-
দশ বছরে পা দিল ‘গল্পের সময়’দশ বছরে পা দিল অনলাইন সাহিত্যভিত্তিক পত্রিকা ‘গল্পের সময়’। সময়ের হিসেবে এক দশক হয়তো খুব বেশি নয়, কিন্তু সাহিত্যচর্চার পথে এই দশ বছর মানে অসংখ্য শব্দের জন্ম, অজস্র ভাবনার উন্মেষ, আর পাঠক–লেখকের ভালবাসায় গড়ে ওঠা এক আত্মিক বন্ধন। ‘গল্পের সময়’ শুরু হয়েছিল একটি স্বপ্ন নিয়ে—অন্যরকম গল্প বলার স্বপ্ন। যে গল্প দৈনন্দিনতার আড়ালে লুকিয়ে থাকে, যে […]
-
মাসি ও আশপাশের গল্পআমার মা বাবার থেকে আমার মাসিদের দরদ কিছু কম ছিল না। মায়ের নিজের যে বোন নেই ছোটবেলায় বুঝিনি তা, দেখতাম আমার মেজ, সেজ, নমাসি, ফুল, কনে, রাঙা, নতুন, ছোট হয়ে যখন আর আঙুলে ধরত না, তখন নাম ধরে ধরে মাসি হত। যেমন পেরু, রীনা, বুড়াই, পুতুল, গীতু, মেমু, বুটা, ঢেঁপি। তারপরে তো মাসিরাই আমার সমবয়সী […]
-
উই ওয়ান্ট জাস্টিস(বর্বর লালসায় নিহত তরুণী চিকিৎসকের স্মৃতিতে) এক কোনো কোনো রাতে সমস্ত নক্ষত্র নিয়ে জেগে থাকে আকাশ৷ সেই রাত তেমনই ছিল৷ কোনো কোনো রাতে নক্ষত্র আর মানুষের চোখ লক্ষ কোটি জাগরণ ঘটিয়ে তোলে৷ সেই রাত তেমনই ছিল৷ কোনো কোনো রাতে মানুষের স্পর্ধা শাসকের সব উচ্চারণ উচ্ছিষ্ট করে দিতে পারে৷ সেই রাত তেমনই ছিল৷ অনেক উঁচু […]
-
মহানগর ও আরও দুটি গল্প।। উত্তরণ ।। ওয়েটিংরুমের বড়ো ঘড়িটায় রোমান দুটো বেজে গেছে ! নিশিকান্ত ত্রিবেদী হাতের চা তাড়াতাড়ি শেষ করার দিকে মন দিলেন। পাটনা জংশন স্টেশনের আপার ক্লাস ওয়েটিংরুমের যাত্রীস্বাচ্ছন্দ্য বেশ ভালো। প্রশস্ত হল, বসবার চেয়ারের ডিজাইন আধুনিক । গোটাচারেক স্প্লিট এয়ার কন্ডিশনার লাগানো আছে বটে কিন্তু এই নভেম্বর মাসে পাখাগুলোই চলছে। আর তারা অভাবিতভাবে শব্দহীন […]
-
তোমার কথা হেথা…তোমার কথা হেথা কেহ তো বলে না, করে শুধু মিছে কোলাহল। কোলাহল না বলে বোধহয় হট্টগোল বলাই ভালো। বড্ড বেশি হলাহল পান চলছে চারপাশে, উঠোনে, বারান্দায় এমনি ঘরের ভেতরেও। দশ বছর আগে , গল্পের সময়ের শুরুর দিনগুলোতেও বোধহয় আমাদের মধ্যে অনেকেই এরকম ভেবেছিল,লিখেছিলও হয়তো কোথাও। তারপর, গল্পের সময় শুরু হওয়ার পর, সূযর্কে দশবার প্রদক্ষিণ করেছে […]
-
বাজিশরৎকালের এক গভীর কালো রাত। এক বৃদ্ধ ধনী মহাজন নিজের লাইব্রেরীতে পায়চারি করছেন আর ভাবছেন পনেরো বছর আগের এমনই এক শরৎকালের সন্ধ্যার কথা। সেদিন তিনি বাড়িতে পার্টি দিয়েছিলেন। অতিথি অভ্যাগতরা যারা এসেছিলেন, তারা প্রায় সকলেই কথায় খুব তুখোড়—কথাবার্তাও বুদ্ধিদীপ্ত ও চিত্তাকর্ষক। অনেক বিষয়েই আলোচনা হচ্ছিলো, তার মধ্যে একটি ছিল মৃত্যুদন্ড। বেশীরভাগ অতিথি, বিশেষ করে যারা […]
-
