14 Oct

ক্যানসার

লিখেছেন:শুক্লা মালাকার


এক

এখন মনে হচ্ছে পৃথিবীটা বড্ড ছোট আর গোল।  ওই ডাক্তারবাবুর সঙ্গে ঠিক দেখা হয়ে যাচ্ছে।  কোনভাবে আবিরার শ্বশুরবাড়িতে কথাটা জানাজানি হলে সমাজে মুখ দেখানো বন্ধ হয়ে যাবে। লালা! মেরে গোপাল! রক্ষা করো। পরিবারের সম্মান তোমার হাতে!

আজ বেশী করে লাড্ডু বানিয়েছেন আবিরার মা আশাদেবী। তার গোপালকে সন্তুষ্ট করার জন্য ঘুষ দিচ্ছেন। বিয়ের আগেই আবিরার একটা ভয়ানক অসুখ হয়েছিল। যে ডাক্তারবাবুর কাছে চিকিৎসার জন্য গেছিলেন বেরাদিরির এত পরিবারের সঙ্গে তার চেনাজানা আছে জানলে তার কাছে যেতেন না। আবিরা মা হবে। কাকাদিয়া পরিবারের এই জেনারেশানের প্রথম বাচ্চা। সেই উপলক্ষে গতকাল ওবাড়িতে সত্যনারায়ণের কথা ছিল। সেখানেও ডাক্তারবাবু হাজির। ভীষন ঘাবড়ে গেছিলেন। আড়াল থেকে ফোন করে হাতে পায়ে ধরে অনুরোধ করেছেন যাতে কথাটা কেউ জানতে না পারে। এখন গোপালই ভরসা।

 

দুই

কিছুদিন থেকেই আবিরা বারে বারে বলছিল তার বাঁদিকের বুকে লাল হয়ে ফুলে আছে আর ব্যাথা করছে, ভীষণ চুলকোচ্ছে। আশাদেবী নিজেও দেখেছিলেন পাতিলেবুর  মতো ছোট্ট শক্ত একটা ডেলা।  হাউজ ফিজিশিয়ন কে ডেকে দেখালেন। তিনিই একজন স্পেশালিষ্টের সঙ্গে অ্যাপয়েনমেন্ট করিয়ে দিয়েছিলেন। এইসব মেয়েলি ব্যাপার বাড়ির ছেলেদের জানানোর প্রয়োজন মনে করেন না আশা। নিজেই সব ব্যবস্থা করলেন।

বড় ডাক্তারের কাছে যেতেই হাজার কিসিমের টেস্ট করালো। একগাদা ওষুধ, মলম। শেষে একদিন তাকে একা ডেকে পাঠালো। ততদিনে লাল ভাবটা কমে এসেছে, চুলকুনি নেই।

–     আপনার মেয়ের ইমিডিয়েট অপারেশন দরকার। না হলে রোগ ছড়িয়ে পড়বে। খরচ একটু বেশী। তবুও বলছি করিয়ে নিন মেয়েটা বেঁচে যাবে।

–     মানে! খরচের কথা ভাববেন না। দশ-বিশ লাখ টাকা লাগলেও দিতে পারবো। মেয়েটাকে সারিয়ে তুলুন।

–     তাহলে তো কোন কথাই নেই। সামনের মঙ্গলবার ভর্তি করে দিন। অপারেশনের পর ওকে একটু কাউন্সিলিং করিয়ে নিলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।

–     কেন? কি হয়েছে ওর!

–     না মানে দেখুন! এত বাচ্চা একটা মেয়ে। এখনই একটা ব্রেস্ট বাদ চলে গেলে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়তে পারে।

–     কি বলছেন ডাক্তারবাবু! ব্রেস্ট বাদ যাবে কেন?

