পুরানো সংখ্যা:

  1. শিল্পের মশাল/সম্পাদকীয়

    ‘গল্পের সময়’।‘সময়’এই কথাটির আন্তর অভিঘাতে আমরা কি কখনও ডাকঘরের অমলের মতো অনেক রাতে বিছানায় উঠে বসে শুনেছি কি –“…বাইরের কোন্ অন্ধকারের ভিতর দিয়ে ঘন্টা বাজছে ঢং ঢং ঢং।” অথবা যেখানে সে ফকিরকে বলছে – “ কত দিন কত রাত ধরে সে কেবলই নেমে আসছে। পাহাড়ের পায়ের কাছে ঝরনার পথ যেখানে ফুরিয়েছে সেখানে বাঁকা নদীর পথ […]

  2. দিব্যেন্দু পালিতের মুখোমুখি

    [ সাক্ষাৎকারটি উত্তরবঙ্গ থেকে প্রকাশিত ‘চিত্রকল্প’ পত্রিকায় ২০১৯ সালে প্রকাশিত।সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিল ২০১৬ সালের ১৩ নভেম্বর।লেখক,অনুবাদক অনিন্দ্য সৌরভের সৌজন্যে তা ‘গল্পের সময়’-এর পাঠকদের জন্য তা ফের প্রকাশিত হল।] অনিন্দ্য :   লেখার সময় আপনার উপন্যাস কি অতর্কিতে বাঁক নেয়,  নাকি সমস্তটাই আগে থেকে ছকে নেন ? দিব্যেন্দু :  যে কোন লেখাই স্থিরীকৃত পথে না- চলার সম্ভাবনাই […]

  3. ঘনাদা-মন্দার বোস সংবাদ

    [ মাঝে মাঝে স্বপ্নে কিংবা জাগরণে এমন কিছু মানুষজনের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ হয়ে যায় যারা আমার বহুকালের চেনা অথচ কোথাও যেন অচেনাও বটে। সেইসব সাক্ষাৎকারের গল্প শুনে বন্ধুরা হাসে, বিশ্বাস করতে চায় না, ভাবে গুল মারছি। তাই আমার নিজের কথাগুলো নিজের কাছেই রেখে দিই আজকাল। তেমনই একটা অভিজ্ঞতার কথা লিখলাম এইখানে, সেইসব পাঠকের ভরসায় যারা এখনও […]

  4. মা, সেজোমামা আর আমাদের রেডিওটা

    গনেশ চ্যাটার্জির মেয়ে বোধহয় এবার হেরেই যাচ্ছে।   ছমাস ধরে। রোজ একটু করে। আরেকটু করে।   মা এখন হাঁটতে গেলে পড়ে যায়।  দোতলার বারান্দার জানালা দিয়ে রামুকে আর বকেনা – বাগানের কাজে ফাঁকি দিলেও।   কল্পনাকে ব্যাগের থেকে টাকা বের করে বাজার করতে দেয়না আর।   সে ব্যাগটাই হারিয়ে গেছে কবে।  চেনা মুখগুলো হারিয়ে যাচ্ছে স্মৃতি থেকে।  সুখ দুঃখের কত স্মৃতির অনুক্রম বদলে যাচ্ছে। প্রতিদিন।  মাকে আজকাল বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়নি কতদিন ।   আমার ভাইপো সমীর ডাক্তার ছিলো। অনেক ভালো ভালো […]

  5. মহালয়া মানেই মন কেমন

    আমাদের মহালয়াতে রেডিও ছিল। কাশফুল ছিল, খড়ে নদীর ধারে বেড়ানো ছিল। ভোরবেলা তখন শিশির পড়তো, হিম হিম ঠাণ্ডা লাগতো। বীরেন ভদ্র তখন বছরে একবারই শোনা যেত, যখন তখন ক্যাসেট চালানোর রেওয়াজ ছিল না। একেবারে তিথি মেনে দেবীপক্ষের সূচনাতেই তাঁর জাগো জাগো মা শুনে আমাদের মন কেমন করে উঠত। দেখতুম বাবা মায়ের মুখে হাসি, চোখে জল। […]

