদাতিক হওয়া। যেকারণে তারা ছায়ানটের ছন্দময় পরিবেশনার রথ দেখার একফাঁকে মঙ্গল শোভা যাত্রায় গিয়ে কলা বেচার মতলবে, মূহুমূর্হু হিসাব কষে নিতো ঘড়ি দেখে। বর্ষবরণের বিরামহীন পরিবেশনা তখনও চলছে। সাধারণত ঘড়ির কাঁটা সকাল নটা কী সাড়ে নটার ঘরে থিতু হলে, চারুকলা থেকে বর্ণিল শোভাযাত্রা মুঠো মুঠো আনন্দ ছড়িয়ে পথে নেমে আসতো। নানা বয়সি মানুষের ঢল সেই শোভাযাত্রার আনন্দ কুড়াবে বলে হাসিমুখে সঙ্গ ধরতো। যে যার ভালো কাপড়টি হয়তো পরে এসেছেন; সবার মুখে লেপ্টে থাকা থইথই আনন্দ। আহা ঢাকার শাহবাগ-রমনা এলাকার পথ জুড়ে ওরকম খলবলে ফূর্তিময় যুথবদ্ধ জনারণ্যের আনন্দ খুব কমই দেখা যায়। যারা স্বচক্ষে ওই চনমনে শোভাযাত্রা দেখেননি, শব্দ-বাক্যে তাদের সেটা বোঝানো সম্ভব নয়। গোটা শহর বুঝি সেদিন তার আঁচলের খুঁটে আনন্দকেই বেঁধে রাখতে চাইতো!

পহেলা বৈশাখের আনন্দের ছোঁয়া থেকে ছিটকে গেছি প্রবাসে এসে। আনন্দ আয়োজনের সেই স্মৃতিগুলোকে এখন মণিমানিক্যের চেয়েও মূলবান মনে হয়। বাংলা নতুন বছরের দিনটিতে কখনও কখনও শৈশবের কোনো হারানো সকাল ফিরে আসে, তখন মনে হয় বহুদূরে সরে যাওয়া ওই উৎসব যেন আমাদের রক্তের ভেতরেই জন্মেছে। শৈশবে বাবার, আরেকটু বড় হয়ে ভাইবোনেদের হাত ধরে র‍্যালিতে যাওয়া, নজরকারা রঙিন কাগজের মুখোশ, গরমে হাঁসফাঁস করতে করতে মানুষের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার সেই অনুভূতি—পহেলা বৈশাখের সঙ্গে মিশে থাকা ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রায়ই ভাবি; যেদিন গেছে, চিরদিনের জন্যেই হয়তো গেছে। খুব বেশিদিন হয়নি, ধর্ম-বর্ণের যাবতীয় ভেদাভেদ ভুলে একটা দিনের জন্য দেশের মানুষ যেভাবে পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূলে জমায়েত হতো; মঙ্গল শোভাযাত্রায় সঙ্গ দিতো—তার সেই উজ্জ্বল উষ্ণতা অনেকটাই বুঝি আজ ম্লান।

সামরিক শাসক এরশাদের আমলে (১৯৮৯ সালে) বর্ষবরণের শোভাযাত্রা আনন্দ শোভাযাত্রা নামে চালু হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ‘আনন্দ’ শব্দের ভাসান ঘটে যায়। তার পরিবর্তে হয় ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। এতকাল সেই নামকরণেই পহেলা বৈশাখের আনন্দ উৎসব পালিত হয়ে এসেছে। কিন্তু ২০২৪ এর অন্তর্বর্তী সরকার ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’কে হিন্দুয়ানি আখ্যা দিয়ে আবারও ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’য় পরিবর্তন করেন। মজার কথা হচ্ছে, ২০২৬ এর পহেলা বৈশাখের উৎসব আয়োজনের প্রধান অংশের নামকরণের আবারও পরিবর্তন ঘটে গেছে। এবছর নির্বাচিত বিএনপি সরকার বর্ষবরণ শোভাযাত্রার নামকরণ করেছেন ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। একটা সর্বজনীন উৎসবের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত মঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধের বা নামবদলের মচ্ছব কবে থামবে জানা নেই।

ধর্মের দোহাই দিয়ে, হিন্দুয়ানি আখ্যা দিয়ে একটি ধর্মনিরপেক্ষ আয়োজনকে থামানোর ষড়যন্ত্র এপর্যন্ত কম হয়নি। ২০০১ সালে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে মৌলবাদী চক্রের হামলার রক্তাক্ত স্মৃতি আজও বাংলাদেশের বুকে একটা ক্ষত হয়ে রয়ে গেছে। ওই বছরের ভয়ানক স্মৃতি মনে পড়লে আজও কেঁপে উঠি। তাসত্ত্বেও, ক্ষতের শোক বুকে চেপে সহজিয়া বাংলাদেশের আনন্দময়ী রূপটিকেই আমরা বার বার দেখতে চাই। বহু বছরের প্রচলিত বাঙালি সংস্কৃতির একটি সুস্থ ধারা যেন মৌলবাদী চিন্তাসম্পন্ন কুৎসিত রাজনৈতিক চক্রব্যূহের ভেতর আটকে না যায়। পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রা হেঁটে যাক আরও হাজার বছরের পথে ধরে, বাঙালির প্রাণের উৎসব যেন তার আপন মহিমায় টিকে থাকে; কায়মনোবাক্যে সেটিই চাওয়া।

[ বানানবিধি ও মতামত লেখকের নিজস্ব]

GALPER SAMAY 2026 BOISAKH

Tags: ,

 

 

 




  • খোঁজ করুন




  • আমাদের ফেসবুক পেজ

  • মতামত

    আপনার মন্তব্য লিখুন

    আপনার ইমেল গোপনীয় থাকবে।




    Notify me when new comments are added.

    যোগাযোগ


    email:galpersamay@gmail.com

    Your message has been sent. Thank you!

    গল্পের সময় পরিবার
    সমীর
    অগ্নীশ্বর
    দেবাশিস
    চিন্ময়
    পার্থ
    মিতালি
    জাগরণ
    দেবব্রত

    © 2016 - 2026 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