
বিকেল ঢেকে সন্ধে আসছে, আনন্দময়ী সেবা সদনের ভেতর এখন রোগির পরিজনের ভীড় কমতে শুরু করেছে। ভিজিটিং আওয়ার শেষ, পরিস্কারের দায়িত্বে থাকা কর্মচারীরা লম্বা ঝাড়ু নিয়ে বসার জায়গা, রিসেপশান, ফার্মেসি, আউটডোরের কেবিন ধোয়ামোছা করছে। শুধু এমারজেন্সিতেই এখন কয়েকজন ডিউটিতে আছে। কার্ডিয়াক সার্জেন ঝিলম ধীরে সুস্থে এমারজেন্সিতে এসে বসে। বিকেলের দিকে চাপ কম, এখানেই একটু আড্ডা দেয়, সন্ধের চা-বিস্কুট খায়, তারপর নিজের ওয়ার্ডে রাউন্ডে চলে যায়। হাসপাতালে থাকলে, এই তার মোটামুটি রুটিন।
ঝিলমের ঠাকুমার নামে হাসপাতাল। ঝিলমের বাবা ডা. তথাগত-র হাতেগড়া প্রতিষ্ঠান, আজ পঁচিশ বছরে, সুনাম আড়ে দিঘে অনেক প্রসারিত। স্থানীয় মানুষকে কলকাতা যেতে হয় না। কার্ডিয়োলজি, ইউরোলজি, অর্থপেডিক, জেনারেল মেডিসিন, মেটারনিটি, পেডিয়াট্রিক ইত্যাদি সমস্ত বিভাগেই যথেষ্ট গুণী চিকিৎসকেরা নিয়মিত আসেন। ডাক্তারি পাশ করার পর থেকে ঝিলমের হাতেখড়িও এখানে, তখন বাবা ছিলেন। আজ বাবার অবর্তমানে দক্ষ পরিচালন সমিতি আছে, আর ঝিলম রয়েছে তার কার্ডিওলজির ভুবন নিয়ে। আটত্রিশ বছর বয়সেই বেশ সুনাম অর্জন করেছে। বাবার মেয়ে নয়, নিজের কাজের জন্যেই মানুষের প্রিয় হয়ে উঠেছে।
“হ্যাঁরে! আমার সঙ্গে শুধু এই ফর্সা রোগা ছেলেটার কেন ডিউটি পড়ে?”
জুনিয়র ডাক্তার আবির বেশ শ্যামবর্ণ আর গোলগাল চেহারা। ওকে দেখেই ঝিলমের এই সংলাপ।
আবির হাসে। নার্স রেনুকা পাশ থেকে বলে, “বডিশেমিংএর জন্য আবির আপনার নামে কিন্তু কমপ্লেন করতে পারে।”
ঝিলম ঝাঁঝিয়ে ওঠে, “ঘন্টা করবে! ও আমার ভাই। বল আবির, দিদি তো একটু আধটু বলতেই পারে।” এই বলে বেশ জোরে গাল টিপে দেয়।
“আহ্ দি, কী যে কর!” আবির ককিয়ে ওঠে, একটু লজ্জাও পায়।
এই খুনসুটির মধ্যে বাইরে একটা গাড়ি থামার শব্দ। কেউ একজন, এমার্জেন্সি কোনদিকে জিজ্ঞেস করছে। ঝিলম সতর্ক হয়ে ওঠে, চায়ের কাপটা রেখে উঠে দাঁড়ায়। একজন বেশ স্বাস্থ্যবান চেহারার মধ্যবয়সী মানুষ দরজা দিয়ে ভেতরে আসে, “চেস্ট পেইন, কোন ডাক্তার আছেন?”
ঝিলম স্টেথো ধরে সামনে এগিয়ে আসে, “পেশেন্ট কে?”