কালো ময়ূরী ও কারনেশনদিগন্তে কালো রেখা মাঝে মাঝে দপ দপ করছে, যেভাবে অনেকক্ষণ পড়ে থাকা নিভন্ত মশাল ধিক ধিক করে ওঠে। ঘৃণার মধ্যে মনে কেমন কাম জেগে ওঠে তার অন্ধ তমোময় দীপ্তি একটা তো আছে। এতো যে দ্বেষ কালিমায় পুঞ্জীভূত রাগ তা তো তুষের আগুন। শত্রু নারীদের ধর্ষণ ও যৌন অত্যাচারের পরিণতিতে মৃত্যু আবহমান বিজয়ের সেতু চিহ্ণ। সেহেতু […]
-
রক্তএতক্ষনে আসার সময় হল?তোমার জন্য অফিস-কাছারি বন্ধ করে দিতে হবে দেখছি।প্রায়ই কাজে আসতে দেরি করে মিনতি। সময়ে রান্নার লোক না এলে শুধু অফিসে দেরি হয়, তাই নয় –সারা দিনের রুটিনটাই জট পাকিয়ে যায়। আজও দেরি করায় মেজাজ হারিয়ে কড়া কথা বলে দিতি। তার কথার জবাব না দিয়ে সোজা রান্নাঘরে ঢুকে যায় মিনতি। জবাব না পেয়ে […]
-
টিকটিকি ও অন্য গল্পটিকটিকি -কিচ্ছু না, কালপ্রিট তুমি নিজে। কতবার পই পই করে বারণ করেছি, বার বার সাবধান করেছি প্রোফাইল লক করো, প্রোফাইল লক করো, সবাই করছে। এটাও খেয়াল করোনি। নিজে এথনিক হ্যাকিং টেকনোলজি নিয়ে পড়াশোনা করেও যদি এটুকু বুদ্ধি না হয় তাহলে এখন কান্নাকাটি করছ কেন? আমাদের ছবি ছড়িয়ে ওরা ভাইরাল করছে বলে! একটানে কথাগুলো বলে একটু […]
-
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের মুখোমুখি[ এই মুহূর্তে বাংলা সাহিত্যের অভিভাবক সমান, শীর্ষস্থানীয় সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের দীর্ঘ এই সাক্ষাৎকারটি ইতিমধ্যেই প্রকাশিত। ২০১২ সালে এটি প্রকাশিত হয় বিখ্যাত অনুবাদক ও সম্পাদক অনিন্দ্য সৌরভের নিজস্ব ‘শিল্প ও সাহিত্য’ পত্রিকায়।অনিন্দ্য সৌরভের অনুমতিক্রমেই এই মূল্যবান আলাপটি ‘গল্পের সময়’ এর পাঠকদের জন্য ফের প্রকাশ করা হল।] অনিন্দ্য সৌরভ: আপনার সৃষ্টি করা বেশ কিছু চরিত্র […]
-
গাবগুবি তার একলা আছেঅরুণদার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় ১৯৭৪-১৯৭৫ এ। তখন সবে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে কলেজে ঢুকেছি। অরুণদা তখন হিন্দমোটরে কাজ করে। ‘শ্রীরামপুর স্টেশনে মহুয়া গাছটিকে’ লেখা হয়ে গিয়েছে। আমার শহরের আর এক কবি সমর বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় নিয়ে গিয়েছিল চন্দননগরের শুকসনাতনতলায় অরুণদার বাড়িতে। লিটল্ কার্লমাক্সকে দেখে সেদিন সদ্য যুবক চমকে উঠেছিলাম। সেদিন কয়েকটা কবিতা শোনার পর স্বভাব বাউল […]
-
এক বিস্মৃতপ্রায় সঙ্গীতকার[ মূল্যবান এই লেখাটি লেখা হয়েছিল অনেক আগেই, সেই আশির দশকে।সম্পাদক সাগরময় ঘোষের অনুমতিক্রমে এই বিস্মৃতপ্রায় সঙ্গীতকারের কথা প্রকাশ পাওয়ার কথা ছিল সেই সময়ের ‘দেশ’ পত্রিকার পাতায়।কিন্তু বিশেষ কারণে তা না হওয়ায় এতদিন লেখাটি অজান্তেই বাক্স বন্দি হয়ে পড়েছিল লেখকের কাছে। হঠাৎ তা মিলে যাওয়ায় লেখক তা সরাসরি পাঠিয়ে দিয়েছেন ‘গল্পের সময়’কে।] ১৯৩২ সালের গোড়ার […]