–     ওর বাঁদিকের ব্রেস্টে টিউমার হয়েছে যেটা ক্যানসার হয়ে যেতে পারে।  তাই অপারেশন করে বাদ দিলে বিষ ছড়াতে পারবে না।

–     মাথা খারাপ নাকি! সামনে ওর বিয়ে। এখন অমন অপারেশন করলে বিয়েটাই ভেঙে যাবে।

–     কিন্তু অপারেশন না করালে যে মেয়েটাই মরে যেতে পারে।

–     যেতে পারে বলছেন, মানে হল ঠিক হয়েও যেতে পারে। অপারেশন ছাড়া যেভাবে হয় ভালো করে দিন ডাক্তার বাবু।

–     অপারেশন ছাড়া আর তো কোন উপায় আমার জানা নেই ম্যাডাম।

মিনিট দুই গভীর চিন্তার পর আশাদেবী পথ খুঁজে পেলেন।

–     ঠিক আছে ডাক্তারবাবু। আপনি দিন পনেরর মতো ওষুধ দিয়ে দিন। ততদিনে টাকা জোগাড় করে ওকে ভর্তি করে দেব। একটা অনুরোধ! ডাক্তার ঘোষ, আমাদের হাউজ ফিজিশিয়ন, ওনাকে কথাটা জানাবেন না প্লিজ!

–     সে ঠিক আছে! মাথায় রাখবেন, যত তাড়াতাড়ি অপারেশন হবে, মেয়ের বাঁচার চান্স তত বেশী।

 

তিন

প্রিটোরিয়া স্ট্রীট ধরে শান্তিনিকেতন বিল্ডিঙের দিকে যাচ্ছেন আশাদেবী। হাতে ঠিকানা লেখা কাগজটা আরো একবার দেখে নিলেন। এদিকটা তিনি চেনেন না। জানাজানির ভয়ে ড্রাইভারকেও সঙ্গে আনেন নি। যথারীতি কানাগলিতে আটকে গেলেন। শেষমেশ একটা ভিখিরির মতো লোক তাকে বাড়িটা দেখিয়ে দিল। এই ধরনের লোকেদের সঙ্গে কথা বলা তো দুর, ছাওয়া মাড়াতেও ঘেন্না করে।

মেয়েটার জন্য কি কি করতে হচ্ছে। দুমাস বাদে রোকা, তারপরই হুড়মুড় করে বিয়ে এসে পড়বে। তার মধ্যে এই ঝামেলা।  কাকাদিয়াদের বিশাল ব্যাবসা, বিয়েটা হলে প্রচুর কানেকশন বেড়ে যাবে। তাদের মুলানি পরিবারের বড়বাজারের কয়েকটা গদি ছাড়া বিশেষ কিছু নেই। কত্তাবাবু স্বপ্ন দেখছেন কাকাদিয়াদের সাহায্যে ছেলেদুটো মুলানি ইন্ডাস্ট্রি করবে।  পেপার ঘেঁটে এই ঠিকানা বের করেছেন। ধন্বন্তরি ডাক্তার! বড়ো বড়ো আসুখ সারিয়ে দিতে পারেন।

আধঘন্টা অপেক্ষা করে আরও আধঘন্টা ধরে সেই ধন্বন্তরির সঙ্গে কথা বলে হাসি মুখে বেরিয়ে এলেন আশাদেবী। বুকের ভার হালকা হয়ে গেছে। পড়শু এসে ওষুধটা নিয়ে গেলেই একেবারে নিশ্চিন্ত। বাড়ি ফিরে ডায়েরি খুলে বিয়ের কাজে ব্যস্ত হলেন।

প্রস্তুতির ফাঁকে ফাঁকে মেয়ের দিকে কড়া নজর রেখে চলেছেন আশা। নিয়মিত ওষুধ খেয়ে অনেকটাই সুস্থ আবিরা। এখন দেখে বোঝাও যাচ্ছে না অমন সাঙ্ঘাতিক র‍্যাশ বেরিয়েছিল।  আবিরা শুধু মাঝে মাঝে যন্ত্রনা ভোগ করে। মাকে বললে একটা পেইন কিলার খেতে বলেন। আবিরাও ভয়ে কাউকে কিছু বলে না।