“আমিই”
এক মুহূর্তে লোকটির দিকে তাকিয়ে, সামনে রাখা বিছানাটা দেখিয়ে বলে, “ওখানে শুয়ে পড়ুন।”
স্টেথো বুকে লাগিয়েই তুলে নেয়, “সাথে কে আছে?”
“কেউ নেই। এখানে একটা কাজে এসেছিলাম। এখন ফিরে যাব।”
ঝিলম ঘরে থাকা নার্সের দিকে তাকিয়ে বলে, “এম-আই কেস! ইসিজি কর। কুইক।”
সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু হয়ে যায়। একজন নার্স এসে নাকে অক্সিজেনের নল আটকে দেয়, আরেকজন বুকে হাতে পায়ে ইসিজি করার জন্য নোডগুলো লাগিয়ে ফেলে। মুহূর্তের মধ্যে খসখস করে গ্রাফের কাগজ বেরিয়ে আসতে থাকে।
রিপোর্ট দেখে ঝিলমের ভ্রূ কুঁচকে যায়, “আপনার এম-আই মানে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন অর্থাৎ হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, এবং ব্যাপারটা বেশ জোরালো। এখুনি ট্রিটমেন্ট শুরু না করলে বিপদ আছে।”
“তাহলে অপেক্ষা করছেন কেন? শুরু করুন।”
“হাসপাতালের কিছু প্রসিডিওর আছে, সেগুলো ছাড়া এগোতে পারবে না।”
ঝিলম ঘসঘস করে কতগুলো ওষুধের নাম লিখে নার্সকে বলে, “এখুনি চারটে করে প্রতিটি ট্যাবলেট চিবিয়ে খাওয়াবি। আর ইংজেকশনটা আই-ভি করে দে।”
তারপর লোকটির দিকে তাকিয়ে বলে, “সঙ্গে আইডি কার্ড কী আছে?”
“সব আছে! এই বলে লোকটি ওর পার্স ঝিলমের হাতে তুলে দেয়। ঝিলম দেখে সেখানে একগাদা ডেবিট, ক্রেডিট, আধার, প্যান, ইনসিওরেন্স, ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর কার্ড ইত্যাদি সব আছে।
ঝিলম অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, “বাবা! এইসব নিয়ে সবসময় ঘোরা ফেরা করেন?”
“আমার কাজই এমন। উপায় নেই।”
“বেশ, আমি অ্যাডমিশানের জন্য লিখে দিচ্ছি।” নার্সের দিকে তাকিয়ে বলে, “ওটি রেডি করতে বল।”
লোকটি উঠে বসার চেষ্টা করে, “ওটি করতে হবে?”
“উঠবেন না। এটা এস-টি এলিভেশন এম-আই। আপনি এখানে কার কাছে এসেছিলেন, তার নম্বর দিন। আপনার বাড়ির নম্বরও দিন। এখান থেকে খবর দেওয়া হবে। কুইক।”
“এখানে যার কাছে এসেছিলাম, সে নেই। দেখা হয়নি।”
“বাড়ির নম্বর?”
“ফোনে আছে, হোম বলে সেভ করা। তবে বৃদ্ধা রান্না মাসি ছাড়া কেউ নেই।”
“তবে কি আকাশ থেকে টপকেছেন? কেউ কোথাও নেই?”
“সবাই ছিল, এখন নেই।”
একটু থেমে ঝিলম বলে, “বেশ! কেউ নেই তো, নিজে আরেকটু সাবধান হতে পারেন। দিনে কটা সিগারেট খান?”
“খাই না।”
“সেকী? সিগারেট খান না? মদ?”
“কোনটাই খাই না।”
“আচ্ছা মাল তো? তাহলে, এই রকম হার্টের অবস্থা করলেন কী করে?”