  6. অন্য ভূমিকায়

    ‌ ( এক ) —  কীসব আবোলতাবোল কথা বলছিস  পাগলের মতো।এ হয়না,কখনও হতে পারেনা। নিজের চিৎকারে নিজেই চমকে উঠলো দীপক। স্বাতী পাশেই দাঁড়িয়ে। দীপক আর স্বাতীর হাত দুটো বরুণ তখনও তার দু’হাতের তালুর মধ্যে বজ্রমুষ্টিতে ধরে আছে। হাসপাতালের কেবিনে সেই মূহূর্তে ওরা তিনজন। একটু পরে হাসপাতালের লোকেরা ট্রলি নিয়ে আসবে । বরুণকে নিয়ে যাবে আইসিসিইউতে। […]

  7. অঘনাশন

    ১  পাদুটো মুঠোয় ধরে উলটো করে ঝুলিয়ে দ্রুত পিঠে হালকা কয়েকটা চাপড় মারার পরই বেবী কেঁদে উঠলো । ওটি নার্স, ডাক্তার অলোক, পেডিয়াট্রিশিয়ান আর এনাসথেটিসটদের সারজিক্যাল মুখোশ ঢাকা  মুখগুলো  থেকে একটা ক্ষীণ ও-ও আওয়াজ বেরিয়ে এলো ।     সুমিতাভ হাঁফ ছেড়ে একটা নিশ্বাস নিয়ে তাড়াতাড়ি বাঁপাশে দাঁড়িয়ে থাকা নার্সের প্রসারিত হাতের মধ্যে বেবিকে দিয়ে […]

  8. হজম শক্তি

    বৃটিশ আমলে যখন গঙ্গার ধারের শহরতলিতে চটকল ও অন্যান্য কলকারখানা গড়ে উঠলো তখন বাঙালি শ্রমিক হতে রাজি হয়নি। মধ্যবিত্ত শ্রেণি একচেটিয়া ভাবে অফিসে বাবু শ্রেণির কাজ করেছে। কিন্তু নিম্নবর্গের মানুষজন কারখানায় কাজ করতে আসেনি। এই সমস্ত কাজ একচেটিয়া ভাবে বিহার থেকে আসা মানুষের দখলে চলে যায়। এদের সঙ্গে আসে বিহারের দলিত শ্রেণির মানুষ। সাফাইওয়ালার কাজে […]

  9. নষ্ট মেয়ের গল্প

    “ হ্যাঁ রে হিয়া , তোর শরীর ঠিক আছে তো ?” লতা জানতে চায় । “ হ্যাঁ । কিন্তু হঠাৎ তুমি জানতে চাইছ কেন !” হিয়া অবাক হয়ে বলে । “ না, এ মাসে তো ঘরের পেছনের দড়িতে কিছু দেখলাম না ! তাই বললাম আর কি ।“ এমনিতেই তো সারাটা দিন মেয়েটার সাথে কথা হয় […]

  10. ভাইরাস

    একটানা প্রায় ঘন্টা দুয়েক বকবক লোকাল চালানোর পর থামল জনি । একটা মাঝারি অক্সি-ক্যান থেকে এক ফুসফুস অক্সিজেন ইনটেক করল,  এই কোম্পানির অক্সিজেনটা অনেক ফ্রেস।   ঠিক যেন হাজার বছর আগের ভোরবেলার অক্সিজেন । এই ব্র্যান্ডটাই ব্যবহার করে  জনি । তাই এই সতেরতেও বেশ ইয়াংই আছে জনি। জনি রয়।  বিখ্যাত রয় অ্যান্ড  রয় কোম্পানির মালিক মিস্টার […]