বিয়ের পরও আশাদেবী সেই ধন্বন্তরির কাছ থেকে লুকিয়ে ওষুধ এনে দিয়েছেন আবিরাকে। মেয়েকে বলেছেন চুপিচুপি খেয়ে নিতে।  ভালো থাকতে হলে এ ওষুধ খেয়ে যেতে হবে, বন্ধ করলেই বিপদ।  আবিরা দিব্যি সুখে সংসার করছে। গা ভর্তি গয়না পরে দুটো চাকর নিয়ে যখন বাপেরবাড়ি আসে সুখে আশাদেবীর বুক ফুলে যায়। বিয়ের ছমাসের মাথায় হিসেবমতো মুলানিরা উলুবেড়িয়ার দিকে একটা কারখানা কিনে নিয়েছে জলের দরে। জামাইয়ের পরিচিত একজনের কাছ থেকে খবরটা এসেছিল। এবার ছেলে দুটোর উন্নতি আটকায় কে। আত্মীয় স্বজনের ইর্ষার দৃষ্টিতে ভিজে আশাদেবী অদ্ভুত এক ভালোলাগা উপভোগ করেন।

অস্বস্তি একটাই সেই ডাক্তারবাবুর সঙ্গে প্রায়ই দেখা হয়ে যাচ্ছে। সময় বুঝে এড়িয়ে যেতে পারছেন ঠিকই তবুও বুকের মধ্যে ধুকপুকানি বেড়ে যায়। ওদিকে মেয়েটাকে কেমন শুকনো শুকনো লাগছিল আগরওয়ালদের পার্টিতে। বাড়ি ফিরে তিনি মেয়েকে নিমন্ত্রণ করার অজুহাত খুঁজতে লাগলেন।

 

চার

কড়াই পনীর দিয়ে ঘিয়ে মাখোমাখো দুটো পরোটা খেয়ে আশাদেবী টিভি খুলে বসেছেন। কাল রাতে ‘ইয়ে হ্যাঁয় মোহাব্বতে’র এপিসোড মিস হয়ে গেছে। খুব ইচ্ছে করছিল আর একটা পরোটা খেতে, কিন্তু ডায়েট না করলে নানা রোগে ধরবে। সিরিয়ালের শাশুড়িদের মতো তিনিও ইয়ং থাকতে চান। বড় ছেলের জন্য মনে মনে একজনকে পছন্দ করেছেন। কারখানাটা ঠিক মতো চালু হলেই কথাবার্তা শুরু করবেন।

ঝং ঝং করে টেলিফোন বেজে উঠলো। নির্ঘাত আবিরার শশুড়বাড়ির ফোন। মোবাইলের যুগেও ওরাই শুধু বনেদিয়ানা দেখাতে ল্যান্ডলাইনে ফোন করে।  রিসিভার কানে নিয়ে কথা বলতে বলতে আশার মুখ উজ্বল হয়ে উঠলো। ফোন রেখে গুনগুন করে সুর ভাজতে ভাজতে অনেকদিন পর আজ পানমশলা খেলেন। সাইড এফেক্টের ভয়ে আজকাল আর বেশী খান না। কিন্তু এমন খুশীর খবরে নেশাটা চাগাড় দিল। আবিরা মা হতে চলেছে। তাই সেদিন ওর মুখচোখ অমন কালচে লাগছিল! গোপাল! এবার কাকাদিয়া পরিবার মুলানিদের আরো খাতির করবে। মুলানিদের মেয়ের পেটে ওদের বংশধর।  মনের সুখে তিনি সিরিয়ালে মন দিলেন।

 