লোকটি মুখ বুজে থাকে, উত্তর দিতে পারে না। শুধু ব্যক্তিত্বময়ী ঝিলমের দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।
ঝিলম একজন টেকনিশিয়ানের দিকে ফিরে বলে, “অ্যাডমিশান ফর্ম আনিয়ে ওঁকে দিয়ে এখনই সই করিয়ে নে। আমি ওপরে গেলাম।”
ঝিলম বেরিয়ে যেতে, লোকটি জিজ্ঞাসু চোখে বাকিদের দিকে তাকিয়ে থাকে। ডাক্তার আবির পেশেন্টের আধার, প্যান আর ইনসিওরেন্স কার্ড দেখে অ্যাডমিশন ফর্ম ভরতে থাকে। লোকটির নাম অলক সাহা, বাড়ি কলকাতা। বিছানায় শুয়ে শুয়েই ভদ্রলোক সই করে দেয়, “দেখুন পার্সে কিছু ক্যাশ আছে, নিতে পারেন। আশাকরি ইনসিওরেন্সেও সমস্যা হবে না।”
আবির সবটা সম্পূর্ণ করে, ফর্ম রিসেপশানে পাঠিয়ে দেয়, আর পেশেন্টের ট্রলির সঙ্গে পার্স আর কার্ডগুলোও দিয়ে দেয়।
অলককে নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। ট্রলি ঠেলে ওয়ার্ডে নিয়ে যায়, সেখানে চট করে পোশাক বদল করে ফেলে, একজন এসে ঝপাঝপ হাতে পায়ে শেভ করে ফেলে। আরেকজন ইউরিন ক্যাথিটার করে ব্যাগ ঝুলিয়ে দেয়। সব এত দ্রুততার সঙ্গে হল যে, অলকের আলাদা করে ব্যথা পাওয়ার সুযোগ হয় না।
তার মধ্যেই নার্সের ফোনে রিং বাজতে থাকে। অলক ঝিলমের গলা শুনতে পায়, “মালটাকে এখনও পাঠাতে পারছিস না? আমি ক্যাথল্যাবে এসে গেছি।”
নার্স বাকিদের তাড়া লাগিয়ে বিদেয় করে। “শিগগিরি যাও, না হলে গালি দিয়ে ভূত ভাগিয়ে দেবে।” তখন ওয়ার্ড-বয়রা ট্রলি ঠেলতে ঠেলতে লিফ্টে ওঠে। ক্যাথল্যাব-এ ঢোকার মুখেই অপরেশন থিয়েটারের রণসজ্জায় ঝিলম দাঁড়িয়ে, “শুনুন ঢোকার আগে কয়েকটা কথা। আপনার সঙ্গে যেহেতু কেউ নেই, তাই আপনাকেই শুনতে হবে। অবশ্য কনসেন্ট ফাইলে আগেই সই করে দিয়েছেন।”
অ্যাপ্রন, টুপি আর মাস্ক-এ ঢাকা ঝিলমকে প্রথমে অলক চিনতে পারেনি। শুধু চোখদুটো দেখে যেন আরাম হয়। অলকের মুখে যন্ত্রণার ছাপ স্পষ্ট। কোনকিছু কানে যাচ্ছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না। ঝিলম বলে চলে, “দেখুন এ ধরনের অপরেশনের ঝুঁকি পঞ্চাশ শতাংশ। আপনি ফিরতেও পারেন, নাও ফিরতে পারেন। ক্যাথিটারের ঘষায় আপনার হাতে বা পায়ে ইনফেকশন হতে পারে। ভেতরে রক্ত জমাট বেঁধে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এই কাজটা করতে গিয়ে আপনার আবার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। কোন কারনে অ্যালার্জি হয়ে যেতে পারে। এই প্রক্রিয়াতে আপনার কোরনারি আর্টারি ফুটো হয়ে যেতে পারে। এই সব ক্ষেত্রে রুগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।”