  11. মেয়েলি সাজ

    -হ্যালো, ডাক্তারবাবু বলছেন? – হাঁ, বলছি। – একবার আমাদের বাড়িতে আসতে হবে এখুনি। -কেন কি হয়েছে? -আমার  বৌমা হঠাৎ খুব অসুস্হ হয়ে পড়েছে। হাত-পা ছেড়ে দিয়েছে। খুব ঘামছে আর বলছে বুকের ভেতরটা কেমন করছে। কেউ যেন চেপে ধরেছে। আপনি ডাক্তারবাবু প্লিজ একবার আসুন এখুনি। – দেখুন চেম্বারে কয়েকজন রোগী আছেন এখনও। ওদেরকে দেখে আসছি। – […]

  12. স্বেচ্ছা নির্বাসন

    ফেসবুকের সার্চ লেখা জায়গাটায় গিয়ে দময়ন্তি টাইপ করে “অর্কপ্রভ ব্যানার্জি”। প্রায় ছয় বছর পর দময়ন্তির মনে পড়ে তারও একটা ফেসবুক আ্যকাউন্ট ছিল। অর্কই খুলে দিয়েছিল এই মুখপত্রিকা। এতগুলো বছরে সাইক্রিয়াটিস্ট দময়ন্তি বসুর একবারও মনে আসেনি ফেসবুকের কথা। সময়, ইচ্ছে কোনোটাই নেই তার। সারাদিন কেটে যায় কতরকম গল্প শুনতে। সকাল থেকে হরেকরকম চরিত্র।তাদের বিভিন্ন মানসিক স্টেটাস আপডেট করারএকমাত্র নির্ভরযোগ্য স্থান দময়ন্তির চেম্বার। তাই দময়ন্তির […]

  13. দলিত

    (১) সবাই বলে পটাই। এমনকি মেয়েরাও, নির্দ্বিধায়। পটাই আসলে কিন্তু কমরেড। পটাই-এর কেউ নেই। কিন্তু পার্টি আছে। কমরেড কথাটা শুনলে পটাইয়ের খুব হাসি পায়, শালা লাল পার্টির অফিস, চারদিক লালে লাল আর শালা বলে কিনা কমরেড! স্ট্রাইকারে খেলত পটাই। ফুটবলের স্পিরিটটা মন থেকে যায়নি। তাই এই মরা বাজারেও পার্টি অফিসটা আগলে পড়ে আছে। আড়ালে ওর […]

  14. স্বপ্নের বাড়ি

    তাড়াতাড়ি করে হাতের কাজ সারছিল রুমি। যদি একটু সময় বাঁচিয়ে আজ আগে আগে তিন্নিকে স্কুল থেকে আনতে যেতে পারে তাহলে স্কুলে পৌঁছানোর আগে একবার মায়ের কাছে ঢুঁ মেরে যাবে। কদিন যাবৎ মায়ের শরীরটা একদম ভালো যাচ্ছে না। এমনিতে মায়ের প্রেসার হাই। ইদানিং চিন্তা করে করে আবার সুগারটাও বাড়িয়ে ফেলেছে। তাছাড়া হাঁটুর ব্যথা, বাত, অম্বল এসবতো […]

  15. লাল ব্রিজ

    ‘এ ভাই, তোর কাছে কোনো জম্পেশ স্টোরি আছে? … বা হেব্বি কোনো স্টোরি টেলার?’ সে’বার জানুয়ারি মাসের এক শনিবারের মেঘমেদুর দুপুরবেলায় ফোন করে আমাকে এই প্রশ্নটাই করেছিল সমর। সমর আমার ছেলেবেলার বন্ধু, সেই সময় সে একটা স্বল্পনামী খবরের কাগজের অফিসে ইন্টার্নশিপ করছিল। ওর খুব ইচ্ছে ছিল যাতে ওই অফিসেই ওর চাকরি জুটে যায়। কিন্তু ক্ষীণ […]

