Tag Archives: গল্প


  1. পার্টি বলেছিল

        বুর্জোয়া শিক্ষা ব্যবস্থায় যে যত পড়ে, সে তত মূর্খ হয় – কলেজ স্ট্রিটের দেওয়াল থেকে উড়ে এসে যখন আমাদের বালুরঘাট কলেজেরও দেওয়ালে ফুটে উঠল, তখন যে ঝাঁকটি বেরিয়ে পড়ল গ্রাম দিয়ে শহর ঘিরতে, আমি ছিলাম তাদেরই একজন। আমি অবশ্য তখন ছাত্র নই। বুর্জোয়া কেমিস্ট্রি অনার্সের বুর্জোয়া সাম্মানিক স্নাতক। মা – বাবা গত, দাদার […]

  2. হোমওয়ার্ক

      সমাজের নানাবিধ দুরাচার, অনাচার, ব্যভিচার রুখবার জন্য ইদানিং আমাদের অনেককেই ভয়ংকর মরিয়া হয়ে উঠতে দেখছি। ভরদুপুরে মনের হরষে মোমের বাতি জ্বালানোর শুভ সংস্কৃতি কিছুদিন আগেও তেমন চোখে পড়েনি। চারপাশের এত অধঃপতন আর অবক্ষয়ের মধ্যে এটা নিঃসন্দেহে এক অতীব ইতিবাচক লক্ষণ বলা যেতে পারে। কাগজে দেখছিলাম ঝাড়গ্রাম না মাড়গ্রাম কোথায় যেন পুলিশ গ্রামবাসীদের ডেকেডুকে এনে […]

  3. রঙিন দারিদ্ররেখা

    উইয়ের ঢিবি থেকে মাটি ভেঙে টিনের বালতিতে বোঝাই করতে করতে সুধাকৃষ্ণ বুঝে উঠতে পারছিল না কটা বাজে। গ্রাম–ভারতের যে মানুষেরা রোদের এগনো–পেছনো, তারা আর চাঁদের অবস্থানে বেলা রাত মাপে সুধাকৃষ্ণ তাদেরই একজন। অথচ আষাঢ়ের এই থমধরা মেঘলা সকালে এই বৃষ্টি, বৃষ্টি নয়, মেঘভাঙা ধারালো রোদ, কখনও আগলা–পাগলা হাওয়া – এমনই যখন চারপাশের প্রাকৃতিক খেলা; তখন […]

  4. এই প্রজন্ম

    সিমিভ্যালিতে চমৎকার বাড়ি কিনেছে সম্বিৎ। কাঠের দোতলা বাড়ি। ক্যালিফোর্নিয়ায় ভূমিকম্প হয় বলে সব বাড়িই কাঠের তৈরি। বাড়িটার বাঁদিক দিয়ে বোধহয় গেছে পাঁচ নম্বর নর্থ ফ্রি ওয়ে। খানিকটা এগোলেই পাহাড়। সেই পাহাড়ের গা বেয়ে এঁকেবেঁকে চলে গেছে চওড়া ফ্রি ওয়ে। চৌষট্টি মেইল এগনোর পর তবে সমতলে গিয়ে মিশেছে রাস্তাটা। সম্বিতের বাড়ির সামনে এক টুকরো বাগান। বাগানে […]

  5. ঘরভাঙা ঘর

    ঘরে ফিরতে কবিরুলের পা জড়িয়ে আসছিলো। কবিরুল চাকরি করে একটা বেসরকারি ব্যাংকে। মতিঝিলে অফিস। বেতন ভালো।  বেতন ভালো বলে এখনো সে নিজের জন্য ভালো একটা বাসা ভাড়া নেয়নি। দেশে বাড়িঘরের চেহারা আগে পাল্টাতে হবে। বাড়ির ছেলে পাস করে চাকরি পাওয়ার সাথে সাথে গ্রামের মানুষ আগে তাদের ঘরখানার জৌলুস দেখতে চায়। এটা বাদ রেখে আর কোনো […]

  6. হরিদাস পাল

    হরিদাস দৌড়াচ্ছে। আমোদপুরের হরিদাস। খেঁচে দৌড়। মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে বাতাসকেও টেক্কা দিচ্ছে বুঝি। দৌড়াতে দৌড়াতে পরনের লুঙ্গিটার দিকে দ্রুত একবার তাকিয়ে নিচ্ছে সে। শতছিন্ন লুঙ্গিটা মালকোঁচা মেরে দৌড় শুরু করেছিল। আছে তো এখনও কোমরে? আছে বলেই মনে হচ্ছে যেন। অবশ্য না থাকলেও থামার উপায় নেই, ল্যাংটো হয়েই দৌড়ে যেতে হবে তাকে। দৌড়াতে দৌড়াতে নিজেই […]

যোগাযোগ


email:galpersamay@gmail.com

Your message has been sent. Thank you!

গল্পের সময় পরিবার
সমীর
অগ্নীশ্বর
দেবাশিস
চিন্ময়
পার্থ
মিতালি
জাগরণ
দেবব্রত

© 2016 - 2026 গল্পের সময়। ডিজাইন করেছেন অগ্নীশ্বর। নামাঙ্কন করেছেন পার্থ ।