অলকের কষ্ট হচ্ছিল, এসব শুনতে ভাল লাগছিল না, “আমি বুঝেছি। কিন্তু আর শুনতে ইচ্ছে করছে না।”
“আমার কিছু করার নেই, এগুলো রুটিন এস-ও-পি। আমাকে বলতেই হবে।”
অলকের তখন আর বলা শোনার কোন বোধ নেই। শুধু সবুজ অ্যাপ্রন, মাস্ক, টুপির আড়ালে কাজল দিয়ে সাজানো ঝিলমের একজোড়া গভীর চোখ মনে গেঁথে গেল। অস্ফুট স্বরে বলে “বাঁচা মরা আপনার হাতে। আমার কোন দাবী বা অভিযোগ, কিছুই নেই।” কথাগুলো ঝিলমের বোধের সীমায় পৌঁছালো কিন্তু কোন প্রত্যুত্তর করল না। ট্রলি, ক্যাথল্যাবের ও-টি টেবিলের পাশে চলে এলো। দুজন ওয়ার্ডবয় দুদিক দিয়ে ধরে ওকে টেবিলে শুয়ে দেয়। ঝিলম ছাড়া ভেতরে আর কয়েকজন ডাক্তার, নার্স রয়েছে। আলো জ্বলে উঠল অলকের ডান হাতের কব্জির কাছে। একজন সি-আর্ম ধরে রয়েছে, ঝিলম আর অন্যরা প্রথমে অলকের হাতে চেষ্টা করল। অলক শুনতে পাচ্ছে, কেউ বলছে “স্প্যাজম হচ্ছে।” ঝিলম বলে, “সময় নেই, ফিমোরাল করুন।” অলক বুঝতে পারে, কব্জিতে অসফল হওয়াতে ডাক্তাররা থাইএর ওপরে নজর দিয়েছে। শুধু ঝিলমের গলা শোনে, “আপনার পায়ে একটা ইংজেকশন দিচ্ছি।”
অলকের এসব কথায় কিছু যায় আসে না। আধো অন্ধকার ঘরে ঘাড় ঘুরিয়ে মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকে। প্রতিটি মুহূর্ত যেন অনন্ত মনে হচ্ছে। ডাক্তার-রা আলোচনা করছে, “এই যে এখানে ব্লক, সাদা হয়ে আছে। এবার বেলুন করছি। ব্লাড সার্কুলেশন চালু হয়ে গেল।”
আরও অনেক কিছু বলছিল। কিন্তু অলক অনুভব করে, ঠিক ওই সময়েই ওর ব্যথাটা নির্মূল হয়ে গেল। আরামে ঘুম আসছে অলকের। শুধু দুটো চোখ, কাজল দিয়ে সাজানো। এত সুন্দর আর এত ভরসার চোখ কারও হয়? অলক আগে দেখেনি। জীবনে অনেক রকম উথ্থান পতনের মধ্যে পার হয়েছে। আজ এই পরিণত বয়সে এসে, এই প্রথম এমন অনুভূতি হল।
রাতে অলক ওয়ার্ডে ফিরে আসে। নার্সেরা যাবতীয় যত্ন নিয়ে সেবা করছে। অলক অপেক্ষায় আছে, কখন ঝিলম আসবে। সে রাতে ঝিলম আর আসেনি। পরদিন সকাল দশটা নাগাদ ঝিলমকে দেখতে পায়, একটা আকাশী রঙের স্যুটের ওপর সাদা গাউন পরা। ও যেন অলককে দেখতেই পেলনা। খুব জোরে কোন অল্পবয়সী নার্সকে বকছে, “আমি এখানে চাকরি করি, তোমায় শেখানোর জন্য আসিনি। এবার থেকে পড়াশুনা করে আসবে।” অলক বুঝতে পারে না, কে বকা খাচ্ছে!