  16. চিত্রাঙ্গদা অ্যাট দি রেট অফ

    অনেকদিন হয়ে গেল হ্যাপেনিং কোন সম্পর্কে নেই পার্থ। নতুন কম্পানিতে যোগ দেওয়ার সাথে সাথে তাকে কয়েক বছরের জন্য কানাডা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বিপুল কাজের ভার সামলে আলাদা করে আর কাউকে ডেট করার মতন সময় কুলিয়ে ওঠা যায়নি। দু একটা ডিস্কের রাতপরী এক রাতের শ্রান্তি হরনকারী হয়ে এলেও তাদের সাথে সম্পর্কে যাওয়ার কথা পার্থ কোনদিন […]

  17. প্রেম ও প্রকৃতির কথাকার ছিলেন বুদ্ধদেব গুহ

    গল্পের সময়ঃ বাংলা সাহিত্যের দুনিয়া হারাল এক অরণ্যপ্রেমিক,প্রকৃতি ও নারীর প্রেমগাঁথার রূপকারকে। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় এক মাসের  চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে   করে ফিরেছিলেন বাড়ি।কিন্তু এই অগাস্টেই ফের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে ভর্তি হন হাসপাতাসলে।আর ফেরা হল না ‘মাধুকরী’র কথাকারের। ১৯৩৬ সালের ২৯ জুন কলকাতায় জন্ম বুদ্ধদেব গুহর। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের এই প্রাক্তণীর পেশাদার জীবন শুরু […]

  18. গল্পের সময় ‘শারদ অধ্যায়’

    বাঙালি গল্প শুনতে ভালোবাসে, বাঙালি গল্প শোনাতেও ভালোবাসে। তিন বাঙালি এক জায়গায় হয়েছে আর সব কাজকর্ম শিকেয় তুলে ঘণ্টা খানেক জমিয়ে গল্প-গুজব করে নি এমন ঘটনা একসময় ছিল দুর্লভ ব্যাপার। মজলিসে বসে জামার পকেট বা আস্তিন একটু ঝাড়াঝাড়ি করলে দু-একটি কাহিনী বা কিস্‌সা টুক করে ঝরে পড়তই। আড্ডাবাজ বাঙালির সেই কৌলিন্যে আজ ভাঁটার টান। আন্তর্জাতিক […]

  19. অমৃতসর

    স্বাধীনতার আগে জালিয়ানওয়ালাবাগে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। এই হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে হিন্দু এবং মুসলমান দু-ই ছিল। হিন্দু এবং মুসলমান, মুসলমান এবং শিখদের আলাদা আলাদা ভাবে চেনার কোন অসুবিধা হচ্ছিল না। তাদের চেহারা, তাদের মেজাজ, তাদের চাল-চলন এবং ধর্ম পৃথক হওয়া সত্ত্বেও, জালিয়ানওয়ালাবাগে আজ তাদের সবাইকে এক এবং অভিন্ন করে দিয়েছিল। তাদের হৃদয়ে একই উৎসাহ […]

  20. গুরমুখ সিং-এর উইল

    প্রথমে টুকটাক চাকু-চালাচালি, তারপর দু-তরফের জোর লড়াইয়ের খবর আসতে লাগল। এই লড়াইয়ে চাকু, কৃপাণ, তলোয়ার এবং বন্দুক বেপরোয়া চলল। কখনও কখনও বা দেশী বোমা ফাটার খবরও আসতে লাগল। অমৃতসরের অধিকাংশ মানুষেরই ধারণা ছিল এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বেশীদিন স্থায়ী হবে না। আপাতত উৎসাহ উদ্দীপনা আছে, এই উৎসাহ উদ্দীপনা মিইয়ে গেলেই অবস্থা আপসে-আপ ঠিক হয়ে যাবে। এর […]