-
ফিরে দেখা – দেখি নাই ফিরেফিরে দেখলাম। তবে বড্ড দেরিতে। অথচ ঘরেই ছিল সে, এতকাল। ভালো করে নজরই করিনি। সেই যে.. তা সবে অবোধ আমি, অবহেলা করি… এতকাল অবহেলাই করেছি। পরধন লোভে মগ্ন হয়েছিলাম কিনা, তা জানি না, তবে অবহেলা করেছি। কতটা অবহেলা করেছি, তা বোধগম্য হল, দেখি নাই ফিরে শেষ করার পর। রামকিঙ্কর বেইজের জীবন নিয়ে লিখেছেন সমরেশ বসু। […]
-
ধূমপান, বাঙালি ও বাংলা সিনেমাশিরোনামেই যেখানে ধূমপানের সঙ্গে বাঙালি ও বাংলা ছবি যুক্ত হয়েছে তখন বাঙালির সঙ্গে অন্য প্রদেশের মানুষ এবং বাংলা ছবির সঙ্গে অন্য ছবির তুলনা আসবেই। এ কথা স্বীকার করে নেওয়া ভাল যে আমাদের হাতে এমন নির্দিষ্ট তথ্য বা পরিসংখ্যান নেই যা থেকে বাঙালি ও অন্য প্রদেশবাসীর ধূমপানের অভ্যাস অথবা বাংলা ও হিন্দী ছবিতে ধূমপানের প্রতিতুলনা করা […]
-
কাপুরুষ এবং এক যুদ্ধের সমাচারকাপুরুষ ঘুমের ঘোরে হাত রেখেছিল অন্যের হৃদয়ে। হৃদয় উষ্ণ, তবে তাতে শোণিতের শব্দ ছিলো না। মুহূর্তে তার ভেতরে ককিয়ে উঠেছে কান্না। তার অন্তরাত্মা বৈশাখের ঝুরো ধুলোর মতো মাটিতে ছড়িয়ে থাকছে।সীমান্তে তখন সন্নাটা। এক্মুহূর্তের রাতশেষ। তবে কার বুকে সে হাত রেখেছিল? সে নারী না পুরুষ বুঝতে পারেনি তখন ঘোর ভয়ে। নিজে সে মেয়ে নয়। পাশ ফিরে […]
-
রূপাতীতবাতাসে শিউলিফুলের গন্ধ। নিশ্চয় চামেলিদের গাছে ফুল ধরেছে। আমাদের বাড়ির পেছন দিকে রান্নাঘরের পাশে একটা শিউলিগাছ ছিল। শোঁয়াপোকা হয় বলে বছর দুয়েক আগে কেটে ফেলা হয়। রান্নাকরা ডালে একটা শোঁয়াপোকা পড়ে-ছিল। সরলাপিসি আমাদের রান্না করে। সেই বলল গাছটা কাটিয়ে ফেলার কথা। বড় বাটি ভরতি পুরো ডালটা ফেলা গেল। দেখা গিয়েছিল তাই, নাহলে কারও পেটে চালান […]
-
মসসাএক রণধীর চৌবে গ্লাসে আর এক পেগ হুইস্কি ঢেলে নিয়ে আমার খালি গ্লাসের দিকে ইঙ্গিত করে সুশীলের দিকে ফিরে বললেন, তখন আমি পালামৌ ডিসট্রিক্টের এস পি, বুঝলে। পালামৌতে, আমাদের সাবেকি বাড়ির দুমাইলের মধ্যে ডালটনগঞ্জের ডিসট্রিক্ট কোর্ট এরিয়াতে আমার অফিস। পুরো কেরিয়ারের মধ্যে সেই একবারের পোস্টিং-এই বাবা, মা, দাদা, বৌদি সকলের সঙ্গে বছর দুয়েক থাকার সুযোগ […]
-
জীবন১ বৃষ্টি থেমে গেছে তাতো প্রায় সাত দিন হয়ে গেল। সুমিদের উঠোন থেকে জল নেমে গেছে। গত কয়েকদিন রোদের তেজ ছিল প্রখর। উঠোন মোটামুটি শুকিয়ে গেছে। তবু সুমি সাবধানে উঠোনের ধার ঘেঁষে হাটে। তাঁর মা কাঠ এবং কয়লার উনুনে রাঁধেন। সেই ছাই ফেলে একটা সরু চলার পথ করেছেন তিনি। তাঁদের বাড়ির সীমানায় কলাবতী ফুলের গাছ […]
-