তখন একটি পুরুষ টেকনিশিয়ান প্রায় ঝিলমের গা ঘেঁষে যায়, “স্যরি ম্যাম, আপনার গায়ে লেগে গেল।”
“স্যরি বলার কিছু নেই। তোর ওই কাদাখোঁচার মতো চেহারা, ঘষে গেলে চুলকুনি হবে, সুড়সুড়ি হবে না।”
তখন এক আয়ামাসি এসে বলে, “দুধ চা দেব? ম্যাম?”
“দুধ তো ফ্রিজে নেই, তুমি কি ম্যামারি গ্ল্যান্ড থেকে বার করবে?”
ঝিলমের এইসব কথা শুনে অলকের পর্যন্ত কান গরম হয়ে ওঠে, চুপ করে চোখ বুঁজে পড়ে থাকে। অপেক্ষা করে কখন ঝিলম ওর বেড-এর সামনে আসবে।
ঝিলম আসে না। নার্স বলে, “ম্যাম সব দেখে নিয়েছে। আর বলেছেন কাল ছুটি দিয়ে দেবেন।”
ছুটির কথায় অলক, ঠিক খুশি হতে পারে না।
পরদিন, সময় মতো বীমা কোম্পানি থেকে সব হিসেব চুকিয়ে দেওয়ার পর অপেক্ষায় থাকে, যদি ঝিলমের সঙ্গে দেখা হয়। কিন্তু সে আর সামনে আসে না। আগেই নাকি ডিসচার্জে সই করে দিয়েছে। হাসপাতাল থেকেই একজন ড্রাইভারের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। ওর নাম নীরজ। সে অলকের গাড়ি করে, ওকে পৌঁছে দিয়ে আসবে। দুদিন ধরে গাড়িটা হাসপাতালের সামনেই পড়ে ছিল।
সারা রাস্তা অলকের নানা প্রশ্ন, “এই ঝিলম ম্যাম কি খুব রাগী?”
নীরজ প্রথমে বোঝে না, কী বলবে? নিজের মনিবের সম্বন্ধে বাইরের লোককে কিছু বলা উচিত?
“ম্যাম খুব আন্তরিক। আমাদের সবার খেয়াল রাখে। ভালবাসে বলেই বকাঝকাও করে।”
অলক রীতিমতো পেশাদার উকিলের মতো প্রশ্ন করেছে। নীরজ বেশীরভাগ প্রশ্নে, চুপ করে থেকেছে। তার মধ্যেই অলক বুঝে নিয়েছে, ঝিলম বিয়ে করেনি, ভীষণ কড়া, আর মুখে কোন আগল নেই।
অলকের মনে একটা হালকা ইচ্ছে, পেঁজা তুলোর মতো ভেসে এল। এমন কেউ যদি ওর জীবনের হাল ধরে, তাহলে বাকি দিনগুলোতে মন দিয়ে কাজ করতে পারে।
অলক বাড়ি ফিরে, নীরজের হাত দিয়ে একগুচ্ছ ফুল আর একটা চকোলেট পাঠায় ঝিলমের জন্য। অনেক রাতে অলকের ফোনে একটা অচেনা নম্বর থেকে কল আসে, “এখন কেমন আছেন?”
“ভালো না।”
“কেন? বুকে ব্যথা হচ্ছে?”
“না, হৃদয়ে হচ্ছে।”
“চকোলেটের জন্য ধন্যবাদ।”
“আর হৃদয়ের ব্যথা?”
“ও রকম মনে হয়। তিন সপ্তাহ পরে ফলো আপে আসবেন। দেখে দেব।”
অলক নিজের হৃদস্পন্দন নিজেই শুনতে পেল। লাবডুব লাবডুব, আবার লাভ-ডুব লাভ-ডুব।
[ বানানবিধি ও মতামত লেখকের নিজস্ব]

Tags: Galper Samay, গল্প, গল্পের সময়, সৌরভ হাওলাদার, হৃদস্পন্দন
email:galpersamay@gmail.com

মতামত
আপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার ইমেল গোপনীয় থাকবে।