  21. অমরত্ব

    অধিকাংশ মানুষের মধ্যেই একটি ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়, যাকে কোনও নীতিশাস্ত্রীয় বাক্যের দ্বারা প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এই আগ্রহ যতক্ষণ না পরিতৃপ্ত হচ্ছে ততক্ষণ এই জাতীয় মানুষের শরীর মনকে উদ্দীপ্ত, উত্তেজিত, চনমনে করে রাখে। এই অতি আগ্রহের নাম দেওয়া যেতে পারে — অমরত্বের বাসনা। অমরত্বের বাসনা কিন্তু সাধারণ মানুষদের মধ্যে কম। কিন্তু যাঁদের […]

  22. সুইমিং পুল

    কর্পোরেশন দপ্তরে এ নিয়ে যত চিঠি পাঠানো হয়েছে, তার ফাইল এত মোটা হয়ে গেছে যে সেটা তুলতে পারা একজন মানুষের কম্ম নয়। ভি.আই.পি.কে বাড়িতে ডাকার আগেই মনে ভয় ছিল, মিসেস ওঁর সামনে নালার সমস্যা তুলে ধরতে পারে। কারণ আমি ওর মানসিক অবস্থা জানি। সেই জন্যই বুঝিয়েছিলাম, “দেখ, নালা-টালা তুচ্ছ জিনিস। ওটা ভি.আই.পির বাঁহাতের ও না,চোখের […]

  23. শতবর্ষ পেরিয়ে অমিয়ভূষণ

    [জুলাই ছিল ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক এবং নাট্যকার অমিয়ভূষণ মজুমদারের  মৃত্যুমাস।ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক এবং নাট্যকার হিসেবে তাঁর কীর্তি তাঁর জীবিতকালে সেভাবে চর্চিতই হয় নি বলে অভিযোগ।সাহিত্যের টানে স্বভূমিচ্যুত না হওয়া এবং সারাজীবন লিটল ম্যাগাজিনে লিখে যাওয়া অমিয়ভূষণ মজুমদারকে নিয়ে নানা কথা শোনালেন গল্পকার সিদ্ধার্থ সান্যাল] অমিয়ভূষণ মজুমদার কোনো প্রথাসিদ্ধ ভাবেই  জনপ্রিয় লেখক ছিলেন না । ওঁর […]

  24. রবীন্দ্রগানের পরম্পরায় – ৩য় পর্ব

    [রবীন্দ্রসঙ্গীতের জগতে সুপরিচিত নাম সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাথের গানের গভীরে ডুবে থাকা মানুষটি এই সঙ্গীতের মধ্যেই খুঁজে পেয়েছেন জীবনের পথ চলার আনন্দ। রবীন্দ্রগানের আলোকমাখা পথ ধরে হাঁটতে গিয়ে তিনি  কিংবদন্তি শিল্পী সুবিনয় রায়কে  শিক্ষক  হিসাবে অনেক কাছ থেকে পেয়েছেন। সান্নিধ্যে এসেছেন রবীন্দ্রগানের স্বরলিপিকার শৈলজারঞ্জন মজুমদারের। আর এই ২০২১-এ সুবিনয় রায়ের জন্মশতবার্ষিকীতে আমরা ঋদ্ধ হয়েছি তাঁর সেই […]

  25. জনান্তিকে ভিন্নতর আলাপ ।। গল্পের সময় ব্লগ

    ‘যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই, পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন’ – কবির এহেন অনুভবের সঙ্গে একমত নন এমন লেখক সম্ভবত নেই। কাহিনী বা কিস্‌সার খোঁজে কোথায় না কোথায় যেতে হয় তাঁকে। দেশভাগ হোক বা মুক্তিযুদ্ধ, দাঙ্গা হোক বা নদী ভাঙন – গল্পের পটভূমি হতে পারে সবই। সময়ের সঙ্গেই লেখার প্রয়োজনে নিষিদ্ধপল্লী থেকে নির্জন সমুদ্র […]