এক চাঁদ চার তারাসেক্টর ফাইভ থেকে বাসে করে উল্টোডাঙা নামতেই খিদেটা চাগার দিল অনুষ্টুপের। শেষ খাবারটা খেয়েছে সেই দুপুরবেলা। বাড়ি থেকে দেওয়া টিফিনে আজ ছিল পরোটা, আলুর তরকারি আর মিষ্টি। আজ যেন একটু বেশিই খিদে পাচ্ছে। কী জানি কী হয়েছে।দুপুরের টিফিনটাও আজ টিফিন টাইম হতে না হতেই সাঁটিয়ে দিয়েছে। একটা বাজতে না বাজতেই অনুষ্টুপ টিফিন কৌটো খুলে বসায় […]
-
অ্যাক্টিভিস্ট১ ইস্যু ঘুরতে দেওয়া যাবে না। বার্নিং টপিককে আরও বার্নিং করে ধরে রাখতে হবে। ফোনের ওপারের কথা শুনতে শুনতে রাস্তার মোড়ের দোকান থেকে গোল্ড ফ্লেকটায় অগ্নিসংযোগ করল পঙ্কজ। তারপর দোকানের পেছনের দিকের ছায়াঘেরা বাবলা গাছটার নিচে বেঞ্চি পাতা সেফটি জোনে ঢুকে বাঁ হাতটা মোবাইলের নীচে ধরে ,কথা আড়াল করে, নিচু স্বরে বলতে শুরু করল – […]
-
ভেজা খড়ের গন্ধচামড়ার ওপর এসে পড়ে এক ফোঁটা ঠাণ্ডা জল। কেমন যেন কুঁচকে যায়। ঠিক কুঁচকে যাওয়া নয়, নিজেকে কেমন যেন গুটিয়ে নেয়। শুকনো বালির মধ্যে এক ফোঁটা জল এসে পড়লে যেমন হয়, চারপাশের পাড়ায় কেমন যেন একটা ধ্বস নামে। পাড়ায় পাড়ায় চাউর হয়ে যায় জল পড়ার খবর। তারপর শক্তির দিকে আস্তে আস্তে ঘেঁষে যাওয়া। কিছুতেই মুখ সরিয়ে […]
-
লক্ষ্মী-সরস্বতী।। ১।। আর বোলো না, কি দিনকাল পড়েছে ! তাই নয় তো কি? কাল রাতে কখন ফিরেছে জানো ? কখন ? সাড়ে বারোটা ! ভুতুর বাবা স্মোক করতে উঠেছিল, ব্যালকোনি থেকে দেখেছে। জানোই তো তিন দিন ওয়ার্ক ফ্রম হোম, তার উপর বিজি সিজন, মাঝে মাঝে রাতভর জাগতে হয় গো লোকটাকে ! হ্যাঁ। পুরুষ মানুষ হলে […]
-
উন্নয়নদুর্গাপুর থেকে বিষ্ণুপুর যাচ্ছিলাম সপরিবারে। সাত বছরের মেয়ের চোখে অপার বিস্ময়, অসীম আনন্দে চিকচিক করছে দুটো চোখ-মা দেখ কি সুন্দর গাছ, মা, কত সবুজ! মা কি পাখি ডাকল? প্রকৃতি প্রেমীর প্রশ্নবাণ থেকে বাঁচবার জন্য মেয়ের বাবা খবরের কাগজের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে ফেলেছেন। আশা করছেন আড়াই ঘণ্টার পথ এই ভাবেই কাটবে। পুজোর আগমনী বার্তা জানিয়ে রাস্তার […]
-
ছবিসুরবালার বয়স এখন প্রায় পঁচাশি। মোটামুটি নিজের সব কাজ সে নিজে করতে পারে। শুধু চুল আঁচড়াতে গেলে বড্ড হাত ব্যথা করে। হাতটা উঁচু করতে গেলেই যত বেদনা। ছেলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়েছিল। ওষুধ মালিশ এসব করলে একটু উপশম হয় । সুরবালা বুঝে গেছেন যে এই বয়েসে এর বেশি কোন কিছু আশা করা ঠিক নয়। তিনি […]
-
ডিলিটপাড়ার প্রদীপ বোধহয় পটাই হয়ে যাওয়ার পর থেকেই বদের গাছ হয়েছে একখানা। হেন দুষ্কর্ম নেই যে পটাই করে না। তোলাবাজি মস্তানি গুন্ডামি মেয়েদের টিজ করা সব কাজে সে সিদ্ধ হস্ত। এহেন পটাই কে সবাই এড়িয়ে চলবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু চলবো ভাবলেই তো আর চলা যায় না। বিশুর চায়ের দোকানের বেঞ্চিতে ঘুম চক্ষুটি খুলেই ব্রাশে মাজন […]