পাঁচ

আবিরার শরীরটা ভীষণ কাহিল হয়ে পরেছে। মেয়ের প্রথম সন্তান মায়ের কাছেই হয়। সেই নিয়ম মেনে মাসখানেক হল আশা মেয়েকে কাছে রেখেছেন। জামাইয়ের মা রোজ একবার করে ফোনে খবর নেন। আবিরা যে ছেলের জন্ম দিতে চলেছে সেটা এখানে পাঠানোর আগেই জানিয়েছিলেন তিনি। তাদের বংশের উত্তরাধিকারী আসছে তাই ঠিকমতো খেয়াল রাখা হচ্ছে কিনা খুটিয়ে জানতে চান। রাগ হলেও কিছু বলেন না আশা। নিজের মেয়ের খেয়াল তিনি রাখতে পারবেন না একথা শুনলে সকলেই হাসবে।

কিন্তু চিন্তার কারন হচ্ছে মেয়ের সেই রোগটা আবার দেখা দিয়েছে। ধন্বন্তরির ওষুধটা একদিনের জন্যও বন্ধ হয় নি, তবুও ঠিক হল না! এখনতো বুকের অনেকটা জায়গায় লাল চাকা হয়ে ফুলে উঠেছে। মাঝে মাঝে এত যন্ত্রণা হয় যে আবিরা ছটফট করে। পেইন কিলারেও কাজ হয় না। ডাক্তার ঘোষ কে ডাকিয়ে পেটের ব্যাথা বলে ইঞ্জেকশন দিলে তবে কমে। এতে বাচ্চার ক্ষতি হতে পারে।

অনেক ভেবে আশা আবার সেই স্পেশালিষ্টের কাছেই গেলেন। ডাক্তার ঘোষ বলেছিলেন উনি কলকাতার সবচেয়ে ভালো অনকোলজিস্টদের একজন। আবিরাকে দেখেই বললেন

–     করেছেন কি? তখন অপারেশনটা করান নি? আমি তো ভেবেছিলাম অন্য কোথাও থেকে অপারেশন করিয়ে নিয়েছেন। ব্রেস্ট সার্জারি করিয়েছেন। সেই কারনেই কাউকে না বলার জন্য আমাকে অনুরোধ করতেন।  এ যে দেখছি হয়ে এসেছে।

–     মানে? আচ্ছা দাঁড়ান! আবিরা! যা তো একটু বাইরে গিয়ে বস। আমি ডাক্তার বাবুর সঙ্গে কথা বলে আসছি।

আবিরা এতক্ষণ অবাক হয়ে শুনছিল ডাক্তারের কথা। সে বুঝতেই পারছে না কিসের অপারেশনের কথা বা সার্জারির কথা বলা হচ্ছে। মা তো তাকে বলেছিল ডাক্তার বাবু ওষুধ দিয়েছেন, যেগুলো সে এতদিন খেয়ে চলেছে। তার ইচ্ছে হচ্ছিল বাকি কথা শোনার। কিন্তু বসে থাকলে মায়ের মেজাজ সহ্য করতে হবে। তার শরীর এত দুর্বল হয়েছে যে অল্প চেঁচামেচিও নিতে পারবে না। চুপচাপ বাইরে গিয়ে বসল।

আবিরা চলে যেতেই ডাক্তার বাবুর হাত দুটো জড়িয়ে ধরলেন আশাদেবী।

–     মেয়েটাকে বাঁচান ডাক্তারবাবু। ও যে মা হতে চলেছে।

–      অ্যাঁ! কি বলছেন আপনি! এই শরীরে এত ধকল নিচ্ছে কি করে মেয়েটা!

–      আচ্ছা টেস্টগুলো আবার লিখে দিচ্ছি। রিপোর্ট নিয়ে আসুন, দেখি কি স্টেজে আছে তারপর বলতে পারবো।

দিন সাতেক পর রিপোর্ট দেখে ডাক্তারবাবু অনেকক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন

–     আপনি একা এসেছেন?

–     হ্যাঁ! কেন বলুন তো?