  26. খন্ডস্মৃতির আলো-অন্ধকার

    স্মৃতি আসলে ঠিক কী ? কেমন তার চেনা অবয়ব ? কীভাবেই বা দূর অতীত থেকে সে পৌঁছে যায় এই আজকের একটা সকালে বা সন্ধ্যেয় ? কোন পথ দিয়ে সে আসে ? আর কোন পথে কেমনভাবেই তা হারিয়ে যায় ? শুনতে পাই স্মৃতিহারা মানুষের কাছে ক্রমশ ঝাপসা  হয়ে আসে কাছের স্মৃতি অথচ জীবনের দূরপ্রান্তে কোনো তুচ্ছ […]

  27. মাটি দেশের টানে

    বিরাজুল মানুষ হয়েছে তার চেনা জগতে। ভোরের আজানের সঙ্গে সঙ্গেই আম্মির মুখ দেখে শুরু হতো তার দিন। সারাদিন স্কুলে কাটতো ছেলেবেলার জগত। মনে পরে স্কুল থেকে এসেই ব্যাট হাতে বেরিয়ে পরতো ক্ষেত্রপালতলার মাঠে। জাহাঙ্গীর,মতিউল্লাহ,সিরাজ,ইজাজুর,সামিম, সুদীপ্ত,বাবু,ভম্বল,বিশ্বরূপ,মিলু,অধির সব বন্ধুরা জড়ো হতো ক্রিকেট খেলবে বলে। খেলার শেষে বসে গল্প করতো। প্যান্ট না পরে লুঙ্গি পরে মাঠে এলে তার […]

  28. তৃতীয় বৃত্তে অপরাজিতা

    (এটা তো গল্পই নয় । সেই অর্থে আমার লেখাও  নয় । ইতিহাসের লেখা । যারা নিয়মিত অসাধারণ খবরের খোঁজ রাখেন তাঁদের মনেও পড়তে পারে । আগে যাঁরা এ নিয়ে লিখেছেন এই সুযোগে তাঁদের স্বীকৃতিও জানাই ।) ২০২০ আমাদের সামাজিক দূরত্ব শেখালো – এ কথাটা একদমই সত্যি নয়। সামাজিক দূরত্বের বীজ  আমাদের রক্তে । আমরা মানে তুমি, আমি, ওই সিংহটা, হরিণ, পায়রা, টিয়া আর বিষাক্ত সাপটাও  – অর্থাৎ সব প্রাণীই । আমাদের ঘিরে থাকে  তিনটি  বৃত্ত । বাইরের […]

  29. আতঙ্কের ভয়

    যত দিন যাচ্ছে, আতঙ্ক ততই শরীরের ভেতর গেঁথে বসছে।  করোনা ভাইরাসের অস্তিত্বের মতোই এ সত্য আজ আর অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। কিন্তু শুধুই কি করোনা পরিস্থিতি? করোনার ভয়াবহ আক্রমণ বাদ দিয়েও, সামগ্রিকভাবে বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কেও কি এটা সমান সত্য নয়?  কাজ হারানোর ভয়, বাড়িতে ডাকাত পড়ার ভয়, কলে জল চলে যাওয়ার ভয়, মাঝরাস্তায় বৃষ্টি […]

  30. অংশহর(পর্ব ২)

    “খাঁটি ও নির্ভেজাল ভূতের দেখা পেতে হলে আপনাকে ওয়েস্ট এন্ড পার্ক আসতেই হবে…” সোহা আলি খান অথবা মুরাকামি কে একথা বলেছিলেন, ঠিক খেয়াল নেই কিন্তু কথাটা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি। আমাদের মাদারপাড়ায় যদি আপনি আসেন ঘুরতে ফিরতে আপনার ভূতের সাথে ঠোক্কর লাগবে। যাকে বলে ভূতে ভূতে ধুল পরিমাণ। রাত্রি নামলেই আমাদের পাঁচিলে সাদা থান পরা এক […]

যোগাযোগ


email:galpersamay@gmail.com

Your message has been sent. Thank you!

গল্পের সময় পরিবার
সমীর
অগ্নীশ্বর
দেবাশিস
চিন্ময়
পার্থ
মিতালি
জাগরণ
দেবব্রত

© 2016 - 2021 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