-
দুটি গল্পভাষা-শহিদ কে জানত একটা কথা থেকেই এত ঝামেলার সৃষ্টি হবে। পটাই মেয়েটার সামনে দাঁড়িয়ে গদাইকে বলেছে – অত ভাবার কিছু নেই।ভাল লাগলে বলে দে-আই লেবু। ব্যস ওখানেই শুরু হল নতুন বিপ্লব।এলাকার দাপুটে নেতা ও কাউন্সিলর সত্যেনদাকে সঙ্গে নিয়ে পাড়ার মোড়েই ধরেছিল পটাইকে।দলের ছেলেদের সামনেই গরম নিতে আরম্ভ করল আর তারপরই শুরু হল মেয়ের বাবার […]
-
এক সওদাগরের ‘সপ্তডিঙা ও অন্যান্য’সদ্য একটা ভালো বই পড়ে উঠলাম। ঠিক গল্প, উপন্যাস কিম্বা প্রবন্ধ নয়, তবে এই বইটিতে সব রসদই মজুত। বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক শঙ্কর ঘোষ এর লেখার একটি সংকলন- সপ্তডিঙা ও অন্যান্য। নোয়াখালি মার্চে সাংবাদিক হিসেবে গান্ধীজির সঙ্গী ছিলেন তিনি, প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রনেতাদের সফর সঙ্গী শঙ্করবাবু প্রশাসন এবং রাজনৈতিক সাংবাদিকতার চাপ সামলেও নিয়মিত বই রিভিউ […]
-
শারদ অধ্যায় ২০২৪[ চারিদিকেই যেন আজ অসুখ।একজন মানুষকে ভরসা,বিশ্বাস করতে পারছেন না আর একজন মানুষ। একজন মানুষের ধর্ম,ভাষা,আর্থিক পরিস্থিতি থেকে গায়ের রঙ, লিঙ্গ তাকে আলাদা করে রাখছে অন্যদের থেকে। সভ্য বলে বড়াই করলেও আজও নিরাপত্তা নেই নারীর, শিশুর বাসযোগ্য হয়ে ওঠেনি এই সমাজ।কুকথা, কুযুক্তিতে ভরে যাচ্ছে তার দেওয়ালগুলো। গভীর সব অ-সুখ ঘিরে ধরছে আমাদের।করোনাকালে ‘উৎসব’ কথাটা সচেতনভাবে বর্জন […]
-
সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের মুখোমুখি[বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ব্যতিক্রমী কথাসাহিত্যিক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের দীর্ঘ এই সাক্ষাৎকারটি ইতিমধ্যেই প্রকাশিত। বিখ্যাত অনুবাদক ও সম্পাদক অনিন্দ্য সৌরভের অনুমতিক্রমেই এই মূল্যবান আলাপটি ‘গল্পের সময়’ এর পাঠকদের জন্য ফের প্রকাশ করা হল।] অনিন্দ্য: সাহিত্য সৃষ্টিতে কীভাবে এলেন? বাড়িতে কি লেখালেখির অনুকূল পরিবেশ ছিল? সিরাজ: জ্ঞান হবার পর থেকেই বাড়িতে প্রচুর বই-পত্র দেখেছি। এরই মধ্যে বেড়ে […]
-
কৃকলাশতাহলে আমরা যাচ্ছি কি না লাস্ট শো-এ ? তাড়াতাড়ি ঠিক করে বল, টিকিট বুক করবো তো ! প্রমথ দুই বন্ধুদের দিকে তাকিয়ে বললো। তিনজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু কানপুর ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজে ইলেকট্রনিক্সের ছাত্র, প্রমথ ডে স্কলার, বাকি দুজন হোস্টেলবাসী । শনিবারের দুপুর থেকে প্রমথর বাড়িতে এসে খাওয়া দাওয়া আর জোর আড্ডা দিচ্ছে সুজন আর অনন্ত। ওদের দুজনের […]