–     খবর ভালো না ম্যাডাম। বিষ অনেকটা ছড়িয়ে পড়েছে। কিছুই করার নেই। এখন শুধু অপেক্ষা।

আশাদেবী কেঁদে ফেললেন।

–     ডাক্তারবাবু! কিছুই কি করা যায় না।

–     আমি আশা দেব কি করে। রিপোর্ট যা বলছে তাতে বড় জোর মাসখানেক।

–     মাত্র একমাস!

–     শান্ত হোন প্লিজ! এত ভেঙে পরবেন না। বুঝতে পারছি আপনার মনের অবস্থা। কিন্তু কি করবেন বলুন! সবই ভবিতব্য। খারাপ লাগছে ভেবে যে তখন যদি অপারেশনটা করিয়ে নিতেন তাহলে মেয়েটাকে বাঁচানো যেত।

–     ডাক্তারবাবু! অন্য কোনো ভালো স্পেশালিষ্ট জানা আছে?

–     সে তো অনেকেই আছে। আপনি চাইলে মুম্বাই নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু ফল সেই একই হবে। কেমো করার দিন পার হয়ে গেছে। যা কন্ডিশন কেমোর ধকল নিতে পারবে না।

–     অমন করে বলবেন না। প্লিজ একটু চেস্টা করুন!

–     এখন কান্নাকাটি করছেন! প্রথম অবস্থায় ধরা পড়ল অথচ আপনার কাছে তখন ওর বিয়েটা জরুরী ছিল। ক্যানসারের যন্ত্রণা কি ভয়ানক ভাবতে পারবেন না। অবাক হচ্ছি গত দুবছরে মেয়েটা সেই যন্ত্রণা সহ্য করেছে। তার ওপর প্রেগনেন্সির ধকল। উফফ! আপনার একটুও নজরে এলো না!

–     কি করব ডাক্তার বাবু! বিয়েটা পাকা হয়ে ছিল যে।

–     আমরাই বা কি করতে পারি বলুন! ভগবান তো নই! শরীরের ক্যানসারের চিকিৎসা করি। মনের ক্যানসার তো আর সারাতে পারি না!

–     আচ্ছা আপনাদের এখানে ডেলিভারি ওয়ার্ড আছে?

–     হ্যা! কেন বলুন তো?

–     আপনি একটু বলে ভর্তি করিয়ে দিন আবিরাকে। ওর আট মাস চলছে। সামনের সপ্তাহে গোদভড়াই হয়ে গেলে সিজার করে নিতে হবে। তাহলে ছেলেটা বেঁচে যাবে।

–      ছেলে! কার কথা বলছেন?

–     ওর পেটের ছেলেটার কথা বলছি ডাক্তারবাবু।

–     ছেলেই আছে আপনি জানলেন কি করে? এসব তো এখন বেআইনি!

–     টাকা ফেললে সব হয়। আবিরার শ্বাশুড়ি জেনে নিয়েছেন। মেয়েটা মরে গেলে ওরা জামাইয়ের আবার বিয়ে দেবে। ব্যাবসার জন্য কাকাদিয়াদের সঙ্গে সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখা খুব জরুরী। আপনি এটুকু করে দিন ডাক্তারবাবু! ছেলেটাকে বাঁচাতেই হবে।

Tags: , ,

 

 

 




  • খোঁজ করুন

  • পুরানো সংখ্যা




  • আমাদের ফেসবুক পেজ

  • মতামত

    আপনার মন্তব্য লিখুন

    আপনার ইমেল গোপনীয় থাকবে।




    Notify me when new comments are added.

    যোগাযোগ


    email:galpersamay@gmail.com

    Your message has been sent. Thank you!

    গল্পের সময় পরিবার
    সমীর
    অগ্নীশ্বর
    দেবাশিস
    চিন্ময়
    পার্থ
    মিতালি
    জাগরণ
    দেবব্রত

    © 2016 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